
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শরীয়তপুরের নড়িয়াতে সাবেক স্ত্রীর বিয়ের খবর পেয়ে রাব্বি মাদবর (২৪) নামের এক তরুণ গলায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সোমবার রাতে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পাঁচগাও বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রাব্বি মাদবর ওই এলাকার মামুন মাদবর এর ছেলে।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে একই এলাকার মো. মিয়াচান এর মেয়ে মিম আক্তার (১৮) এর সঙ্গে বিয়ে হয় রাব্বির। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। এ কারণে ৬ মাস আগে মিম বাবার বাড়ি চলে যান এবং স্বামী রাব্বিকে তালাকনামা পাঠিয়ে দেন। সোমবার দুপুরে নিজের বিয়ের খবর সাবেক স্বামী রাব্বিকে জানান মিম। এ খবরে রাতে বাগানের মধ্যে পরিত্যক্ত ঘরে মিমের ওড়না দিয়েই গলায় ফাঁস নেন রাব্বি। সকালে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে রাব্বির মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
রাব্বির মা মমতাজ বেগম জানান, ‘আমার ছেলে ভালোবেসে মিমকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু ওদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। ছয় মাস আগে মিম আমার ছেলেকে ছেড়ে চলে যায়। আমার ছেলে মিমকে খুব ভালোবাসতো। গতকাল মিম কল দিয়ে রাব্বিকে তার বিয়ের খবর দেয়। আমার ছেলে কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মিমের ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
রাব্বির বাবা মামুন মাদবর বলেন, ‘সকালে উঠে আমি রাব্বিকে ওর ঘরে না পেয়ে খুঁজতে থাকি। পরে বাগানের ঘরে গিয়ে দেখি ওর মরদেহ ঝুলছে। আমার ছেলে মিমের কারণে আত্মহত্যা করেছে। আমি ওর বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে মিম আক্তার বলেন, ‘বিয়ের পর রাব্বি আমাকে প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। আমার শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য দাগ রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে আমি তাকে তালাক দেই। তালাকের পর তার সঙ্গে আমার আর যোগাযোগ হয়নি। আমি কিছুই জানিনা।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাগানের ভেতরে একটি ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

শরীয়তপুরের নড়িয়াতে সাবেক স্ত্রীর বিয়ের খবর পেয়ে রাব্বি মাদবর (২৪) নামের এক তরুণ গলায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সোমবার রাতে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পাঁচগাও বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রাব্বি মাদবর ওই এলাকার মামুন মাদবর এর ছেলে।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে একই এলাকার মো. মিয়াচান এর মেয়ে মিম আক্তার (১৮) এর সঙ্গে বিয়ে হয় রাব্বির। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। এ কারণে ৬ মাস আগে মিম বাবার বাড়ি চলে যান এবং স্বামী রাব্বিকে তালাকনামা পাঠিয়ে দেন। সোমবার দুপুরে নিজের বিয়ের খবর সাবেক স্বামী রাব্বিকে জানান মিম। এ খবরে রাতে বাগানের মধ্যে পরিত্যক্ত ঘরে মিমের ওড়না দিয়েই গলায় ফাঁস নেন রাব্বি। সকালে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে রাব্বির মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
রাব্বির মা মমতাজ বেগম জানান, ‘আমার ছেলে ভালোবেসে মিমকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু ওদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। ছয় মাস আগে মিম আমার ছেলেকে ছেড়ে চলে যায়। আমার ছেলে মিমকে খুব ভালোবাসতো। গতকাল মিম কল দিয়ে রাব্বিকে তার বিয়ের খবর দেয়। আমার ছেলে কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মিমের ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
রাব্বির বাবা মামুন মাদবর বলেন, ‘সকালে উঠে আমি রাব্বিকে ওর ঘরে না পেয়ে খুঁজতে থাকি। পরে বাগানের ঘরে গিয়ে দেখি ওর মরদেহ ঝুলছে। আমার ছেলে মিমের কারণে আত্মহত্যা করেছে। আমি ওর বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে মিম আক্তার বলেন, ‘বিয়ের পর রাব্বি আমাকে প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। আমার শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য দাগ রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে আমি তাকে তালাক দেই। তালাকের পর তার সঙ্গে আমার আর যোগাযোগ হয়নি। আমি কিছুই জানিনা।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাগানের ভেতরে একটি ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, চামড়া শিল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। পোশাক শিল্পের পরই এ খাতের অবস্থান। অথচ কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির অসাধু চামড়া ব্যবসায়ী এতিম-গরিব মানুষের হকের ওপর লোভাতুর দৃষ্টি দেয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক
১ দিন আগে
সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
১ দিন আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে