
ভোলা প্রতিনিধি

ভোলায় পানিতে ডুবে চার শিশুসহ পৃথক দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় এসব ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে ও দুপুরে পৃথক ছয়টি দুর্ঘটনায় এসব মৃত্যু হয়।
সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) ৭টি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
পানিতে ডুবে মারা যাওয়া চার শিশু হলো- হুজাইফা আক্তার (৩), সাইফুল আহমেদ (২), জুবায়ের আহমেদ (৪) এবং আরিয়ান ইসলাম (৫)।
হুজাইফা আক্তার সদর উপজেলা ৩ নম্বর পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামের শেখ ফরিদ উদ্দিনের মেয়ে, সাইফুল আহমেদ ধনিয়া ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মো. নুরনবী মিয়ার ছেলে, জুবায়ের আহমেদ চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইউসুফ হোসেনের ছেলে এবং আরিয়ান ইসলাম একই ওয়ার্ডের মো. সুমন মিয়ার ছেলে।
মৃত চার শিশুর পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে, পরিবারের সবার অগোচরে খেলতে গিয়ে বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়াও গলায় ফাঁস লাগিয়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। তার বাড়ি চরসামাইয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডে। সকালে পুলিশ তার নিজ বাড়ি থেকে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। সাইফুল বিবাহিত।
এদিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সোহাগ (২৬) নামের এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একই উপজেলার দালালপুর নামক এলাকায় কীটনাশক পানে আব্দুল রহিম নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

ভোলায় পানিতে ডুবে চার শিশুসহ পৃথক দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় এসব ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে ও দুপুরে পৃথক ছয়টি দুর্ঘটনায় এসব মৃত্যু হয়।
সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) ৭টি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
পানিতে ডুবে মারা যাওয়া চার শিশু হলো- হুজাইফা আক্তার (৩), সাইফুল আহমেদ (২), জুবায়ের আহমেদ (৪) এবং আরিয়ান ইসলাম (৫)।
হুজাইফা আক্তার সদর উপজেলা ৩ নম্বর পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামের শেখ ফরিদ উদ্দিনের মেয়ে, সাইফুল আহমেদ ধনিয়া ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মো. নুরনবী মিয়ার ছেলে, জুবায়ের আহমেদ চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইউসুফ হোসেনের ছেলে এবং আরিয়ান ইসলাম একই ওয়ার্ডের মো. সুমন মিয়ার ছেলে।
মৃত চার শিশুর পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে, পরিবারের সবার অগোচরে খেলতে গিয়ে বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়াও গলায় ফাঁস লাগিয়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। তার বাড়ি চরসামাইয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডে। সকালে পুলিশ তার নিজ বাড়ি থেকে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। সাইফুল বিবাহিত।
এদিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সোহাগ (২৬) নামের এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একই উপজেলার দালালপুর নামক এলাকায় কীটনাশক পানে আব্দুল রহিম নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
১ দিন আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
২ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
২ দিন আগে