
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের টাওয়াইল গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের নির্মাণকাজ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
কার্পেটিংয়ের জন্য মাটি খুঁড়লেও তাতে বালু ভরাট না করায় বৃষ্টির পানি জমে সড়কটি এখন নালায় পরিণত হয়েছে। এতে টাওয়াইল, খারুয়া, শিবপুর, পলাশিয়াসহ কয়েকটি গ্রামের হাজারো বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং কৃষকদের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
ঠিকাদার বর্ষার অজুহাত দেখালেও স্থানীয়রা বলছেন, কাজের শুরুতে পরিকল্পনার অভাবই এই দুর্ভোগের মূল কারণ।
টাওয়াইল গ্রামের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন কৃষক জানিয়েছেন, এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টাওয়াইল, খারুয়া, শিবপুর, পলাশিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা উপজেলা সদর ও বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এটি ব্যবহার করেন।
এছাড়া, শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাওয়া-আসার জন্য এবং কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্যও এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন।
বর্তমানে সড়কটি মাটি খোঁড়া অবস্থায় থাকায় পুরোটাতেই পানি জমে কাদা হয়ে গেছে। সড়কের দুই পাশ দিয়ে পথচারীরা হেঁটে চলাচল করতে পারলেও, কোনো ধরনের যানবাহন চলতে পারছে না। এর ফলে, স্থানীয়দের অনেকটা পথ ঘুরে অন্য একটি সড়ক ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।
নান্দাইল উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সড়কটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে কার্পেটিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আবেদীন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। কাজ শুরুর পর পুরোনো সড়কের মাঝখানে দুই ফুট গভীর গর্ত করে মাটি তোলা হয়।
কার্যাদেশ অনুযায়ী, সড়কের খোঁড়া অংশ নির্দিষ্ট মাপের বালু দিয়ে ভরাট করার কথা ছিল। কিন্তু কাজ বন্ধ থাকায় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থকথকে কাদা হয়ে আছে, যা গ্রামের লোকজনের হেঁটে চলাও কঠিন করে তুলেছে।
খারুয়া গ্রামের কৃষক মো. দুলাল মিয়া (৫০) মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বালু ভরাটের কাজটা শেষ হলে অন্তত পায়ে হেঁটে চলা যেত। এখন তো দুর্ভোগ ছাড়া আর কিছুই নেই। সড়কের কিনারে ফেলে রাখা উঁচু মাটির ওপর দিয়ে হেঁটে চলতে হচ্ছে।"
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদার মো. রায়হান জানান, বৃষ্টিপাত কমে গেলে সড়কে বালু ভরাটের কাজ শুরু করা হবে।
নান্দাইল উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আবদুল মালেক বিশ্বাস জানান, ঠিকাদার যে মানের বালু ব্যবহার করেছিলেন, তা মানসম্মত ছিল না। এ ধরনের বালু ফেলতে ঠিকাদারকে নিষেধ করা হয়েছিল। এ কারণেই সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের টাওয়াইল গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের নির্মাণকাজ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
কার্পেটিংয়ের জন্য মাটি খুঁড়লেও তাতে বালু ভরাট না করায় বৃষ্টির পানি জমে সড়কটি এখন নালায় পরিণত হয়েছে। এতে টাওয়াইল, খারুয়া, শিবপুর, পলাশিয়াসহ কয়েকটি গ্রামের হাজারো বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং কৃষকদের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
ঠিকাদার বর্ষার অজুহাত দেখালেও স্থানীয়রা বলছেন, কাজের শুরুতে পরিকল্পনার অভাবই এই দুর্ভোগের মূল কারণ।
টাওয়াইল গ্রামের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন কৃষক জানিয়েছেন, এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টাওয়াইল, খারুয়া, শিবপুর, পলাশিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা উপজেলা সদর ও বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এটি ব্যবহার করেন।
এছাড়া, শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাওয়া-আসার জন্য এবং কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্যও এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন।
বর্তমানে সড়কটি মাটি খোঁড়া অবস্থায় থাকায় পুরোটাতেই পানি জমে কাদা হয়ে গেছে। সড়কের দুই পাশ দিয়ে পথচারীরা হেঁটে চলাচল করতে পারলেও, কোনো ধরনের যানবাহন চলতে পারছে না। এর ফলে, স্থানীয়দের অনেকটা পথ ঘুরে অন্য একটি সড়ক ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।
নান্দাইল উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সড়কটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে কার্পেটিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আবেদীন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। কাজ শুরুর পর পুরোনো সড়কের মাঝখানে দুই ফুট গভীর গর্ত করে মাটি তোলা হয়।
কার্যাদেশ অনুযায়ী, সড়কের খোঁড়া অংশ নির্দিষ্ট মাপের বালু দিয়ে ভরাট করার কথা ছিল। কিন্তু কাজ বন্ধ থাকায় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থকথকে কাদা হয়ে আছে, যা গ্রামের লোকজনের হেঁটে চলাও কঠিন করে তুলেছে।
খারুয়া গ্রামের কৃষক মো. দুলাল মিয়া (৫০) মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বালু ভরাটের কাজটা শেষ হলে অন্তত পায়ে হেঁটে চলা যেত। এখন তো দুর্ভোগ ছাড়া আর কিছুই নেই। সড়কের কিনারে ফেলে রাখা উঁচু মাটির ওপর দিয়ে হেঁটে চলতে হচ্ছে।"
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদার মো. রায়হান জানান, বৃষ্টিপাত কমে গেলে সড়কে বালু ভরাটের কাজ শুরু করা হবে।
নান্দাইল উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আবদুল মালেক বিশ্বাস জানান, ঠিকাদার যে মানের বালু ব্যবহার করেছিলেন, তা মানসম্মত ছিল না। এ ধরনের বালু ফেলতে ঠিকাদারকে নিষেধ করা হয়েছিল। এ কারণেই সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শাকিল আহমেদ (২২) নামের ওই শিক্ষার্থীকে পঞ্চগড়ের হাকিম আদালতে (দেবীগঞ্জ) হাজির করা হলে বিচারক মো. মোস্তাকিম ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বনানীতে সড়ক বিভাজকে উঠে যাওয়া একটি বাসের চাপায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
১ দিন আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১ দিন আগে