
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় ১৩ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. একেএম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হেলাল বারহাট্টা উপজেলার স্বল্প দশাল গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী ছিলেন সরল প্রকৃতির। প্রায় আট বছর আগে তার স্বামী দুই মেয়েকে রেখে চলে যান। এরপর অন্যের বাড়িতে কাজ করে সন্তানদের নিয়ে জীবনযাপন করছিলেন তিনি।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ১ মার্চ ও ৬ জুন রাতে বারহাট্টা উপজেলার নিজ বাড়িতে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন হেলাল। এ ঘটনায় একই বছরের ১৩ জুলাই বারহাট্টা থানায় মামলা করা হয়। পরে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার রাতে দুই মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ঘরের বাঁশের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন আসামি। পরে তাকে ধর্ষণ করে বিষয়টি প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর ছোট মেয়ে ও পাশের ঘরের এক স্বজন আসামিকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে দেখেছেন বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ ও বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও হেলাল ধর্ষণের অভিযোগ এবং সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করেন।
পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে জন্ম নেওয়া শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে হেলালের পরিচয় নিশ্চিত হয়।
মামলা চলাকালীন অভিযোগ দায়েরের প্রায় এক বছর পর ভুক্তভোগী নারী মারা যান। এরপর ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুটি, বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী, আত্মীয়দের সহায়তায় দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে পিতৃপরিচয় ও ন্যায়বিচারের জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যায়।
নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. নূরুল কবীর রুবেল বলেন, ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির পিতৃত্ব প্রমাণিত হওয়ায় সে হেলালের আইনগত সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী সে পিতার সম্পত্তিসহ অন্যান্য অধিকারও পাবে।
তিনি আরও বলেন, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ সাজা দিয়েছেন।
পিপি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে একদিকে ধর্ষণের বিচার নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে একটি শিশু তার পিতৃপরিচয়, সামাজিক স্বীকৃতি ও আইনগত অধিকার ফিরে পেয়েছে। এ রায় ভবিষ্যতের এমন মামলায় গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আলোচিত ধর্ষণ মামলায় ১৩ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. একেএম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হেলাল বারহাট্টা উপজেলার স্বল্প দশাল গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী ছিলেন সরল প্রকৃতির। প্রায় আট বছর আগে তার স্বামী দুই মেয়েকে রেখে চলে যান। এরপর অন্যের বাড়িতে কাজ করে সন্তানদের নিয়ে জীবনযাপন করছিলেন তিনি।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ১ মার্চ ও ৬ জুন রাতে বারহাট্টা উপজেলার নিজ বাড়িতে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন হেলাল। এ ঘটনায় একই বছরের ১৩ জুলাই বারহাট্টা থানায় মামলা করা হয়। পরে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার রাতে দুই মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ঘরের বাঁশের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন আসামি। পরে তাকে ধর্ষণ করে বিষয়টি প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর ছোট মেয়ে ও পাশের ঘরের এক স্বজন আসামিকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে দেখেছেন বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ ও বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও হেলাল ধর্ষণের অভিযোগ এবং সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করেন।
পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে জন্ম নেওয়া শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে হেলালের পরিচয় নিশ্চিত হয়।
মামলা চলাকালীন অভিযোগ দায়েরের প্রায় এক বছর পর ভুক্তভোগী নারী মারা যান। এরপর ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুটি, বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী, আত্মীয়দের সহায়তায় দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে পিতৃপরিচয় ও ন্যায়বিচারের জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যায়।
নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. নূরুল কবীর রুবেল বলেন, ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির পিতৃত্ব প্রমাণিত হওয়ায় সে হেলালের আইনগত সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী সে পিতার সম্পত্তিসহ অন্যান্য অধিকারও পাবে।
তিনি আরও বলেন, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ সাজা দিয়েছেন।
পিপি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে একদিকে ধর্ষণের বিচার নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে একটি শিশু তার পিতৃপরিচয়, সামাজিক স্বীকৃতি ও আইনগত অধিকার ফিরে পেয়েছে। এ রায় ভবিষ্যতের এমন মামলায় গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে গেজেট অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য বেতন থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতেও তারা আন্দোলনে নেমেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ঘটনার সময় পরিবারটি পাহাড়ঘেঁষা একটি সেমিপাকা ঘরে ছিল। ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের একটি অংশ ধসে দেয়ালের ওপর পড়ে। এতে দেয়ালটিও ধসে যায়। দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই শফিকুলের মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত উত্তরা ব্যাংকের এক কর্মকর্তা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার রাতে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১ দিন আগে
টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রবল বর্ষণের সঙ্গে জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় নগরের বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
১ দিন আগে