
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেছেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান তিনি।
শুক্রবার দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
বাদ জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সকাল থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।
অন্যদিকে, তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নেতাকর্মীরা জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত হবে।
একই সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে বলেও দাবি তাদের।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে। তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেছেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান তিনি।
শুক্রবার দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
বাদ জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সকাল থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।
অন্যদিকে, তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নেতাকর্মীরা জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত হবে।
একই সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে বলেও দাবি তাদের।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি দলের কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনে তিনি নিয়মিত অফিসে আসতে চান। কিন্তু তার আগমন ঘিরেব মানুষের ভোগান্তি তৈরি করা যাবে না। তিনি বলেন, যদি আমাকে নিয়মিত পল্টন অফিসে দেখতে চান, তাহলে রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে। মানুষের চলাচলে কোনো প
৩ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান, নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকার ফলেই সংগঠন শক্তিশালী হয়েছে।’ এ সময় তিনি প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনকে ধন্যবাদ জানান।
৩ দিন আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, সেই একই অপশক্তি আজ ভিন্ন মোড়কে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।
৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমিও সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারের সন্তান। সশস্ত্র বাহিনীকে আমরা আরও শক্তিশালী করতে চাই। যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, আমরা সেই উদ্দেশ্যই পূর্ণ করতে চাই এবং আমরা যেন সকলে দেশের জন্য কাজ করতে পারি।
৫ দিন আগে