
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসুদ খান। অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগ করার শর্তে তাকে এ পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী মাসুদ খানকে আগামী চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনের তিন নতুন কমিশনারের নামও ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আইনজীবী নাহিদ মাহতাব, আশা ইন্টারন্যাশনালের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর তানভীর হাবিব রহমান এবং ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিজ-আল-তারিক। তাদের প্রত্যেককেই চার বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আজ সকালে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদ থেকে খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং কমিশনের চার সদস্য পদত্যাগ করেন। তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে নিজেদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি পদত্যাগ করা কমিশনাররা হলেন মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ এবং মো. সাইফউদ্দিন।
পদত্যাগের কারণ জানিয়ে কমিশনার মো. সাইফউদ্দিন বলেন, “আমরা সবাই ব্যক্তিগত কারণেই পদত্যাগ করেছি।”পরে এক লিখিত বার্তায় বিদায়ী চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদও নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন। ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে গত ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর এখন ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দিতে আমি এই সরকারি পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
নিজেদের মেয়াদকালে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। রাশেদ মাকসুদ বলেন, “আমরা এক চরম অস্থির সময়ে এই নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়েছিলাম এবং দায়িত্ব নিয়েই আইনি কাঠামো ও বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাপক সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছিলাম। এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা পাঁচটি বিধিমালার (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ডেট সিকিউরিটিজ এবং হুইসেলব্লোয়ার) প্রজ্ঞাপন জারি করেছি।”
নতুন নীতিমালার খসড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সম্প্রতি করপোরেট সুশাসন, অডিট এবং করপোরেট পুনর্গঠন—এই তিনটি বিধিমালা বা নির্দেশিকার খসড়া জনমতের জন্য প্রকাশ করেছি।”
ভবিষ্যৎ আইনি কাঠামো প্রস্তুতের তথ্য দিয়ে রাশেদ মাকসুদ বলেন, “বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন’ এবং ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন’-এর খসড়াও আমরা প্রস্তুত করেছি, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মাধ্যমে প্রণয়নের জন্য পাঠানো হয়েছে।”
রাজনীুতি/আরআইআর

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসুদ খান। অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগ করার শর্তে তাকে এ পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী মাসুদ খানকে আগামী চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনের তিন নতুন কমিশনারের নামও ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আইনজীবী নাহিদ মাহতাব, আশা ইন্টারন্যাশনালের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর তানভীর হাবিব রহমান এবং ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিজ-আল-তারিক। তাদের প্রত্যেককেই চার বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আজ সকালে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদ থেকে খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং কমিশনের চার সদস্য পদত্যাগ করেন। তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে নিজেদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি পদত্যাগ করা কমিশনাররা হলেন মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ এবং মো. সাইফউদ্দিন।
পদত্যাগের কারণ জানিয়ে কমিশনার মো. সাইফউদ্দিন বলেন, “আমরা সবাই ব্যক্তিগত কারণেই পদত্যাগ করেছি।”পরে এক লিখিত বার্তায় বিদায়ী চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদও নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন। ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে গত ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর এখন ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দিতে আমি এই সরকারি পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
নিজেদের মেয়াদকালে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। রাশেদ মাকসুদ বলেন, “আমরা এক চরম অস্থির সময়ে এই নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়েছিলাম এবং দায়িত্ব নিয়েই আইনি কাঠামো ও বাজারের শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাপক সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছিলাম। এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা পাঁচটি বিধিমালার (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ডেট সিকিউরিটিজ এবং হুইসেলব্লোয়ার) প্রজ্ঞাপন জারি করেছি।”
নতুন নীতিমালার খসড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সম্প্রতি করপোরেট সুশাসন, অডিট এবং করপোরেট পুনর্গঠন—এই তিনটি বিধিমালা বা নির্দেশিকার খসড়া জনমতের জন্য প্রকাশ করেছি।”
ভবিষ্যৎ আইনি কাঠামো প্রস্তুতের তথ্য দিয়ে রাশেদ মাকসুদ বলেন, “বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন’ এবং ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন’-এর খসড়াও আমরা প্রস্তুত করেছি, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মাধ্যমে প্রণয়নের জন্য পাঠানো হয়েছে।”
রাজনীুতি/আরআইআর

মঙ্গলবার (২ জুন) পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য আরও বলছে, একই সময়ে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশই এখন খেলাপি। অর্থাৎ ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের প্রতি তিন টাকার প্রায় এক টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে।
২ দিন আগে
এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের বিরুদ্ধে খেলাপি ঋণ থাকার অভিযোগ উঠেছে। ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে অর্থ আত্মসাতের দায়ে শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার ঘটনাও প্রকাশ্যে এসেছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সচেতন গ্রাহত ফোরামের অনড় অবস্থানে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সৃষ্ট সংকট ঘনীভূত হয়েছে।
২ দিন আগে
নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ এবং ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করাসহ ৭ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ইসলামী ব্যাংকের ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা।
২ দিন আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোরবানির পরপরই চামড়ায় লবণ প্রয়োগ না করলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে অনেক চামড়ার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিক্রির ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।’
৩ দিন আগে