কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ৩২০ টাকা!

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৪, ১৩: ৩৮

ব্যবসায়ীরা জানান বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।

শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজারে কথা হয় বিক্রেতাদের সঙ্গে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা ১০ টাকার মরিচ কিনতে চাইলে বিক্রেতা বিক্রিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন দামের কারণে ১০ টাকার মরিচ বিক্রি করা যায় না। ১০০ গ্রামের নিচে মরিচ বিক্রি করা ব্যবসার জন্য ক্ষতি।

কাঁচা মরিচের দাম পেতে কৃষক কচি মরিচ বিক্রি করছে। বাজারে যে মরিচগুলো আসছে এতে ঝালও তেমন নেই। ঝাল কম থাকার কারণে পরিমাণ বেশি লাগছে বলে জানালেন তালতলা বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী সালাউদ্দিন। শুধু তাই নয়, কোনো সবজিই ৮০ টাকা নিচে কেনা যাচ্ছে না। বাজারে সরকারের মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন।

এদিকে, সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে সব ধরনের মুরগির দাম কমেছে। তবে সবজি ও মাছের বাজার চড়া। গত সপ্তাহের তুলনার প্রতিটি সবজি কেজিতে ২০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ad
ad

অর্থের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সোনার ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

৭ দিন আগে

স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করতেই এই মূল্যবৃদ্ধি।

৭ দিন আগে

এ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি হচ্ছে না: বিডা চেয়ারম্যান

আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারার চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছে। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে (চুক্তি) হচ্ছে না।’

৮ দিন আগে

পাকিস্তান থেকে রেল কোচ ও ওয়াগন আমদানির পথে বাংলাদেশ

পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৮ দিন আগে