
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারের দেওয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়া দুই হাজতির একজনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পালিয়ে যায় দুই হাজতি। পরে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, কারাগারের ভেতরের একটি পাশের অংশে দায়িত্বে থাকা প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুই আসামি একসঙ্গে দেওয়াল টপকে পালিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে কারা প্রশাসন এবং পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, পালিয়ে যাওয়া দুই আসামির মধ্যে রাজিব হোসেন নামের একজনকে শহরের টিএনটি গেইট এলাকা থেকে পুনরায় আটক করা হয়েছে। তবে অপর আসামি শফিকুল ইসলাম এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পলাতক শফিকুল ইসলাম জেলা সদরের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। দুজনেই সদর থানার মামলার আসামি। শফিকুল ইসলাম চুরির মামলা এবং রাজিব হোসেন দাঙ্গাহাঙ্গামা মামলার আসামি।
এদিকে খাগড়াছড়ি কারাগার থেকে হাজতি পালনোর ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মারুফকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক।

খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারের দেওয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়া দুই হাজতির একজনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পালিয়ে যায় দুই হাজতি। পরে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, কারাগারের ভেতরের একটি পাশের অংশে দায়িত্বে থাকা প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুই আসামি একসঙ্গে দেওয়াল টপকে পালিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরে কারা প্রশাসন এবং পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, পালিয়ে যাওয়া দুই আসামির মধ্যে রাজিব হোসেন নামের একজনকে শহরের টিএনটি গেইট এলাকা থেকে পুনরায় আটক করা হয়েছে। তবে অপর আসামি শফিকুল ইসলাম এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পলাতক শফিকুল ইসলাম জেলা সদরের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। দুজনেই সদর থানার মামলার আসামি। শফিকুল ইসলাম চুরির মামলা এবং রাজিব হোসেন দাঙ্গাহাঙ্গামা মামলার আসামি।
এদিকে খাগড়াছড়ি কারাগার থেকে হাজতি পালনোর ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মারুফকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হারিছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ রাজধানীর উত্তরায় ফলের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার সুবাদে হারিছ উদ্দিনের স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং শহীদুল ইসলামের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে উত্তরার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ) সকালে তাদের ভাড়া বা
৫ ঘণ্টা আগে
তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে