
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার মাঠে শাম্মী আহমেদ ও পঙ্কজ নাথের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের নাম সিরাজ সিকদার (৫৮)। সংঘর্ষের পর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয় বলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুপুরে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভায় দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অবস্থায় যাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল তাদের মধ্যে সিরাজ সিকদার ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবুও সন্দেহের কারণে আমরা মরদেহ মর্গে পাঠিয়েছি। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নিহত সিরাজ সিকদার বরিশালের হিজলা উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামের কোব্বাত সিকদারের ছেলে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, হাসপাতালে যিনি নিয়ে গেছেন তিনি জানিয়েছেন- জনসভার মাঠে সিরাজ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নিহত সিরাজকে নিজেদের কর্মী দাবি করছেন পঙ্কজ ও শাম্মী অনুসারীরা।
বরিশাল-৪ আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ নাথ বলেন, আমার লোকজন যখন জনসভার মাঠে প্রবেশের সময় হামলা হয়। জনসভা মাঠে তারা লাঠি ও রড কোথায় পেল? পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
অপরদিকে শাম্মী আহমেদ বলেন, সিরাজ কৃষক লীগের ওয়ার্ড সভাপতি ছিলেন। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কোনো লোক তার (পঙ্কজ) সঙ্গে নেই। আওয়ামী লীগের সবাই ঐক্যবদ্ধ। তাদের ওপর হামলা করেছে। এতে সিরাজ মারা যান।
দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া শাম্মী আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল হয়। অপরদিকে, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ।

বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার মাঠে শাম্মী আহমেদ ও পঙ্কজ নাথের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের নাম সিরাজ সিকদার (৫৮)। সংঘর্ষের পর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয় বলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কবির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুপুরে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভায় দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অবস্থায় যাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল তাদের মধ্যে সিরাজ সিকদার ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবুও সন্দেহের কারণে আমরা মরদেহ মর্গে পাঠিয়েছি। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নিহত সিরাজ সিকদার বরিশালের হিজলা উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামের কোব্বাত সিকদারের ছেলে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, হাসপাতালে যিনি নিয়ে গেছেন তিনি জানিয়েছেন- জনসভার মাঠে সিরাজ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নিহত সিরাজকে নিজেদের কর্মী দাবি করছেন পঙ্কজ ও শাম্মী অনুসারীরা।
বরিশাল-৪ আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ নাথ বলেন, আমার লোকজন যখন জনসভার মাঠে প্রবেশের সময় হামলা হয়। জনসভা মাঠে তারা লাঠি ও রড কোথায় পেল? পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
অপরদিকে শাম্মী আহমেদ বলেন, সিরাজ কৃষক লীগের ওয়ার্ড সভাপতি ছিলেন। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কোনো লোক তার (পঙ্কজ) সঙ্গে নেই। আওয়ামী লীগের সবাই ঐক্যবদ্ধ। তাদের ওপর হামলা করেছে। এতে সিরাজ মারা যান।
দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া শাম্মী আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল হয়। অপরদিকে, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে