
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় এসে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বা কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ বহাল রেখেছে বিএনপি সরকার। একই সঙ্গে নির্ধারিত শর্তে কর পরিশোধ করলে ওই অর্থের উৎস নিয়েও কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না বলে অর্থবিলে বিধান রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মন্ত্রিসভা নতুন অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন দেয়। পরে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার বিষয়টি বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ না থাকলেও অর্থবিলের সংশোধনীতে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুনের মধ্যে জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাবেন করদাতারা। অর্থবিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ‘স্বপ্রণোদিতভাবে’ অপ্রদর্শিত অর্থ ঘোষণা করে নির্ধারিত কর পরিশোধ করলে ওই অর্থের উৎস এবং পরিশোধিত করের বিষয়ে কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে বা কোনো ধরনের কার্যক্রম নিতে পারবে না।
বিধান অনুযায়ী, কোনো করদাতা জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি হলে সেই অতিরিক্ত অপ্রদর্শিত অর্থের ওপর ব্যক্তিশ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত হারে আয়কর পরিশোধ করে তা বৈধ করতে পারবেন।
একইভাবে বিক্রেতার ক্ষেত্রেও সুযোগ রাখা হয়েছে। দলিলমূল্যের তুলনায় প্রকৃত বিক্রয়মূল্য বেশি হলে অতিরিক্ত অংশকে অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে ঘোষণা করে মূলধনী মুনাফার জন্য প্রযোজ্য হারে কর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে।
তবে আয়কর বিভাগ আগে থেকেই কোনো অডিট বা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু তখন তাকে নির্ধারিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হবে।
অর্থবিলে আরও বলা হয়েছে, করদাতাকে আয়কর রিটার্নে এ ধরনের অর্থের তথ্য উল্লেখ করতে হবে। একবার স্বপ্রণোদিতভাবে ঘোষণা ও কর পরিশোধ সম্পন্ন হলে ওই অর্থের উৎস নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।
তবে কোনো ব্যক্তি অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণা করার আগেই যদি আদালতে কোনো মামলায় অভিযুক্ত হন বা কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তিনি এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ ছিল।
রাজনীতি/আরআইআর

প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় এসে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বা কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ বহাল রেখেছে বিএনপি সরকার। একই সঙ্গে নির্ধারিত শর্তে কর পরিশোধ করলে ওই অর্থের উৎস নিয়েও কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না বলে অর্থবিলে বিধান রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মন্ত্রিসভা নতুন অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন দেয়। পরে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার বিষয়টি বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ না থাকলেও অর্থবিলের সংশোধনীতে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুনের মধ্যে জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাবেন করদাতারা। অর্থবিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ‘স্বপ্রণোদিতভাবে’ অপ্রদর্শিত অর্থ ঘোষণা করে নির্ধারিত কর পরিশোধ করলে ওই অর্থের উৎস এবং পরিশোধিত করের বিষয়ে কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে বা কোনো ধরনের কার্যক্রম নিতে পারবে না।
বিধান অনুযায়ী, কোনো করদাতা জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি হলে সেই অতিরিক্ত অপ্রদর্শিত অর্থের ওপর ব্যক্তিশ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত হারে আয়কর পরিশোধ করে তা বৈধ করতে পারবেন।
একইভাবে বিক্রেতার ক্ষেত্রেও সুযোগ রাখা হয়েছে। দলিলমূল্যের তুলনায় প্রকৃত বিক্রয়মূল্য বেশি হলে অতিরিক্ত অংশকে অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে ঘোষণা করে মূলধনী মুনাফার জন্য প্রযোজ্য হারে কর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য হবে।
তবে আয়কর বিভাগ আগে থেকেই কোনো অডিট বা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু তখন তাকে নির্ধারিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হবে।
অর্থবিলে আরও বলা হয়েছে, করদাতাকে আয়কর রিটার্নে এ ধরনের অর্থের তথ্য উল্লেখ করতে হবে। একবার স্বপ্রণোদিতভাবে ঘোষণা ও কর পরিশোধ সম্পন্ন হলে ওই অর্থের উৎস নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।
তবে কোনো ব্যক্তি অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণা করার আগেই যদি আদালতে কোনো মামলায় অভিযুক্ত হন বা কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তিনি এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ ছিল।
রাজনীতি/আরআইআর

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা ও সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার হার বৃদ্ধি, উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা অব্যাহত রাখা এবং ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগসহ ৬টি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ
৪ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানির উৎপাদিত মদের ওপর নতুন করে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে কেরুর উৎপাদিত দেশি ও বিদেশি উভয় ব্র্যান্ডের মদের দাম প্রতি লিটারে ৫০০ টাকা কর বসবে।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে আহতরা যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই ভাতার পরিমাণ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৪০ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় এক হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে