
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকারগুলোর গ্রাহকের (বিনিয়োগকারী) মার্জিন ঋণ হিসাবের আদায় না হওয়া লোকসানের (নেগেটিভ ইক্যুইটি) বিপরীতে প্রভিশন রাখার মেয়াদ বাড়িয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত ২৮ মার্চ এ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি ডিএসই এবং সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মনিটরিং অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের ইনচার্জ মো. বজলুর রহমান সাক্ষরিত এই নির্দেশনা ডিএসইর তালিকাভুক্ত সকল ট্রেকহোল্ডারদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বিএসইসি বলে, যেসব স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংক মক্কেলের পোর্টফোলিও পুনর্মূল্যায়নজনিত অনাদায়ী ক্ষতির বিপরীতে রাখা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে পারেনি, সেসব স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকদের তা সংরক্ষণের জন্য ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলো।
মূলত বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) জানানো দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে প্রভিশন রাখার সময় নির্ধারণ করা হয়।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে অনাদায়ী ক্ষতির বিপরীতে প্রভিশন রাখার সুযোগ প্রথমে দেয়া হয় ২০১৩ সালে। সে সময় বিএসইসি থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এখন পুনর্মূল্যায়নজনিত ক্ষতির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী শতভাগের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে পারবে। তবে তা ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমান ৫টি ত্রৈমাসিক অংশে রাখতে হবে।
এ সুযোগ পরবর্তীতে আরও কয়েক ধাপে বাড়ানো হয়। সর্বপ্রথম এ সুযোগ বাড়ানো হয় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরের জন্য। এরপর বাজার পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ায় এর মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু ২০১৫ সালে বাজার পরিস্থিতি আরও মন্দাভাব থাকায় মার্চেন্ট ব্যাংকারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতের প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাড়ায় বিএসইসি।
এরপর ২০১৭ সালে বাজার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে তা পূরণ করতে আরও সময়ের প্রয়োজন। এ জন্য প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি করা হয়। এভাবে প্রভিশন সংরক্ষণের সময় যখন শেষের পর্যায় আসে, ঠিক তখনই মার্চেন্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। আর নিয়ন্ত্রণ সংস্থা তাদের দাবি মেনে নিয়ে সময় বাড়িয়ে দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকারগুলোর গ্রাহকের (বিনিয়োগকারী) মার্জিন ঋণ হিসাবের আদায় না হওয়া লোকসানের (নেগেটিভ ইক্যুইটি) বিপরীতে প্রভিশন রাখার মেয়াদ বাড়িয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত ২৮ মার্চ এ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি ডিএসই এবং সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মনিটরিং অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের ইনচার্জ মো. বজলুর রহমান সাক্ষরিত এই নির্দেশনা ডিএসইর তালিকাভুক্ত সকল ট্রেকহোল্ডারদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বিএসইসি বলে, যেসব স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংক মক্কেলের পোর্টফোলিও পুনর্মূল্যায়নজনিত অনাদায়ী ক্ষতির বিপরীতে রাখা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে পারেনি, সেসব স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকদের তা সংরক্ষণের জন্য ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলো।
মূলত বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) জানানো দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে প্রভিশন রাখার সময় নির্ধারণ করা হয়।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে অনাদায়ী ক্ষতির বিপরীতে প্রভিশন রাখার সুযোগ প্রথমে দেয়া হয় ২০১৩ সালে। সে সময় বিএসইসি থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এখন পুনর্মূল্যায়নজনিত ক্ষতির ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী শতভাগের পরিবর্তে ২০ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে পারবে। তবে তা ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমান ৫টি ত্রৈমাসিক অংশে রাখতে হবে।
এ সুযোগ পরবর্তীতে আরও কয়েক ধাপে বাড়ানো হয়। সর্বপ্রথম এ সুযোগ বাড়ানো হয় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরের জন্য। এরপর বাজার পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ায় এর মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু ২০১৫ সালে বাজার পরিস্থিতি আরও মন্দাভাব থাকায় মার্চেন্ট ব্যাংকারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতের প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাড়ায় বিএসইসি।
এরপর ২০১৭ সালে বাজার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে তা পূরণ করতে আরও সময়ের প্রয়োজন। এ জন্য প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি করা হয়। এভাবে প্রভিশন সংরক্ষণের সময় যখন শেষের পর্যায় আসে, ঠিক তখনই মার্চেন্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। আর নিয়ন্ত্রণ সংস্থা তাদের দাবি মেনে নিয়ে সময় বাড়িয়ে দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত মূল্য শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
২ দিন আগে
এর আগে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার চার মাস পর গত ৩০ জুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় সংকোচনমূলক নীতি বহাল রেখে ওই সময় নীতি সুদহার আগের মতোই ১০ শতাংশ রাখা হয়েছিল।
৩ দিন আগে
এম এ খান বেলাল সম্রাট গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান। তিনি ট্রেড, শিল্প, শিপিং, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। এ ছাড়া তিনি নোয়াখালী জেলা সমিতির নির্বাচিত সভাপতি।
৩ দিন আগে
সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২২ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার দরে এই গ্যাস কেনা হবে। এর জন্য খরচ হবে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার ১৮৪ টাকা। এর মধ্যে অগ্রিম আয়করও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
৩ দিন আগে