রমজানে সবজির বাজার চড়া

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রোজা শুরুর আগে শীতকালীন আবহে সবজির দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় কম ছিল। তবে রমজান মাস শুরু হওয়ার পর থেকেই সবজির দাম ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে, যার ফলে তাদের জন্য বাজারে কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর খিলগাঁও, মালিবাগসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, শীতকাল শেষ হওয়ায় শীতকালীন সবজি প্রায় শেষ। এছাড়া আমদানি কমে যাওয়ায় চাহিদা বেড়েছে এবং এর ফলে সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন এবং গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। শিম বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ টাকা পিস, লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস, জালি ৬০ টাকা, পাকা টমেটো ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, খিরাই ৬০ টাকা ও শশা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে গোল বেগুন ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা কেজি, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি, ধুন্দল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, পটল ১০০ টাকা, সজনা ২০০ টাকা, ভেন্ডি ১২০ টাকা, কচুর লতি ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৫ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৫ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৬ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৬ দিন আগে