টাকার অঙ্কে বাজেট বিবর্তন

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট উত্থাপন করেন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বাজেটের ইতিহাস মূলত দেশের অর্থনীতির বিবর্তনেরই ইতিহাস। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের কয়েক লাখ টাকার সীমিত ব্যয়ের বাজেট থেকে শুরু করে আজকের লাখ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা— এই দীর্ঘ পথচলায় বদলেছে দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন দর্শন, রাজস্ব কাঠামো, সরকারি ব্যয়ের ধরন এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন, তার সম্ভাব্য আকার ধরা হচ্ছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট হবে। স্বাধীনতার পর প্রথম বাজেটের তুলনায় এর আকার হাজার গুণেরও বেশি।

বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাসকে বড় কয়েকটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। প্রতিটি পর্যায় দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

যুদ্ধ থেকে পুনর্গঠন

বাংলাদেশের প্রথম বাজেটের ইতিহাস শুরু হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। ১৯৭১ সালের ১৯ জুলাই মুজিবনগর সরকার তিন মাসের জন্য একটি বাজেট অনুমোদন করে। তখন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন এম মনসুর আলী।

সেই বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ছিল মাত্র ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার কিছু বেশি এবং ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা। মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ।

বাজেটের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর জন্যই এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে। তখন ধারণা ছিল, কয়েক মাসের মধ্যেই স্বাধীনতা অর্জিত হবে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ একসঙ্গে দুটি অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। সদ্য স্বাধীন দেশের সামনে তখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল পুনর্গঠন, পুনর্বাসন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সচল করা। তাই তার বাজেটের বড় অংশ জুড়ে ছিল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, পুনর্বাসন এবং উন্নয়ন ব্যয়ের পরিকল্পনা।

১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে মোট বাজেটের আকার ছিল ৭১৯ কোটি টাকা। স্বাধীন দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট হিসেবে এটিই ছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যাত্রার ভিত্তি।

তাজউদ্দীন আহমদের বাজেট বক্তৃতাগুলোতেও সেই সময়ের বাস্তবতা স্পষ্টভাবে উঠে আসে। মুক্তিযুদ্ধের আবেগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, খাদ্য সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি বারবার উল্লেখ করেছিলেন।

সংকট ও নীতির পরিবর্তন

১৯৭৩-৭৪ এবং ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরের বাজেটগুলো ছিল কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। ১৯৭৩ সালের বৈশ্বিক তেল সংকট, খাদ্য ঘাটতি, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট এবং আসন্ন দুর্ভিক্ষ দেশের অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তাজউদ্দীন আহমদের শেষ বাজেটে এসব সংকটের সরাসরি প্রতিফলন দেখা যায়।

তার বাজেট বক্তৃতার অন্যতম আলোচিত অংশ ছিল সততা, শৃঙ্খলা এবং বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন নীতির ওপর জোর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, ‘শুধু স্লোগান দিয়ে দুর্নীতি দূর হয় না, বুলি আউড়িয়ে প্রবৃদ্ধি আনা যায় না।’

১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে বাজেটের আকার প্রায় ১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছায়, যা সে সময়ের জন্য বড় অঙ্ক হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতিতে বড় পরিবর্তন শুরু হয়। এ আর মল্লিক, পরে জিয়াউর রহমানের সময়ের বাজেটগুলোতে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি থেকে বেসরকারি খাতভিত্তিক অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে বাজেটের আকার বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা। তবে অর্থনীতির জন্য কঠিনতম সময় অতিক্রম করেছে তখন বাংলাদেশ। এর মধ্যে অর্থমন্ত্রীর বদল হয়েছে। পার করতে হয়েছে দুর্ভিক্ষের বছর। সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়েছে। গঠিত হয়েছে বাকশাল। যাকে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘শাসনতন্ত্রের পরিবর্তন ও বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব’।

অর্থনীতিতেও কিছু পরিবর্তন আনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ২৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি করা হয়। এক ধাক্কায় টাকার মান কমানো হয় ৫৮ শতাংশ। এ সবকিছুরই উল্লেখ ছিল বাজেট বক্তৃতায়।

অর্থমন্ত্রী এ আর মল্লিক সম্পূর্ণ সাধু ভাষায় বাজেট বক্তৃতা দিয়েছিলেন। আর কখনো সাধু ভাষায় বক্তৃতা দেওয়া হয়নি।

১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে বাজেটের আকার দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বাজেটের আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

স্বাধীনতার পরে দ্বিতীয়বারের মতো বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল জাতীয় সংসদের বাইরে, রেডিও-টেলিভিশনের মাধ্যমে, বঙ্গভবন থেকে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তখন সেনাবাহিনীর প্রধান উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা।

বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বৃহত্তর ভূমিকাকে শিল্পায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করা হয়েছিল। সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই। আর এরই প্রতিফলন ছিল বাজেট বক্তৃতায়।

সংস্কার, সহায়তা ও প্রবৃদ্ধি

আশির দশকে বাংলাদেশের বাজেটের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল বৈদেশিক সহায়তার ওপর ব্যাপক নির্ভরতা।

এম সাইফুর রহমান, আবুল মাল আবদুল মুহিত, এম সাইদুজ্জামান, এম এ মুনএম এবং ওয়াহিদুল হক–এর বাজেটগুলোতে প্রায় প্রতিবারই বৈদেশিক সাহায্য, ঋণ, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং খেলাপি ঋণের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এ সময়ে বেসরকারি ব্যাংকের অনুমোদন, সুদের হার সংস্কার, আয়কর কাঠামোর পরিবর্তন এবং শিল্প ঋণ ব্যবস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে বাজেটের আকার ১২ হাজার ৭০০ কোটির বেশি হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর মাত্র দেড় দশকে বাজেটের আকার ১০ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। ১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর অর্থনৈতিক সংস্কারের নতুন ধাপ শুরু হয়।

এম সাইফুর রহমানের বাজেটগুলোতে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু, বাণিজ্য উদারীকরণ, বিনিময় হার সংস্কার, রাজস্ব ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

১৯৯১-৯২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ভ্যাট চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা পরে বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থার প্রধান ভিত্তিতে পরিণত হয়। এই দশকে বাজেটের আকার দ্রুত বাড়তে থাকে। ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে মোট বাজেট ২৪ হাজার ৭০০ কোটির বেশি হয়। একই সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাইরে উন্নয়ন ব্যয়ের নতুন নতুন খাত যুক্ত হওয়ায় বাজেটের কাঠামোও আরও বিস্তৃত হতে থাকে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার বাজেটগুলোতে দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গুরুত্ব পায়। ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়। এর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ৫০ কোটি টাকা। আজকের বিস্তৃত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এই সময়েই।

লাখ কোটি টাকার যুগ

২০০০ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হতে শুরু করে। সাইফুর রহমান ও পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলামের বাজেটগুলোতে রাজস্ব বৃদ্ধি, কর সংস্কার, শিল্পায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

২০০৬-০৭ অর্থবছরে বাজেটের আকার প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছে যায়। এ সময় থেকে বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার শিল্প, কর প্রশাসনের আধুনিকীকরণ এবং ব্যবসাবান্ধব নীতির ওপর জোর বাড়তে থাকে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত টানা ১০টি বাজেট উপস্থাপন করেন। তার সময়েই বাংলাদেশের বাজেট প্রথম লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করে।

২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। পরবর্তী দশকে তা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছে যায়।

পদ্মা সেতু, ঢাকা মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর অর্থায়নের ভিত্তি গড়ে ওঠে এই সময়ে। একই সঙ্গে পিপিপি, নতুন ভ্যাট আইন, কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিস্তারও ঘটে।

আ হ ম মুস্তফা কামালের সময় বাজেট আরও বড় আকার ধারণ করে। ২০২০-২১ অর্থবছরে করোনা মহামারির মধ্যে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। সেই বাজেটে স্বাস্থ্য খাত, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

পরবর্তী কয়েক বছরে বাজেটের আকার দ্রুত বাড়তে থাকে—

  • ২০২১-২২: ৬ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা
  • ২০২২-২৩: ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা
  • ২০২৩-২৪: ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা

এই সময় মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট, বৈদেশিক ঋণ এবং রাজস্ব আহরণ বড় আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়।

অন্তর্বর্তী সরকার থেকে নতুন অধ্যায়

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৪তম বাজেট এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম বাজেট। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দ বাড়ানো হয় এবং দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ফ্ল্যাট ও ভবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করা হয়।

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয় পাঁচ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা এবং সামগ্রিক ঘাটতি নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের সম্ভাব্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হতে পারে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে সম্ভাব্য ঘাটতি প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

স্বাধীনতার পর তাজউদ্দীন আহমদের ৭১৯ কোটি টাকার বাজেট থেকে আজকের সম্ভাব্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট— এই পথচলা শুধু সংখ্যার বৃদ্ধি নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশের অবস্থানের পরিবর্তনেরও প্রতিচ্ছবি।

পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময়ে বাজেটের অঙ্ক শত কোটি থেকে লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। আর সেই ধারাবাহিকতায় ১১ জুন উপস্থাপিত হতে যাওয়া বাজেট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বাংলাদেশের বাজেট যাত্রা: আকার বেড়েছে ১০ হাজার গুণ

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনমূলক বাজেট থেকে সর্বশেষ সংকটময় সময়ের সংকোচনমূলক ও ঘাটতি-নিয়ন্ত্রিত বাজেট — এই তুলনায় ফুটে ওঠে দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর, অগ্রগতি এবং নতুন চ্যালেঞ্জ।

২ ঘণ্টা আগে

প্রান্তিক মানুষের কাছে বাজেট মানে কী?

গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনে সিএনজি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আলমগীর হোসেনের কাছে বাজেট হলো প্রতিদিনের জমার টাকা আর গ্যাসের দাম। স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে তিনি বলেন, ‘ভাইজান, আমগো বাজেট প্রতিদিন সকালে গাড়ি নিয়া বাইর হওয়ার সময় শুরু হয়, আর রাইতে মালিকের জমা দিয়া ঘরে ফেরার সময় শেষ হয়।’

৩ ঘণ্টা আগে

সবার অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করা বাজেটের লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের মন্ত্রী বলেন, “অর্থনীতির সুফল যাতে সকলের কাছে যায় সেটাকে মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, একটা সমাজকল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার জন্য এই বাজেট করা হয়েছে।

৩ ঘণ্টা আগে

আগাম তথ্যে আড্ডায় চুলচেরা বিশ্লেষণ, বাজেট নিয়ে কী ভাবছেন দেশের তরুণরা?

ইরান যুদ্ধের জেরে বিদ্যুৎ খাতে বিপুল ভর্তুকির চাপ ও বিইআরসি কর্তৃক খুচরা বিদ্যুতের দাম একলাফে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে মেহেদী বলেন, ‘শুধু যুদ্ধ নয়, বিদ্যুৎ খাতের অদক্ষতা আর সুশাসনের অভাবেই এই ভর্তুকির বোঝা তৈরি হয়েছে। এর মাশুল দিতে গিয়ে উৎপাদন ও বাণিজ্যিক পরিচালন ব্যয় বহুগু

৩ ঘণ্টা আগে