
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীতে এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় তার ভাইকে বেধড়ক পিটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করায় দুর্বৃত্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে।
রোববার দুপুরে পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্কুলছাত্রীর মা।
সংবাদ সম্মেলনে স্কুলছাত্রীর মা বলেন, আমার মেয়ে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে দীর্ঘদিন ধরে রুম্মান নামে স্থানীয় এক বখাটে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সে একাধিকবার প্রেমের প্রস্তাবসহ অশালীন কথাবার্তা বলেছে। বিষয়টি ওই ছেলের পরিবারের কাছে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তারা। উল্টো আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে রুম্মান। গত ১০ মার্চ সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে একটি দোকানের সামনে রুম্মান আমার মেয়েকে দেখে আবারো উত্ত্যক্ত করে। খবর পেয়ে আমার ছেলে এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে রুম্মান ও তার সহযোগীরা আমার ছেলের ওপর হামলা করে। এতে আহত হয় আমার ছেলে। পরে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় গত ১৩ মার্চ পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করি।
তিনি আরো বলেন, মামলার পর আমার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

পটুয়াখালীতে এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় তার ভাইকে বেধড়ক পিটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করায় দুর্বৃত্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে।
রোববার দুপুরে পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্কুলছাত্রীর মা।
সংবাদ সম্মেলনে স্কুলছাত্রীর মা বলেন, আমার মেয়ে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে দীর্ঘদিন ধরে রুম্মান নামে স্থানীয় এক বখাটে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সে একাধিকবার প্রেমের প্রস্তাবসহ অশালীন কথাবার্তা বলেছে। বিষয়টি ওই ছেলের পরিবারের কাছে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তারা। উল্টো আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে রুম্মান। গত ১০ মার্চ সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে একটি দোকানের সামনে রুম্মান আমার মেয়েকে দেখে আবারো উত্ত্যক্ত করে। খবর পেয়ে আমার ছেলে এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে রুম্মান ও তার সহযোগীরা আমার ছেলের ওপর হামলা করে। এতে আহত হয় আমার ছেলে। পরে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় গত ১৩ মার্চ পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করি।
তিনি আরো বলেন, মামলার পর আমার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে