
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘একসাথে উচ্ছ্বাসে, সাফল্যের পথে’— প্রতিপাদ্যে শনিবার (৩ জানুয়ারি) কক্সবাজারে সীগাল হোটেলস লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসুন্ধরা সিমেন্টের তিন পণ্যের বিক্রয় প্রতিনিধি সম্মেলন-২০২৬।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা সিমেন্ট, কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট, বসুন্ধরা রেডি মিক্স ও বসুন্ধরা পিএইচসি পাইলের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল এর চিফ অপারেটিং অফিসার শাহেদ জাহিদ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এম জাহিদ উদ্দিন, সিমেন্ট ডিভিশনের চিফ সেলস অফিসার শাহ জামাল শিকদার, রেডি মিক্স ডিভিশনের হেড অফ সেলস গোলাম রাব্বানি, পিএইচসি পাইল ডিভিশনের হেড অফ সেলস এনামুল ইসলাম এবং সিমেন্ট, রেডি মিক্স ও পিএইচসি পাইল ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার (ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং) শাকিব কামাল আহমেদ, জি এম মার্কেটিং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেলস প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।
সিমেন্ট, রেডি মিক্স ও পিএইচসি পাইল বিভাগের সমন্বিত সেলস কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ সেলস কনফারেন্সে বিগত সময়ের সাফল্য ও অর্জনের পর্যালোচনার পাশাপাশি বর্তমান বাজার পরিস্থিতির বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।
একই সঙ্গে সেলস টিমের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই সেলস কনফারেন্স আগামী দিনে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সামগ্রিকভাবে করপোরেট সেলস কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি এই সেলস কনফারেন্স আগামী দিনে বসুন্ধরা গ্রুপের সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সামগ্রিকভাবে করপোরেট সেলস কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করবে।

‘একসাথে উচ্ছ্বাসে, সাফল্যের পথে’— প্রতিপাদ্যে শনিবার (৩ জানুয়ারি) কক্সবাজারে সীগাল হোটেলস লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসুন্ধরা সিমেন্টের তিন পণ্যের বিক্রয় প্রতিনিধি সম্মেলন-২০২৬।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা সিমেন্ট, কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট, বসুন্ধরা রেডি মিক্স ও বসুন্ধরা পিএইচসি পাইলের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল এর চিফ অপারেটিং অফিসার শাহেদ জাহিদ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এম জাহিদ উদ্দিন, সিমেন্ট ডিভিশনের চিফ সেলস অফিসার শাহ জামাল শিকদার, রেডি মিক্স ডিভিশনের হেড অফ সেলস গোলাম রাব্বানি, পিএইচসি পাইল ডিভিশনের হেড অফ সেলস এনামুল ইসলাম এবং সিমেন্ট, রেডি মিক্স ও পিএইচসি পাইল ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার (ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং) শাকিব কামাল আহমেদ, জি এম মার্কেটিং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেলস প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।
সিমেন্ট, রেডি মিক্স ও পিএইচসি পাইল বিভাগের সমন্বিত সেলস কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ সেলস কনফারেন্সে বিগত সময়ের সাফল্য ও অর্জনের পর্যালোচনার পাশাপাশি বর্তমান বাজার পরিস্থিতির বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ কৌশল ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।
একই সঙ্গে সেলস টিমের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই সেলস কনফারেন্স আগামী দিনে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সামগ্রিকভাবে করপোরেট সেলস কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি এই সেলস কনফারেন্স আগামী দিনে বসুন্ধরা গ্রুপের সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সামগ্রিকভাবে করপোরেট সেলস কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এলপিজি সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের অধীনে আমদানির জন্য যোগ্য একটি শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হবে। ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন।
৪ দিন আগে
অর্থ উপদেষ্টা নীতিনির্ধারক, বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমের প্রতি সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলোকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপনের আহ্বান জানান।
৫ দিন আগে
বাণিজ্যে এই সৃজনশীল ও পারস্পরিক লাভজনক ব্যবস্থাটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একদিকে যেমন বাংলাদেশের উৎপাদক ও শ্রমিকরা উপকৃত হবেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল উৎপাদকদের সঙ্গেও সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক আরও গভীর হবে।
৫ দিন আগে
চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপান্তর করে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এক বছরেই বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি। এ ছাড়া ইসলামী ব্যংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আমানতও এখন ২২ হাজার কোটি টাকা; যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।
৬ দিন আগে