
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্বামীর দেওয়া আগুনে পুড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ৫ দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্ত্রী হেলেনা আক্তারের (৩৬) মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১০ জুন) সকালে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার ছেলে অন্তরও (১১) দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাত ১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হেলেনার ভাই ইমরান বলেন, ‘আমার বোন হেলেনাকে মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের ওসমান শেখের সঙ্গে ১৪ বছর আগে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে সে আমার বোনকে বিভিন্ন সময় মারধর করে আসছিল। স্বামী নেশাগ্রস্ত হওয়ায় আমার বোন আমাদের বাড়ি গোহালা ইউনিয়নের মনিরকান্দি গ্রামে থাকে। রাতে ছেলেকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হেলেনা। রাত ১টার দিকে হেলেনার স্বামী প্রথমে জানালা দিয়ে তাদের ওপর পেট্রল ছুড়ে মারে। এরপর আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের চিৎকারে সবাই এগিয়ে আসে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজৈর হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার বোন মারা গেছে।’
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ‘স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হেলেনা আক্তার ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি ওসমান শেখকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্বামীর দেওয়া আগুনে পুড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ৫ দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্ত্রী হেলেনা আক্তারের (৩৬) মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১০ জুন) সকালে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার ছেলে অন্তরও (১১) দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাত ১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হেলেনার ভাই ইমরান বলেন, ‘আমার বোন হেলেনাকে মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের ওসমান শেখের সঙ্গে ১৪ বছর আগে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে সে আমার বোনকে বিভিন্ন সময় মারধর করে আসছিল। স্বামী নেশাগ্রস্ত হওয়ায় আমার বোন আমাদের বাড়ি গোহালা ইউনিয়নের মনিরকান্দি গ্রামে থাকে। রাতে ছেলেকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হেলেনা। রাত ১টার দিকে হেলেনার স্বামী প্রথমে জানালা দিয়ে তাদের ওপর পেট্রল ছুড়ে মারে। এরপর আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের চিৎকারে সবাই এগিয়ে আসে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজৈর হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার বোন মারা গেছে।’
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ‘স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হেলেনা আক্তার ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি ওসমান শেখকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে