
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফলে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মারামারিতে এক যুবলীগ নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আতশখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মো. সেলিম মুন্সী (৪৮) এবং তাঁর চাচাতো ভাই মো. আলাউদ্দিন মুন্সী (৫৩)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিহত আলাউদ্দিন মুন্সীর পরিবারের সঙ্গে সেলিম মুন্সীর পরিবারের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন মুন্সী তাঁর দুই ছেলেকে নিয়ে সেলিম মুন্সীর ওপর হামলা চালান। এ সময় সেলিম মুন্সী নিজেকে রক্ষার জন্য দৌড়ে এলাকার সামসু মুন্সীর ঘরে ঢোকেন। তাঁরা সেই ঘরে ঢুকে সেলিম মুন্সিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে মারামারিতে জড়ায়। এ সময় আহত হওয়া আলাউদ্দীন মুন্সী পরে মারা যান।
এ ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোনিত কুমার গায়েন বলেন, ‘পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান আছে।’

পটুয়াখালীর বাউফলে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মারামারিতে এক যুবলীগ নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আতশখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মো. সেলিম মুন্সী (৪৮) এবং তাঁর চাচাতো ভাই মো. আলাউদ্দিন মুন্সী (৫৩)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে বাউফল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিহত আলাউদ্দিন মুন্সীর পরিবারের সঙ্গে সেলিম মুন্সীর পরিবারের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন মুন্সী তাঁর দুই ছেলেকে নিয়ে সেলিম মুন্সীর ওপর হামলা চালান। এ সময় সেলিম মুন্সী নিজেকে রক্ষার জন্য দৌড়ে এলাকার সামসু মুন্সীর ঘরে ঢোকেন। তাঁরা সেই ঘরে ঢুকে সেলিম মুন্সিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে মারামারিতে জড়ায়। এ সময় আহত হওয়া আলাউদ্দীন মুন্সী পরে মারা যান।
এ ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোনিত কুমার গায়েন বলেন, ‘পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান আছে।’

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে