ভারতে যাচ্ছে ইলিশ, দাম বাড়ছে বাংলাদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বে ইলিশের মোট উৎপাদনের ৮০ শতাংশেরও বেশি হয় বাংলাদেশে | ছবি—সংগৃহীত

ভারতে রফতানির খবরে দেশের বাজারে ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০০ টাকা। চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই ইলিশের দাম ছিল চড়া। এরমধ্যে নতুন করে দাম বাড়ার ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে জাতীয় মাছ ইলিশ।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে এক কেজি সাইজের প্রতিটি ইলিশের দাম এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৭০০ টাকা। যা দুদিন আগেও ছিল এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া একদম ছোট সাইজের ইলিশ (২০০-২৫০ গ্রাম প্রতিটি) আগে ৫০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হলেও এখন ৭০০ টাকার নিচে মিলছে না।

ইলিশ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইলিশের মৌসুম প্রায় শেষের পথে। বাজারে ইলিশ কম। চলতি মৌসুমের আর যে কয়দিন আছে, ইলিশের দাম কমার সম্ভাবনা নেই। ভারতে রফতানির খবরে ইলিশের দাম আরও বেড়ে গেছে।

ভারতে ইলিশ রফতানির খবর চাউর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ইলিশের মোকামগুলোতে আকারভেদে মণপ্রতি ৮ থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম। বাজারে ইলিশের দাম বেশি বলে সাধারণ ক্রেতারাও ক্ষুব্ধ ও হতাশ।

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রথমে ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তা থেকে সরে এসে তারা ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়। এসব ইলিশ রফতানির অনুমতি পায় ৪৯টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান ৫০ টন করে ২ হাজার ৪০০ টন, আরেক প্রতিষ্ঠান ২০ টন ইলিশ রফতানি করবে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৭ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৭ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৮ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৮ দিন আগে