
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধের জের ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার এশিয়ার পুঁজিবাজারগুলোর সূচক নিচের দিকে নামতে শুরু করেছে। জাপান থেকে শুরু করে হংকং— সবগুলো দেশের পুঁজিবাজারই সূচক হারাচ্ছে।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৯ মার্চ) সকালে লেনদেন শুরু হতেই জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও হংকংয়ের পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে শিল্প খাতে শক্তিশালী জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার তেলের ওপর নির্ভরতা বেশি বলে এসব দেশে তেলের বাজারের অস্থিরতার প্রভাব বেশি।
এর আগে এ দিন এশিয়া ও ইউরোপের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালের মার্চের পর থেকে গত চার বছরে তেলের দাম আর এত বাড়েনি।
সোমবার সকালের লেনদেনের তথ্য বলছে, টোকিওর নিক্কেই সূচক ৭ শতাংশ পয়েন্ট কমে গেছে। নিক্কেই বড় বাজার হওয়ায় এর ৭ শতাংশ পয়েন্ট হারানোর প্রভাবও অনেক ব্যাপক।
এ দিন প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচকের পতন ঘটেছে ৮ শতাংশ। এ বাজার স্থিতিশীল করতে তেলের দামের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে ভাবছে কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ বছরে কখনো এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এদিকে হংকংয়ে হ্যাং সেং সূচকের পতন ঘটেছে প্রায় ৩ শতাংশ। বাজারের নিয়মিত সময়ের বাইরে যেসব মার্কিন স্টক ফিউচারস লেনদেন হয়, সেগুলোও দর হারিয়েছে।
এ ছাড়া ফিউচারস লেনদেন সম্পর্কিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ কমেছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে প্রযুক্তিনির্ভর ন্যাসডাক কম্পোজিটের সূচক কমেছে ১ দশমিক ৯০ শতাংশ।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির এ প্রবণতা স্বল্পমেয়াদি। খুব শিগগিরই তেলের দাম কমে আসবে। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও এর জের ধরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই যুদ্ধ থামলেও তেলের বাজার স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগবে।

ইরান যুদ্ধের জের ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার এশিয়ার পুঁজিবাজারগুলোর সূচক নিচের দিকে নামতে শুরু করেছে। জাপান থেকে শুরু করে হংকং— সবগুলো দেশের পুঁজিবাজারই সূচক হারাচ্ছে।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৯ মার্চ) সকালে লেনদেন শুরু হতেই জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও হংকংয়ের পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে শিল্প খাতে শক্তিশালী জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার তেলের ওপর নির্ভরতা বেশি বলে এসব দেশে তেলের বাজারের অস্থিরতার প্রভাব বেশি।
এর আগে এ দিন এশিয়া ও ইউরোপের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালের মার্চের পর থেকে গত চার বছরে তেলের দাম আর এত বাড়েনি।
সোমবার সকালের লেনদেনের তথ্য বলছে, টোকিওর নিক্কেই সূচক ৭ শতাংশ পয়েন্ট কমে গেছে। নিক্কেই বড় বাজার হওয়ায় এর ৭ শতাংশ পয়েন্ট হারানোর প্রভাবও অনেক ব্যাপক।
এ দিন প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচকের পতন ঘটেছে ৮ শতাংশ। এ বাজার স্থিতিশীল করতে তেলের দামের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে ভাবছে কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ বছরে কখনো এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এদিকে হংকংয়ে হ্যাং সেং সূচকের পতন ঘটেছে প্রায় ৩ শতাংশ। বাজারের নিয়মিত সময়ের বাইরে যেসব মার্কিন স্টক ফিউচারস লেনদেন হয়, সেগুলোও দর হারিয়েছে।
এ ছাড়া ফিউচারস লেনদেন সম্পর্কিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ কমেছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে প্রযুক্তিনির্ভর ন্যাসডাক কম্পোজিটের সূচক কমেছে ১ দশমিক ৯০ শতাংশ।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির এ প্রবণতা স্বল্পমেয়াদি। খুব শিগগিরই তেলের দাম কমে আসবে। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও এর জের ধরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই যুদ্ধ থামলেও তেলের বাজার স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগবে।

এপ্রিল মাসে দুই দফা বাড়ানোর পর ভোক্তাপর্যায়ে মে মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, এই মাসেও ১২ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৯৪০ টাকাই বহাল রাখা হয়েছে।
৩ দিন আগে
বাজুসের নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা।
৬ দিন আগে
এর আগে ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন ও ১৭ এপ্রিল ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এসেছিল আরও দুটি জাহাজ। দৈনিক ১২০০ টন চাহিদা হিসেবে এই এক মাসে আসা ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে চলা যাবে দুই মাসেরও বেশি সময়।
৬ দিন আগে
এদিকে সোনার দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
৬ দিন আগে