
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুঁজিবাজারে টানা দরপতন চলছে। একদিন উত্থানের মুখ দেখলে পতন থাকছে বাকি চার দিন। অস্বাভাবিক বিক্রির চাপে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো বাজারের ওপর।
বিক্রির চাপের কারণে বাজার হয়ে পড়েছে অস্থির। আর ধারাবাহিক মূল্য সূচকের পতনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
গত ১৮ জানুয়ারি ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট। বুধবার (২৭ মার্চ) লেনদেন শেষে এসে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্ট। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর সূচক কমেছে ৫৭৪ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গত ১১ ফেব্রুয়ারি ডিএসই’র সূচক ছিল ৬ হাজার ৪৪৭ পয়েন্ট। বুধবার লেনদেনশেষে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্ট। এই সময়ে সূচক কমেছে ৬৮৫ পয়েন্ট।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭১ দশমিক ৭০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্টে।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরীয়াহ সূচক ১৪ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৫২ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১২ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২ পয়েন্টে।
ডিএসইতে ৫৩৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ১৮৭ কোটি টাকার বেশি।
ডিএসইতে ৩৯৬টি প্রতিষ্ঠানের ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৮টির, কমেছে ৩২১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির।
অপর শেয়ারবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ২৮ লাখ ০১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট। সিএসইতে ২২৬টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪০টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের।

পুঁজিবাজারে টানা দরপতন চলছে। একদিন উত্থানের মুখ দেখলে পতন থাকছে বাকি চার দিন। অস্বাভাবিক বিক্রির চাপে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো বাজারের ওপর।
বিক্রির চাপের কারণে বাজার হয়ে পড়েছে অস্থির। আর ধারাবাহিক মূল্য সূচকের পতনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
গত ১৮ জানুয়ারি ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্ট। বুধবার (২৭ মার্চ) লেনদেন শেষে এসে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্ট। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর সূচক কমেছে ৫৭৪ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর গত ১১ ফেব্রুয়ারি ডিএসই’র সূচক ছিল ৬ হাজার ৪৪৭ পয়েন্ট। বুধবার লেনদেনশেষে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্ট। এই সময়ে সূচক কমেছে ৬৮৫ পয়েন্ট।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭১ দশমিক ৭০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬২ পয়েন্টে।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরীয়াহ সূচক ১৪ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৫২ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১২ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২ পয়েন্টে।
ডিএসইতে ৫৩৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ১৮৭ কোটি টাকার বেশি।
ডিএসইতে ৩৯৬টি প্রতিষ্ঠানের ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৮টির, কমেছে ৩২১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির।
অপর শেয়ারবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ২৮ লাখ ০১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট। সিএসইতে ২২৬টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪০টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের।

কর্মসংস্থান ব্যাংকের ৯০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৬’। ব্যাংকের খুলনা ও যশোর অঞ্চলের অধীন ২৮টি শাখার ব্যবস্থাপক ও দ্বিতীয় কর্মকর্তারা এ সভায় অংশ নেন।
২ দিন আগে
র্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে 'মরার ওপর খাঁড়ার ঘা' হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ বহন করা কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
২ দিন আগে
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ চাঙা করা এবং শিল্প খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শুরু হওয়া এ বৈঠককে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে নতুন এক সংলাপের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালু করা ‘বাংলা কিউআর’ দেশের সব মার্চেন্ট পয়েন্টে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে।
৩ দিন আগে