
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার সড়ক-মহাসড়কে সরব উপস্থিতির কারণে দিতে হচ্ছে না কোনো চাঁদা। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে বাজার তদারকি। যার কারণে কমতে শুরু করেছে শাক-সবজিসহ বিভিন্ন নিত্য পণ্যের দাম। আগের চেয়ে সবজির বাজারে ফিরেছে স্বস্তি।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার, জিউসি ও কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, শশা ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা, লাউ ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কুমড়া ৫০ টাকা ও ফুলকপি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ৬০ টাকা, পেয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, রসুন ২১০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, কাতলা ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, সরপুঁটি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাবদা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা ও তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগী ২৯০, সোনালী মুরগী ২৪০ টাকা করে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
নগরের চকবাজার কাচাঁবাজারে সবজি কিনতে আসা এক ব্যাক্তি বলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের পর বাজারে প্রভাব পরতে শুরু করেছে। তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন। তাই বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। রাস্তায় আগে যে চাঁদাবাজি ছিলো তা এখন নেই।
ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার পতনের পর স্থিতিশীল হচ্ছে বাজার। সেই সাথে পণ্যের সরবরাহও বাড়ছে। বাজারে দাম কমেছে সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের। এছাড়াও সড়ক-মহাসড়কগুলোতে কোনো চাঁদা দিতে হচ্ছে না।
ক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে দাম কিছুটা কম। বাজারে বেশি শাক-সবজি আসার কারণে দাম কমেছে। টমেটো ও গাজরের দামও কমেছে। পটল, কাকরোল, চিচিঙ্গা, কলমি শাক, পুঁইশাকের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা করে কমেছে।

ছাত্র-জনতার সড়ক-মহাসড়কে সরব উপস্থিতির কারণে দিতে হচ্ছে না কোনো চাঁদা। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে বাজার তদারকি। যার কারণে কমতে শুরু করেছে শাক-সবজিসহ বিভিন্ন নিত্য পণ্যের দাম। আগের চেয়ে সবজির বাজারে ফিরেছে স্বস্তি।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার, জিউসি ও কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, শশা ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা, লাউ ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কুমড়া ৫০ টাকা ও ফুলকপি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ৬০ টাকা, পেয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, রসুন ২১০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, কাতলা ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, সরপুঁটি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাবদা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা ও তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগী ২৯০, সোনালী মুরগী ২৪০ টাকা করে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
নগরের চকবাজার কাচাঁবাজারে সবজি কিনতে আসা এক ব্যাক্তি বলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের পর বাজারে প্রভাব পরতে শুরু করেছে। তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন। তাই বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। রাস্তায় আগে যে চাঁদাবাজি ছিলো তা এখন নেই।
ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার পতনের পর স্থিতিশীল হচ্ছে বাজার। সেই সাথে পণ্যের সরবরাহও বাড়ছে। বাজারে দাম কমেছে সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের। এছাড়াও সড়ক-মহাসড়কগুলোতে কোনো চাঁদা দিতে হচ্ছে না।
ক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে দাম কিছুটা কম। বাজারে বেশি শাক-সবজি আসার কারণে দাম কমেছে। টমেটো ও গাজরের দামও কমেছে। পটল, কাকরোল, চিচিঙ্গা, কলমি শাক, পুঁইশাকের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ থেকে ১০ টাকা করে কমেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
৭ দিন আগে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।
৭ দিন আগে
আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’
৮ দিন আগে
পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৮ দিন আগে