
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘চিনির পর্যাপ্ত মজুত আছে। চিনির দাম এক টাকাও বাড়বে না।’ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকালে সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিব্বত মোড়ের পূর্ব কলোনি বাজারের পাশে পলিটেকনিক মাঠে তিনি এ কথা বলেন।
রমজান মাস উপলক্ষে এদিন তিনি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দ্বিতীয় পর্বের পণ্য বিক্রির কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ, রেড সি ক্রাইসিস, বিভিন্ন কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আন্তর্জাতিক বাজার দাম অনেক বেড়ে যাওয়ার পরেও আমরা কিন্তু সাশ্রয়ী মূল্যে; তেলটা ১৬৩ টাকা করে মূল্য নির্ধারণ করেছি সাধারণের জন্য কিন্তু আমরা দিচ্ছি ১০০ টাকা করে। চিনির দামও প্রায় ১৪০ টাকার মতো নির্ধারণ করা আছে, প্রায় অর্ধেক দামে আমরা চিনিটাও দিচ্ছি। চালের দাম বাজারে ৫০ টাকার মতো আছে, সেটা আমরা ৩০ টাকায় দিচ্ছি।’
আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘আমাদের এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য যারা নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ, যারা অর্থনীতির চাপের মধ্যে আছে—তাদের চাপটা একটু লাঘব করা। এক কোটি পরিবারকে আমরা পাঁচটা নিত্যপ্রয়োজনীয় দিয়ে দেব, তখন কিন্তু বাজারে চাপটা কমবে। বাজারে চাহিদাটা কমবে, চাহিদা কমলে সাধারণ ভোক্তা কিন্তু সহজে বাজার থেকে কিনতে পারবে; দামটা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।’
গতকাল বুধবার প্রতি কেজি চিনির দাম ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করার পরে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এ ব্যাপারে ক্ষমা চেয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের নিজস্ব একটি ত্রুটি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমরা আরও সাবধান থাকব, যাতে আমাদের এই ছোটখাটো ব্যাপারগুলো বড় আকারে না হয়। কয়েক দিন আগে চিনির একটি গুদামে আগুন লেগেছিল, আমরা সব মিলের সঙ্গে কথা বলেছি, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন আমাদের চিনির যে পরিমাণ মজুত বিভিন্ন মিলে ও আমদানিকারকের কাছে আছে; চিনির কোনো সংকট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’
উৎপাদনকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনোই চাই না যে, পুলিশি নজরদারি করে বা ইনস্পেকশন। বাজার যদি নিজের গতিতে চলে এবং প্রতিযোগিতা যদি ঠিক মতো থাকে, তাহলে বাজারে ন্যায্য মূল্যে জিনিস পাওয়া যাবে। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।’

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘চিনির পর্যাপ্ত মজুত আছে। চিনির দাম এক টাকাও বাড়বে না।’ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকালে সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিব্বত মোড়ের পূর্ব কলোনি বাজারের পাশে পলিটেকনিক মাঠে তিনি এ কথা বলেন।
রমজান মাস উপলক্ষে এদিন তিনি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দ্বিতীয় পর্বের পণ্য বিক্রির কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ, রেড সি ক্রাইসিস, বিভিন্ন কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আন্তর্জাতিক বাজার দাম অনেক বেড়ে যাওয়ার পরেও আমরা কিন্তু সাশ্রয়ী মূল্যে; তেলটা ১৬৩ টাকা করে মূল্য নির্ধারণ করেছি সাধারণের জন্য কিন্তু আমরা দিচ্ছি ১০০ টাকা করে। চিনির দামও প্রায় ১৪০ টাকার মতো নির্ধারণ করা আছে, প্রায় অর্ধেক দামে আমরা চিনিটাও দিচ্ছি। চালের দাম বাজারে ৫০ টাকার মতো আছে, সেটা আমরা ৩০ টাকায় দিচ্ছি।’
আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘আমাদের এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য যারা নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ, যারা অর্থনীতির চাপের মধ্যে আছে—তাদের চাপটা একটু লাঘব করা। এক কোটি পরিবারকে আমরা পাঁচটা নিত্যপ্রয়োজনীয় দিয়ে দেব, তখন কিন্তু বাজারে চাপটা কমবে। বাজারে চাহিদাটা কমবে, চাহিদা কমলে সাধারণ ভোক্তা কিন্তু সহজে বাজার থেকে কিনতে পারবে; দামটা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।’
গতকাল বুধবার প্রতি কেজি চিনির দাম ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করার পরে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এ ব্যাপারে ক্ষমা চেয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের নিজস্ব একটি ত্রুটি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমরা আরও সাবধান থাকব, যাতে আমাদের এই ছোটখাটো ব্যাপারগুলো বড় আকারে না হয়। কয়েক দিন আগে চিনির একটি গুদামে আগুন লেগেছিল, আমরা সব মিলের সঙ্গে কথা বলেছি, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন আমাদের চিনির যে পরিমাণ মজুত বিভিন্ন মিলে ও আমদানিকারকের কাছে আছে; চিনির কোনো সংকট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’
উৎপাদনকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনোই চাই না যে, পুলিশি নজরদারি করে বা ইনস্পেকশন। বাজার যদি নিজের গতিতে চলে এবং প্রতিযোগিতা যদি ঠিক মতো থাকে, তাহলে বাজারে ন্যায্য মূল্যে জিনিস পাওয়া যাবে। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৪ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ দিন আগে