
উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরের মুন্ডপাশা এলাকায় সাকুরা পরিবহনের একটি বাস ও ইট বহনকারী ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ট্রলিচালক সোহরাব হাওলাদার (২৮) ও হেলপার রুবেল হাওলাদার (২০) ঘটনা স্থলে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
ট্রলিচালক সোহরাব বামরাইল ইউনিয়নের বরতা গ্রামের আয়নাল হাওলাদারের ছেলে এবং রুবেল একই গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে। রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৭টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মুন্ডপাশায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা সাকুরা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৫৬৩৩) ঢাকার উদ্দেশে ১০ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়ে উজিরপুরের মুন্ডপাশায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ইট বহনকারী ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রলিটি ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। বাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গেছে। সড়কের পাশে বড় বড় গাছে গিয়ে আটকায় বাস।
সাকুরা পরিবহনের চালক পালিয়ে গেলেও সুপারভাইজার ও হেলপারসহ আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উজিরপুর ফয়ার সার্ভিস, থানার পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় নিহত এবং আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের যানচালচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ঘনকুয়শা ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরের মুন্ডপাশা এলাকায় সাকুরা পরিবহনের একটি বাস ও ইট বহনকারী ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ট্রলিচালক সোহরাব হাওলাদার (২৮) ও হেলপার রুবেল হাওলাদার (২০) ঘটনা স্থলে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
ট্রলিচালক সোহরাব বামরাইল ইউনিয়নের বরতা গ্রামের আয়নাল হাওলাদারের ছেলে এবং রুবেল একই গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে। রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৭টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মুন্ডপাশায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা সাকুরা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৫৬৩৩) ঢাকার উদ্দেশে ১০ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়ে উজিরপুরের মুন্ডপাশায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ইট বহনকারী ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রলিটি ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। বাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গেছে। সড়কের পাশে বড় বড় গাছে গিয়ে আটকায় বাস।
সাকুরা পরিবহনের চালক পালিয়ে গেলেও সুপারভাইজার ও হেলপারসহ আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উজিরপুর ফয়ার সার্ভিস, থানার পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় নিহত এবং আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের যানচালচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ঘনকুয়শা ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে ১৯৮৩ সালে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্তও ৩৩০ থেকে ৩৮৬ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এই অতি ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে নগরের নিম্নাঞ্চলগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে গেজেট অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য বেতন থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতেও তারা আন্দোলনে নেমেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ঘটনার সময় পরিবারটি পাহাড়ঘেঁষা একটি সেমিপাকা ঘরে ছিল। ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের একটি অংশ ধসে দেয়ালের ওপর পড়ে। এতে দেয়ালটিও ধসে যায়। দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই শফিকুলের মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত উত্তরা ব্যাংকের এক কর্মকর্তা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার রাতে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১ দিন আগে