
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের বটতলা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলেই চারজন মারা গেছেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধারকাজ চলছে এবং আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের বটতলা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলেই চারজন মারা গেছেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধারকাজ চলছে এবং আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে