
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল পেমেন্ট সেবাদাতাদের ওপর বড় ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।
চিঠিতে জানানো হয়, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (সিআইআই), ব্যাংকিং খাত, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সাইবার হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আর্থিক খাতকে দ্রুত সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সতর্কতামূলক নির্দেশনাগুলো হলো—
১. সার্ভার, ডেটাবেইস ও আইটি সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করতে হবে।
২. অপ্রয়োজনীয় পোর্ট বন্ধ এবং অনুমতি-ভিত্তিক এক্সেস নিশ্চিত করতে হবে।
৩. সংরক্ষিত ডেটার গুরুত্ব অনুযায়ী নিয়মিত ব্যাকআপ রাখতে হবে এবং ৩-২-১ ব্যাকআপ কৌশল অনুসরণে উৎসাহিত করা হয়েছে।
৪. ডেটা স্থানান্তর, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণে এনক্রিপশন বাধ্যতামূলক।
৫. গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করতে হবে।
৬. নিরাপত্তা নজরদারি এবং সিকিউরিটি টুলস ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে।
৭. এন্ডপয়েন্ট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (ইডিআর), অ্যান্টিভাইরাস ইত্যাদি সফটওয়্যারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৮. সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখতে হবে।
৯. সন্দেহজনক লগইন বা ফাইল পরিবর্তনের ঘটনা মনিটর করে প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
১০. রিমোট এক্সেস, ভিপিএন ও প্রিভিলেজড অ্যাকাউন্টস নিয়মিত রিভিউ করতে হবে।
১১. সাইবার হামলার লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে জানাতে হবে।
১২. ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে হবে।
১৩. সিস্টেমের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে লোড ব্যালেন্সার স্থাপন ও বিকল্প পরিকল্পনা রাখতে হবে।
১৪. বিজনেস কনটিনিউটি ও ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান হালনাগাদ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো— যেকোনও সম্ভাব্য সাইবার হামলা প্রতিরোধ, ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সময়ক্ষেপণ না করে এখনই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল পেমেন্ট সেবাদাতাদের ওপর বড় ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।
চিঠিতে জানানো হয়, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (সিআইআই), ব্যাংকিং খাত, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সাইবার হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আর্থিক খাতকে দ্রুত সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সতর্কতামূলক নির্দেশনাগুলো হলো—
১. সার্ভার, ডেটাবেইস ও আইটি সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করতে হবে।
২. অপ্রয়োজনীয় পোর্ট বন্ধ এবং অনুমতি-ভিত্তিক এক্সেস নিশ্চিত করতে হবে।
৩. সংরক্ষিত ডেটার গুরুত্ব অনুযায়ী নিয়মিত ব্যাকআপ রাখতে হবে এবং ৩-২-১ ব্যাকআপ কৌশল অনুসরণে উৎসাহিত করা হয়েছে।
৪. ডেটা স্থানান্তর, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণে এনক্রিপশন বাধ্যতামূলক।
৫. গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করতে হবে।
৬. নিরাপত্তা নজরদারি এবং সিকিউরিটি টুলস ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে।
৭. এন্ডপয়েন্ট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (ইডিআর), অ্যান্টিভাইরাস ইত্যাদি সফটওয়্যারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৮. সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখতে হবে।
৯. সন্দেহজনক লগইন বা ফাইল পরিবর্তনের ঘটনা মনিটর করে প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
১০. রিমোট এক্সেস, ভিপিএন ও প্রিভিলেজড অ্যাকাউন্টস নিয়মিত রিভিউ করতে হবে।
১১. সাইবার হামলার লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত বাংলাদেশ ব্যাংকে জানাতে হবে।
১২. ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে হবে।
১৩. সিস্টেমের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে লোড ব্যালেন্সার স্থাপন ও বিকল্প পরিকল্পনা রাখতে হবে।
১৪. বিজনেস কনটিনিউটি ও ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান হালনাগাদ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো— যেকোনও সম্ভাব্য সাইবার হামলা প্রতিরোধ, ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সময়ক্ষেপণ না করে এখনই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

বৈঠকে দুই দেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করে।
২ দিন আগে
সংস্কারে ব্যর্থতার কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে- এমন খবরকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে নাকচ করেছে সরকার।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা সাড়ে ১২ হাজার টন। সেই হিসাবে, নতুন আসা এ ডিজেল দিয়ে ১২ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে।
৩ দিন আগে
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের ৭ দশমিক ১৫ শতাংশের তুলনায় অনেক কম। এ ছাড়া শিল্প খাতের ঋণের টাকা বর্তমানে ৫০ দশমিক ৪৬ শতাংশ অনাদায়ী এবং খেলাপি ঋণের হার ৩১ দশমিক ২ শতাং
৫ দিন আগে