
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাতে এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এ বৈঠকের আয়োজন করে। এতে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের মতামত ও বিভিন্ন সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, জ্বালানি সংকট, শিল্পখাতের বিভিন্ন সমস্যা, করনীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী নেতারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, করব্যবস্থার সংস্কার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের প্রতি বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন জানান, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও বেগবান করতে দেশের বন্দরগুলোতে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
হাসান শিপলু জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, তবে আমরা একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের অর্থনীতির বিদ্যমান সমস্যাগুলো সরকার যেমন উপলব্ধি করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও তা অনুধাবন করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং এ বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”
ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলেন, সেসবের অনেকগুলোরই সমাধান হয়েছে। আজকের বৈঠকেও নতুন করে বিভিন্ন সমস্যার কথা উঠে এসেছে এবং সেগুলো নিয়েও কাজ করা হবে।”
তিনি বলেন, “আমরা সবাই স্বীকার করছি যে, অনেক সমস্যা আছে। সরকার নিশ্চয়ই এতটুকু প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে যে, আমরা চেষ্টা করছি। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এর মধ্যেই আমরা কয়েকবার বসেছি। প্রথমবার আপনাদের সঙ্গেই বসেছিলাম, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। খাতভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যত বেশি বসতে পারব, তত বেশি আপনাদের সমস্যাগুলো জানতে পারব এবং সেগুলোর সমাধান করতে পারব।”
বৈঠকে জানানো হয়, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আগের বৈঠকে উত্থাপিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি সাতটি বিষয় এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ সময় ব্যবসায়ীরা ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার একটি রূপরেখাও প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
বৈঠকে অ্যাপেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল এবং ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইনসেপ্টা গ্রুপ, র্যাংকস গ্রুপ, ডিবিএল গ্রুপ, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ, এসিআই, বে ফুটওয়্যার, রানার গ্রুপ, ওয়াল্টন গ্রুপ ও যমুনা গ্রুপসহ দেশের বৃহৎ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাতে এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এ বৈঠকের আয়োজন করে। এতে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের মতামত ও বিভিন্ন সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, জ্বালানি সংকট, শিল্পখাতের বিভিন্ন সমস্যা, করনীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী নেতারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, করব্যবস্থার সংস্কার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের প্রতি বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মাহদী আমিন জানান, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও বেগবান করতে দেশের বন্দরগুলোতে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
হাসান শিপলু জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, তবে আমরা একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের অর্থনীতির বিদ্যমান সমস্যাগুলো সরকার যেমন উপলব্ধি করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও তা অনুধাবন করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং এ বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”
ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলেন, সেসবের অনেকগুলোরই সমাধান হয়েছে। আজকের বৈঠকেও নতুন করে বিভিন্ন সমস্যার কথা উঠে এসেছে এবং সেগুলো নিয়েও কাজ করা হবে।”
তিনি বলেন, “আমরা সবাই স্বীকার করছি যে, অনেক সমস্যা আছে। সরকার নিশ্চয়ই এতটুকু প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে যে, আমরা চেষ্টা করছি। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এর মধ্যেই আমরা কয়েকবার বসেছি। প্রথমবার আপনাদের সঙ্গেই বসেছিলাম, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। খাতভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যত বেশি বসতে পারব, তত বেশি আপনাদের সমস্যাগুলো জানতে পারব এবং সেগুলোর সমাধান করতে পারব।”
বৈঠকে জানানো হয়, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আগের বৈঠকে উত্থাপিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি সাতটি বিষয় এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ সময় ব্যবসায়ীরা ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার একটি রূপরেখাও প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
বৈঠকে অ্যাপেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল এবং ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইনসেপ্টা গ্রুপ, র্যাংকস গ্রুপ, ডিবিএল গ্রুপ, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ, এসিআই, বে ফুটওয়্যার, রানার গ্রুপ, ওয়াল্টন গ্রুপ ও যমুনা গ্রুপসহ দেশের বৃহৎ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম আগস্ট মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে। সে অনুযায়ী জুলাই মাসের মতো এ মাসেও প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকায় কিনতে পারবেন ভোক্তারা।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রীয় আচারে গণতান্ত্রিক চর্চার ঘাটতি, জনমিতিক সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) কাজে লাগাতে না পারা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবের কারণে দেশের অর্থনীতি এক জায়গায় আটকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।
৩ দিন আগে
সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
৩ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
৩ দিন আগে