
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর বাজারগুলোতে সব ধরনের সবজির বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। সরবরাহ বাড়ায় কমেছে নতুন আলু ও পেঁয়াজের দামও। জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি।
প্রতি কেজি আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজারঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
রাজধানীর এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সবজির বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি শিম ১৫ থেকে ৪০ টাকা, পাকা টমেটো ৩০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, মটরশুটি ৮০ টাকা, খিরা ৪০ টাকা এবং শসা ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বড় আকারের ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা পিস, বাঁধাকপি বড় সাইজের ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস, প্রতিটি লাউ মিলছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা এবং কাঁচামরিচ ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা ১০০ টাকা কেজি, কাঁচকলার হালি ৫০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ১৫০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, কলমি শাক তিন আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বাজারে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে। আর বগুড়ার লাল আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা দরে।
এসব বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৯০ টাকা, মুড়ি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পাতা পেঁয়াজ ৪০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
আদার কেজি মিলছে ১২০ থেকে ২৮০ টাকায়, রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, মিনিকেট চাল ৭৮ থেকে ৮৬ টাকা এবং নাজিরশাইল ৭৬ থেকে ৮৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে সব ধরনের সবজির বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। সরবরাহ বাড়ায় কমেছে নতুন আলু ও পেঁয়াজের দামও। জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি।
প্রতি কেজি আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজারঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
রাজধানীর এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সবজির বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি শিম ১৫ থেকে ৪০ টাকা, পাকা টমেটো ৩০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, মটরশুটি ৮০ টাকা, খিরা ৪০ টাকা এবং শসা ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বড় আকারের ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা পিস, বাঁধাকপি বড় সাইজের ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস, প্রতিটি লাউ মিলছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকায়, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা এবং কাঁচামরিচ ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা ১০০ টাকা কেজি, কাঁচকলার হালি ৫০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ১৫০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, কলমি শাক তিন আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বাজারে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে। আর বগুড়ার লাল আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা দরে।
এসব বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৯০ টাকা, মুড়ি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পাতা পেঁয়াজ ৪০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
আদার কেজি মিলছে ১২০ থেকে ২৮০ টাকায়, রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, মিনিকেট চাল ৭৮ থেকে ৮৬ টাকা এবং নাজিরশাইল ৭৬ থেকে ৮৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে।
১ দিন আগে
খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মোস্তাকুর রহমান বলেন, নতুন কোনো প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে অধিকতর সতর্ক হতে হবে। প্রতিটি ঋণের আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে তবেই ছাড় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর ডলারের দুর্বলতায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এটি সামনে আরও প্রভাব ফেলতে পারে।
৩ দিন আগে
ইউএনডিপির প্রতিবেদনে প্রাক্কলন করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ ঘিরে সৃষ্ট সংঘাতের ফলে আরব দেশগুলোতে বেকারত্বের হার বেড়ে যেতে পারে প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত। এর ফলে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ চাকরি হারাতে পারেন। এ ছাড়া নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়তে পারেন আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ।
৩ দিন আগে