
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সকালে এক দফা বেড়েছে সোনার দাম। ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে রাতেও বাড়ল আরেক দফা। প্রথম দফায় চার হাজার ৩৭৪ টাকার পর দ্বিতীয় দফায় বাড়ল তিন হাজার ২৬৬ টাকা। সব মিলিয়ে এক দিনে দুই দফায় সোনার দাম বেড়েছে সাত হাজার ৬৪০ টাকা। তাতে ২২ ক্যারেট তথা সবচেয়ে ভালো মানের সোনার প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকায়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ও রাতে দুই দফায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সোনার নতুন এ বর্ধিত দাম জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। রাতের বিজ্ঞপ্তির তথ্য বলছে, নতুন বর্ধিত দাম কার্যকর হবে রোববার (১ মার্চ) সকাল থেকেই।
বাজুস বলছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। এ কারণে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই দেশের বাজারেও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর বিশ্ববাজারেও সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী। গোল্ডপ্রাইস ডট ওআরজির তথ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম পাঁচ হাজার ২৭৮ ডলারে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই এ দাম কিছুটা কমতির দিকে ছিল।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট মানের সোনার দাম পড়বে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি এবার বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় হাজার ৯৯৮ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট মানের রুপা প্রতি ভরি ছয় হাজার ৭০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের রুপা প্রতি ভরি পাঁচ হাজার ৭১৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম চার হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ২২ দফা, কমানো হয়েছে ১২ বার।
এর বিপরীতে ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এদিকে এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২০ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৩ বার, কমানো হয়েছে সাত বার। অথচ ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয়ই করা হয়েছিল ১৩ বার; যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল, কমেছিল তিন বার।

সকালে এক দফা বেড়েছে সোনার দাম। ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে রাতেও বাড়ল আরেক দফা। প্রথম দফায় চার হাজার ৩৭৪ টাকার পর দ্বিতীয় দফায় বাড়ল তিন হাজার ২৬৬ টাকা। সব মিলিয়ে এক দিনে দুই দফায় সোনার দাম বেড়েছে সাত হাজার ৬৪০ টাকা। তাতে ২২ ক্যারেট তথা সবচেয়ে ভালো মানের সোনার প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকায়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ও রাতে দুই দফায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সোনার নতুন এ বর্ধিত দাম জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। রাতের বিজ্ঞপ্তির তথ্য বলছে, নতুন বর্ধিত দাম কার্যকর হবে রোববার (১ মার্চ) সকাল থেকেই।
বাজুস বলছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। এ কারণে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই দেশের বাজারেও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর বিশ্ববাজারেও সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী। গোল্ডপ্রাইস ডট ওআরজির তথ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম পাঁচ হাজার ২৭৮ ডলারে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই এ দাম কিছুটা কমতির দিকে ছিল।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট মানের সোনার দাম পড়বে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি এবার বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় হাজার ৯৯৮ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট মানের রুপা প্রতি ভরি ছয় হাজার ৭০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের রুপা প্রতি ভরি পাঁচ হাজার ৭১৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম চার হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ২২ দফা, কমানো হয়েছে ১২ বার।
এর বিপরীতে ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এদিকে এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২০ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৩ বার, কমানো হয়েছে সাত বার। অথচ ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয়ই করা হয়েছিল ১৩ বার; যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল, কমেছিল তিন বার।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে বাংলাদেশের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা। এ তালিকায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছাড়াও কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, শুভঙ্কর সাহা, রেজাউল করিম, মেজবাউল হক ও আবুল কাসেমের নাম রয়েছে।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন আশিকুর রহমান।
৩ দিন আগে
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৪ দিন আগে