
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো ও রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বর্তমানে প্রিমিয়াম মানের প্রতি ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ন্যূনতম ১৮৫ টাকা। সে হিসাবে একটি সিগারেটের দাম পড়ে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। নতুন বাজেট প্রস্তাবনায় এমন এক প্যাকেট সিগারেটের ন্যূনতম দাম ধরা হয়েছে ২১০ টাকা বা প্রতি পিস ২১ টাকা। সে হিসাবে একেকটি সিগারেটের দাম বাড়ছে আড়াই টাকা। আর বাজারে থাকা ২০ পিস সিগারেটের এক প্যাকেটের দাম বাড়বে ৫০ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, “রাজস্ব আহরণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার মধ্যে সর্বোচ্চ সমন্বয় নিশ্চিত করতে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে নতুন কর ও মূল্য কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে।”
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৬০ টাকা। মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি প্যাকেটে ২ টাকা, মধ্যম স্তরে ১২ টাকা, উচ্চ স্তরে ২০ টাকা এবং অতি-উচ্চ স্তরে ২৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে।
এ ছাড়া নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে এসব পণ্যের বাজারমূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারের মতে, তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা জোরদার করা এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
রাজনীতি/আরআইআর

তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো ও রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বর্তমানে প্রিমিয়াম মানের প্রতি ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ন্যূনতম ১৮৫ টাকা। সে হিসাবে একটি সিগারেটের দাম পড়ে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। নতুন বাজেট প্রস্তাবনায় এমন এক প্যাকেট সিগারেটের ন্যূনতম দাম ধরা হয়েছে ২১০ টাকা বা প্রতি পিস ২১ টাকা। সে হিসাবে একেকটি সিগারেটের দাম বাড়ছে আড়াই টাকা। আর বাজারে থাকা ২০ পিস সিগারেটের এক প্যাকেটের দাম বাড়বে ৫০ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, “রাজস্ব আহরণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার মধ্যে সর্বোচ্চ সমন্বয় নিশ্চিত করতে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে নতুন কর ও মূল্য কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে।”
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৬০ টাকা। মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি প্যাকেটে ২ টাকা, মধ্যম স্তরে ১২ টাকা, উচ্চ স্তরে ২০ টাকা এবং অতি-উচ্চ স্তরে ২৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে।
এ ছাড়া নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে এসব পণ্যের বাজারমূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকারের মতে, তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা জোরদার করা এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
রাজনীতি/আরআইআর

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা (জিডিপির ০ দশমিক ৫৮%)। এ হিসেবে আসন্ন অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ৩৩ হাজার ৯৩২ কো
১ ঘণ্টা আগে
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২৫০ কোটি টাকা। ফলে সুপ্রিম কোর্টের বরাদ্দও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ করতে শুরু করেছেন বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বক্তৃতায় ঋণভিত্তিক অর্থনীতি থেকে দেশকে বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে