
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘মূল্যস্ফীতি তিন মাসের বিষয় নয়, দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা তা নিয়ন্ত্রণে আনব।’
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থ সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি কোনো স্বল্পমেয়াদি সমস্যা নয়; এর পেছনে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও যুদ্ধজনিত নানা বাহ্যিক কারণ কাজ করছে। আমদানি পণ্যের দাম বেড়েছে, যুদ্ধের কারণে তা আরও বাড়ছে। এ ধরনের বাহ্যিক পরিস্থিতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও সারের দাম বৃদ্ধি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এসব কারণে বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিচ্ছে।
বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি এবং এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার বিভিন্ন ডিরেগুলেশন বা নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বলেন, ‘সার্বিকভাবে ব্যবসার খরচ কমিয়ে আনতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে কস্ট অব ডুইং বিজনেস কমবে এবং মূল্যস্ফীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপরও জোর দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং তাৎক্ষণিক কেনাকাটার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি অন্তত তিন মাসের জ্বালানি মজুত রাখার সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ‘একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে পুলিশ, র্যাব বা সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বাস্তবে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সঠিক নীতি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে,’ বলেন তিনি।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, প্রয়োজনীয় নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাজার ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘মূল্যস্ফীতি তিন মাসের বিষয় নয়, দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা তা নিয়ন্ত্রণে আনব।’
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থ সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি কোনো স্বল্পমেয়াদি সমস্যা নয়; এর পেছনে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও যুদ্ধজনিত নানা বাহ্যিক কারণ কাজ করছে। আমদানি পণ্যের দাম বেড়েছে, যুদ্ধের কারণে তা আরও বাড়ছে। এ ধরনের বাহ্যিক পরিস্থিতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও সারের দাম বৃদ্ধি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এসব কারণে বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিচ্ছে।
বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি এবং এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকার বিভিন্ন ডিরেগুলেশন বা নিয়ন্ত্রক জটিলতা কমানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বলেন, ‘সার্বিকভাবে ব্যবসার খরচ কমিয়ে আনতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে কস্ট অব ডুইং বিজনেস কমবে এবং মূল্যস্ফীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপরও জোর দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং তাৎক্ষণিক কেনাকাটার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি অন্তত তিন মাসের জ্বালানি মজুত রাখার সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ‘একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে পুলিশ, র্যাব বা সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বাস্তবে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সঠিক নীতি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে,’ বলেন তিনি।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, প্রয়োজনীয় নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাজার ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে রাজস্ব আদায়ের গতি বাড়াতে বিপুল পরিমাণ কর বসানোর কৌশল নেয়নি সরকার। বরং করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়েছে. বিভিন্ন খাতে
৭ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদ দেশের অর্থনীতির যে বিপর্যয় তৈরি করেছে, সমাজ-সংস্কৃতির বুনন যেভাবে ধ্বংস করেছে, এতে এর পুনরুদ্ধার ও একে পুনরায় গতিশীল করা রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া সম্ভব নয়। একই সঙ্গে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন, অর্থাৎ সব মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং মানবিক
১ দিন আগে
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর যাবৎ একই বেতনকাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’
১ দিন আগে
প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘চিন্তাশীল বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তবে তিনি মনে করেন, বাজেটের নীতিগত কাঠামো শক্তিশালী হলেও তা বাস্তবায়নের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল।
১ দিন আগে