
চট্টগ্রাম ব্যুরো

আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ‘মাথাল’ মার্কার প্রার্থী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিও আজ তার নির্বাচনি আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর)-এ প্রচার চালিয়েছেন।
জোনায়েদ সাকি আজ তার নিজ গ্রাম চরলহনিয়ার বাড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহিদদের জন্য আয়োজিত দোয়ায় অংশ নেন। সেখানে একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এরপর চরলহনিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত করেন জোনায়েদ সাকি। এর মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন।
এদিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জোনায়েদ সাকি তার নির্বাচনি আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) থেকে জয়ী হলে সেখানার মানুষদের জন্য ছয়টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বাঞ্ছারামপুরের ক্ষেত্রে আগামী দিনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের ছবিটি আমাদের অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে। আমরা শিক্ষাকে এমন জায়গায় নিতে চাই যাতে করে বাঞ্ছারামপুরের আমাদের শিক্ষার্থীরা সারা দেশে নিজেদের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। এখানে স্বাস্থ্যসেবায় উপজেলা কেন্দ্রিক যতটুকু সুবিধা আছে, তার সবটা যাতে কার্যকরভাবে আমাদের উপজেলাবাসী পান সেই স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন এখানে করতে হবে।’
‘আমাদের এখানে শিশুরা যাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে সমস্ত কিছু নিয়ে, দক্ষতা নিয়ে, যোগ্যতা নিয়ে যার যার অবস্থা অনুযায়ী সকলেই বিকশিত হতে পারে। সেটা শারীরিকভাবে সক্ষম অথবা ভিন্নরকম হোক— সকলের শিশুদের বিকাশের জায়গাতে। আজকে শিশুদের মধ্যে খাদ্যের বিষক্রিয়া আমরা যেভাবে দেখছি সেগুলো আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমাদের এই শিশুরা যাতে লেখাপড়া করতে পারে, তারা যথার্থভাবে মানসম্পন্ন শিক্ষা পায়— সেই মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং সকলের জন্য শিক্ষার নিশ্চয়তা আমাদের করতে হবে। তাদের খেলাধুলা, তাদের সমস্ত আয়োজন এমনভাবে করতে হবে যাতে তাদের একটা যথাযথভাবে বিকশিত হওয়ার জায়গা তৈরি হয়। মাদকের ছোবল থেকে তাদেরকে মুক্ত রাখতে হবে এবং তাদের শিক্ষা শেষে যাতে তারা কর্মসংস্থান পায়, অর্থাৎ যে যে অবস্থায় আছে তারা কর্মসংস্থানের উপযোগী জায়গা তৈরি করবে। এটা আমাদের দ্বিতীয় অগ্রাধিকার,’— বলেন জোনায়েদ সাকি।
তিনি আরও লেখেন, ‘বাঞ্ছারামপুরবাসীর দীর্ঘদিনের একটা দাবি হচ্ছে মেঘনা সেতু তৈরি করা এবং বাঞ্ছারামপুরের সাথে আড়াইহাজারসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা। ইনশাআল্লাহ, আমরা তা করব। সেই বিষয়ে আমরা আমাদের সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করব যাতে এটা বাস্তবে রূপ নেয়। বাঞ্ছারামপুরের অভ্যন্তরীণ যে যাতায়াত ব্যবস্থা, যেটা খুবই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছে— এগুলো আমাদের ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করব যে বাঞ্ছারামপুরের মধ্যে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং এই ব্রিজগুলো যাতে উন্নত হয়, তাহলে এখানে বিনিয়োগের একটা পরিবেশ তৈরি হবে। যে কর্মসংস্থানের কথা বললাম, বাঞ্ছারামপুরেই কিন্তু বিনিয়োগের জায়গা তৈরি হবে।’
ফেসবুকে পোস্টে জোনায়েদ সাকি লেখেন, ‘বাঞ্ছারামপুর হচ্ছে নদীবিধৌত একটা এলাকা। আমাদের নদী-নালা, খাল-বিল, আমাদের মাটি, পানি, বাতাস সমস্ত কিছু রক্ষা করতে হবে। এগুলো যাতে দূষিত না হয়, এগুলো ধ্বংস করার যে তৎপরতা সেগুলো আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমরা চাইব যে আমাদের সবকিছুকে এখানকার উন্নয়ন পরিকল্পনার উপযোগী, প্রকৃতি রক্ষার এবং প্রকৃতির উপযোগী করে গড়ে তুলতে।’
‘পঞ্চমত, আমরা এইখানে পরিষ্কার করে বলতে চাই, খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা দরকার। আমাদের কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান এবং ফসলের ন্যায্য দাম পেতে গেলে এখানে ধান-চালসহ ফসলের ইউনিয়নভিত্তিক ক্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা, সেগুলো আমাদের দেখতে হবে। আমাদের শ্রমিকরা যাতে ঠিকঠাক মতো তাদের বাঁচার মতো, সম্মানজনকভাবে বাঁচার মতো মজুরি পান। আমাদের শ্রমজীবী মানুষেরা যাতে এখানে কাজের ক্ষেত্র খুঁজে পান এবং বাঁচার মতো জায়গায় থাকতে পারেন,’— লেখেন জোনায়েদ সাকি।
তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসীদের একভাবে মূল একটা চালিকা শক্তি বলা চলে। বাঞ্ছারামপুর রেমিটেন্সের দিক থেকে অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের দিক থেকে দেশের সব থানার মধ্যে প্রথম দিকে আছে, এক নম্বর জায়গায় আছে। এই প্রবাসীদের যাতে সারা দেশের প্রবাসীদের মতোই প্রবাসে অধিকার নিশ্চিত হয় এবং বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগসহ তাদের জীবনযাপন যেন আরও সহজ এবং উন্নত হয়, সেদিকে আমাদের খুবই গুরুত্বের সাথে নজর দিতে হবে। প্রবাসীদের সমস্যাগুলোকে আমরা ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছি এবং আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি তুলব যাতে সরকার সেগুলো সমাধান করে।’
ষষ্ঠ প্রতিশ্রুতি হিসেবে জোনায়েদ সাকি লেখেন, ‘বাঞ্ছারামপুরে নারীর নিরাপত্তাসহ নারীদের যাতে কোনো হয়রানির শিকার হতে না হয়, এখানে কোনো ধর্ষণের ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য আমাদের সামাজিক একটা প্রতিরোধ তৈরি করা হবে। ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে সকল মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং এখানে যাতে সন্ত্রাস, খুনাখুনির মতো অপরাধগুলো বন্ধ হয়। সবার সাথে যে আবেগ-ভালোবাসার মধ্যে বাঞ্ছারামপুরবাসীর প্রকাশ আছে, সেই ভালোবাসার মধ্য দিয়ে আমরা যাতে এখানে থাকতে পারি, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। অর্থাৎ একটা নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর। তাই আমাদের মূল স্লোগান হচ্ছে উন্নত এবং নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর। সেই বাঞ্ছারামপুর গড়ে তুলতে আমরা চাই। সেটা যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি, বাঞ্ছারামপুরবাসীর এই শক্তি নিয়ে আমরা সারা দেশে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সার্বভৌম বাংলাদেশ তৈরি করব, ইনশাআল্লাহ।’

আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ‘মাথাল’ মার্কার প্রার্থী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিও আজ তার নির্বাচনি আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর)-এ প্রচার চালিয়েছেন।
জোনায়েদ সাকি আজ তার নিজ গ্রাম চরলহনিয়ার বাড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহিদদের জন্য আয়োজিত দোয়ায় অংশ নেন। সেখানে একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এরপর চরলহনিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত করেন জোনায়েদ সাকি। এর মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন।
এদিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জোনায়েদ সাকি তার নির্বাচনি আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) থেকে জয়ী হলে সেখানার মানুষদের জন্য ছয়টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বাঞ্ছারামপুরের ক্ষেত্রে আগামী দিনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের ছবিটি আমাদের অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে। আমরা শিক্ষাকে এমন জায়গায় নিতে চাই যাতে করে বাঞ্ছারামপুরের আমাদের শিক্ষার্থীরা সারা দেশে নিজেদের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। এখানে স্বাস্থ্যসেবায় উপজেলা কেন্দ্রিক যতটুকু সুবিধা আছে, তার সবটা যাতে কার্যকরভাবে আমাদের উপজেলাবাসী পান সেই স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন এখানে করতে হবে।’
‘আমাদের এখানে শিশুরা যাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে সমস্ত কিছু নিয়ে, দক্ষতা নিয়ে, যোগ্যতা নিয়ে যার যার অবস্থা অনুযায়ী সকলেই বিকশিত হতে পারে। সেটা শারীরিকভাবে সক্ষম অথবা ভিন্নরকম হোক— সকলের শিশুদের বিকাশের জায়গাতে। আজকে শিশুদের মধ্যে খাদ্যের বিষক্রিয়া আমরা যেভাবে দেখছি সেগুলো আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমাদের এই শিশুরা যাতে লেখাপড়া করতে পারে, তারা যথার্থভাবে মানসম্পন্ন শিক্ষা পায়— সেই মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং সকলের জন্য শিক্ষার নিশ্চয়তা আমাদের করতে হবে। তাদের খেলাধুলা, তাদের সমস্ত আয়োজন এমনভাবে করতে হবে যাতে তাদের একটা যথাযথভাবে বিকশিত হওয়ার জায়গা তৈরি হয়। মাদকের ছোবল থেকে তাদেরকে মুক্ত রাখতে হবে এবং তাদের শিক্ষা শেষে যাতে তারা কর্মসংস্থান পায়, অর্থাৎ যে যে অবস্থায় আছে তারা কর্মসংস্থানের উপযোগী জায়গা তৈরি করবে। এটা আমাদের দ্বিতীয় অগ্রাধিকার,’— বলেন জোনায়েদ সাকি।
তিনি আরও লেখেন, ‘বাঞ্ছারামপুরবাসীর দীর্ঘদিনের একটা দাবি হচ্ছে মেঘনা সেতু তৈরি করা এবং বাঞ্ছারামপুরের সাথে আড়াইহাজারসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করা। ইনশাআল্লাহ, আমরা তা করব। সেই বিষয়ে আমরা আমাদের সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করব যাতে এটা বাস্তবে রূপ নেয়। বাঞ্ছারামপুরের অভ্যন্তরীণ যে যাতায়াত ব্যবস্থা, যেটা খুবই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছে— এগুলো আমাদের ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করব যে বাঞ্ছারামপুরের মধ্যে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং এই ব্রিজগুলো যাতে উন্নত হয়, তাহলে এখানে বিনিয়োগের একটা পরিবেশ তৈরি হবে। যে কর্মসংস্থানের কথা বললাম, বাঞ্ছারামপুরেই কিন্তু বিনিয়োগের জায়গা তৈরি হবে।’
ফেসবুকে পোস্টে জোনায়েদ সাকি লেখেন, ‘বাঞ্ছারামপুর হচ্ছে নদীবিধৌত একটা এলাকা। আমাদের নদী-নালা, খাল-বিল, আমাদের মাটি, পানি, বাতাস সমস্ত কিছু রক্ষা করতে হবে। এগুলো যাতে দূষিত না হয়, এগুলো ধ্বংস করার যে তৎপরতা সেগুলো আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমরা চাইব যে আমাদের সবকিছুকে এখানকার উন্নয়ন পরিকল্পনার উপযোগী, প্রকৃতি রক্ষার এবং প্রকৃতির উপযোগী করে গড়ে তুলতে।’
‘পঞ্চমত, আমরা এইখানে পরিষ্কার করে বলতে চাই, খেটে খাওয়া মানুষের ন্যায্য হিস্যা দরকার। আমাদের কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান এবং ফসলের ন্যায্য দাম পেতে গেলে এখানে ধান-চালসহ ফসলের ইউনিয়নভিত্তিক ক্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা, সেগুলো আমাদের দেখতে হবে। আমাদের শ্রমিকরা যাতে ঠিকঠাক মতো তাদের বাঁচার মতো, সম্মানজনকভাবে বাঁচার মতো মজুরি পান। আমাদের শ্রমজীবী মানুষেরা যাতে এখানে কাজের ক্ষেত্র খুঁজে পান এবং বাঁচার মতো জায়গায় থাকতে পারেন,’— লেখেন জোনায়েদ সাকি।
তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের বাঞ্ছারামপুরে প্রবাসীদের একভাবে মূল একটা চালিকা শক্তি বলা চলে। বাঞ্ছারামপুর রেমিটেন্সের দিক থেকে অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের দিক থেকে দেশের সব থানার মধ্যে প্রথম দিকে আছে, এক নম্বর জায়গায় আছে। এই প্রবাসীদের যাতে সারা দেশের প্রবাসীদের মতোই প্রবাসে অধিকার নিশ্চিত হয় এবং বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগসহ তাদের জীবনযাপন যেন আরও সহজ এবং উন্নত হয়, সেদিকে আমাদের খুবই গুরুত্বের সাথে নজর দিতে হবে। প্রবাসীদের সমস্যাগুলোকে আমরা ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছি এবং আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি তুলব যাতে সরকার সেগুলো সমাধান করে।’
ষষ্ঠ প্রতিশ্রুতি হিসেবে জোনায়েদ সাকি লেখেন, ‘বাঞ্ছারামপুরে নারীর নিরাপত্তাসহ নারীদের যাতে কোনো হয়রানির শিকার হতে না হয়, এখানে কোনো ধর্ষণের ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য আমাদের সামাজিক একটা প্রতিরোধ তৈরি করা হবে। ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে সকল মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং এখানে যাতে সন্ত্রাস, খুনাখুনির মতো অপরাধগুলো বন্ধ হয়। সবার সাথে যে আবেগ-ভালোবাসার মধ্যে বাঞ্ছারামপুরবাসীর প্রকাশ আছে, সেই ভালোবাসার মধ্য দিয়ে আমরা যাতে এখানে থাকতে পারি, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। অর্থাৎ একটা নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর। তাই আমাদের মূল স্লোগান হচ্ছে উন্নত এবং নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর। সেই বাঞ্ছারামপুর গড়ে তুলতে আমরা চাই। সেটা যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি, বাঞ্ছারামপুরবাসীর এই শক্তি নিয়ে আমরা সারা দেশে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সার্বভৌম বাংলাদেশ তৈরি করব, ইনশাআল্লাহ।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টহলরত পাঁচ-ছয়জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে স্থানীয় চোরাকারবারিদের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে এক বিজিবি সদস্য মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশের মানুষ ইসলামি আইন চায়, শরিয়াভিত্তিক দেশ গড়তে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
১ দিন আগে
তিনি আরও বলেন, “আমার ভাই নাহিদ ইসলাম বলেছে, তাতে আবার ভাগ বসিয়ে দেওয়া হবে; ‘খাজনা আগে, তারপর অন্যটা’, ‘২০০০ এর মধ্যে ১০০০ আমার খাজনা; আমাকে আগে দাও, তারপরে তোমারটা তুমি বুঝে নাও’।”
১ দিন আগে
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন ঘোষণা’ অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে