
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আওয়ামী লীগের লকডাউনে কোনো মানুষ নেই। এআই দিয়ে কিছু ছবি তৈরি করে তারা লকডাউন পালন করছে। কিছু নেশাগ্রস্ত উচ্ছৃঙ্খল ছেলেদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে প্রধান সড়কে গুপ্তভাবে ভোররাতে একটি ঝটিকা মিছিল করে বাসে আগুন দিয়ে ছবি তুলে তারা ফেসবুকে ছেড়ে দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরে জনতা ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নে কলেজ মাঠে এ আয়োজন করা হয়।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘৪৭ সালের আওয়ামী লীগ, তাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে হবে কেন? উনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। নিজের ভোটে নিজে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। রাতের অন্ধকারের প্রধানমন্ত্রী, দখলদারিত্বের প্রধানমন্ত্রী, তাহলে পালিয়ে যেতে হবে কেন? রাজনীতি করেননি, রাজনীতি করতেও দেননি। আমাদেরকেও রাজনীতি করতে দেননি, যার কারণে আমরা বিএনপির নেতৃত্বে সকল রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েছি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে।’
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বলেছিলেন, যারা বাসে আগুন দেবে তাদের আগুনে ফেলে দিতে, এখন তো তিনি নাই। তিনি পালিয়ে যাবার আগে তার আত্মীয়-স্বজন সবাইকে বিদেশ পাঠিয়ে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেছিলেন তিনি পালান না, কিন্তু তিনি পালিয়ে গেছেন। কিন্তু এ জেনারেশন পালায়নি। এরাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। হাসিনার আমলে অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা হয়েছে, মামলা হয়েছে। অনেক পরিবার গুম-খুনের শিকার হয়েছে। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ দুর্নীতি, দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়ন করেছে। এদের হাতে ছিল মুজীব বাহিনি ও রক্ষী বাহিনি।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি শিব্বির মাহমুদ, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বেল্লাল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন বাচ্চু ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম প্রমুখ।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আওয়ামী লীগের লকডাউনে কোনো মানুষ নেই। এআই দিয়ে কিছু ছবি তৈরি করে তারা লকডাউন পালন করছে। কিছু নেশাগ্রস্ত উচ্ছৃঙ্খল ছেলেদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে প্রধান সড়কে গুপ্তভাবে ভোররাতে একটি ঝটিকা মিছিল করে বাসে আগুন দিয়ে ছবি তুলে তারা ফেসবুকে ছেড়ে দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরে জনতা ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নে কলেজ মাঠে এ আয়োজন করা হয়।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘৪৭ সালের আওয়ামী লীগ, তাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে হবে কেন? উনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। নিজের ভোটে নিজে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। রাতের অন্ধকারের প্রধানমন্ত্রী, দখলদারিত্বের প্রধানমন্ত্রী, তাহলে পালিয়ে যেতে হবে কেন? রাজনীতি করেননি, রাজনীতি করতেও দেননি। আমাদেরকেও রাজনীতি করতে দেননি, যার কারণে আমরা বিএনপির নেতৃত্বে সকল রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েছি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে।’
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বলেছিলেন, যারা বাসে আগুন দেবে তাদের আগুনে ফেলে দিতে, এখন তো তিনি নাই। তিনি পালিয়ে যাবার আগে তার আত্মীয়-স্বজন সবাইকে বিদেশ পাঠিয়ে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেছিলেন তিনি পালান না, কিন্তু তিনি পালিয়ে গেছেন। কিন্তু এ জেনারেশন পালায়নি। এরাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। হাসিনার আমলে অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা হয়েছে, মামলা হয়েছে। অনেক পরিবার গুম-খুনের শিকার হয়েছে। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ দুর্নীতি, দুঃশাসন ও দুর্বৃত্তায়ন করেছে। এদের হাতে ছিল মুজীব বাহিনি ও রক্ষী বাহিনি।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি শিব্বির মাহমুদ, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বেল্লাল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন বাচ্চু ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম প্রমুখ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে