
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বে এককেন্দ্রিক আধিপত্য ও যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে সব রাষ্ট্রের সমঅধিকার, মর্যাদা ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সময় এসেছে বলে করছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। একই সঙ্গে বহুমুখী, শান্তিপূর্ণ ও সমতাভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন থেকে উদ্যোগ আরও জোরালো করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিপীড়িত জনগণ এবং পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পক্ষাবলম্বনের বিপুল সুযোগ রয়েছে।
সিপিবি নেতারা বলেন, বর্তমান এককেন্দ্রিক আধিপত্যমূলক বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তে বহুকেন্দ্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্রিকসের মতো উদ্যোগ সম্মিলিতভাবে আরও আন্তরিক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে কোনো ধরনের যুদ্ধমুখী সামরিক জোটে শামিল হওয়ার পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে ব্রিকসসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বহুপাক্ষিক উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে।
তারা বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট এবং সামরিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ, সামরিক প্রতিযোগিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্যিক বৈষম্য এবং পরাশক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করতে হচ্ছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতির দেশের জনগণকে। এই পরিস্থিতিতে উত্তর-উপনিবেশিক, উন্নয়নশীল ও উদীয়মান বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সিপিবি নেতৃদ্বয় বলেন, ব্রিকসকে এমন একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থের বিষয়ে সম্মিলিত অবস্থান গ্রহণ করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিজেদের আরও জোরদার ভূমিকা রাখতে পারে।
তারা বলেন, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এখনও তাদের জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের তুলনায় অপর্যাপ্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকতর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জোরদার করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ব্রিকস একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়কারী শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।
সিপিবি নেতারা আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারনির্ভরতা, একতরফা নিষেধাজ্ঞা এবং অসম বাণিজ্যব্যবস্থার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলো নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে জাতীয় মুদ্রায় বাণিজ্য, বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ জনগণের স্বার্থে আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে কোনো বিকল্প ব্যবস্থা যেন নতুন কোনো আধিপত্য বা শক্তিকেন্দ্রের জন্ম না দেয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি বলে মনে করেন সিপিবি নেতারা।
তারা বলেন, গাজা, ইরান, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ ও সামরিক সংঘাতে কোটি কোটি মানুষ ও মানবতা আজ বিপর্যস্ত। যুদ্ধ ও সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান, জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস দেশগুলোর আরও দৃঢ় ভূমিকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও সামরিক ব্যয় কমিয়ে খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও মানবিক উন্নয়নে সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
সিপিবি নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের জন্য ব্রিকসের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, শ্রমবাজার, খাদ্যনিরাপত্তা ও জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা বাড়ানো যেতে পারে। তারা বলেন, কোনো শক্তিকেন্দ্রের ওপর একচেটিয়া নির্ভরতা তৈরি না করে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।
নেতৃদ্বয় সরকারের প্রতি জাতীয় স্বার্থ, জনগণের স্বার্থ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং শান্তির পক্ষে একটি সুস্পষ্ট, ভারসাম্যপূর্ণ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের আহ্বান জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো সামরিক বা ভূরাজনৈতিক ব্লকের অংশ না হয়ে এবং কোনো পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশীদার না হয়ে বাংলাদেশকে নিজস্ব স্বার্থ ও অবস্থান থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে।
ব্রিকসের বর্তমান সদস্য দেশ ১১টি। দেশগুলো হলো— ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং ইন্দোনেশিয়া। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা। সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে প্রধানমন্ত্রী এতে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য নেই বলে গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিশ্বে এককেন্দ্রিক আধিপত্য ও যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে সব রাষ্ট্রের সমঅধিকার, মর্যাদা ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সময় এসেছে বলে করছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। একই সঙ্গে বহুমুখী, শান্তিপূর্ণ ও সমতাভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন থেকে উদ্যোগ আরও জোরালো করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিপীড়িত জনগণ এবং পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পক্ষাবলম্বনের বিপুল সুযোগ রয়েছে।
সিপিবি নেতারা বলেন, বর্তমান এককেন্দ্রিক আধিপত্যমূলক বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তে বহুকেন্দ্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্রিকসের মতো উদ্যোগ সম্মিলিতভাবে আরও আন্তরিক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে কোনো ধরনের যুদ্ধমুখী সামরিক জোটে শামিল হওয়ার পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে ব্রিকসসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বহুপাক্ষিক উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে।
তারা বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট এবং সামরিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ, সামরিক প্রতিযোগিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্যিক বৈষম্য এবং পরাশক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করতে হচ্ছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতির দেশের জনগণকে। এই পরিস্থিতিতে উত্তর-উপনিবেশিক, উন্নয়নশীল ও উদীয়মান বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সিপিবি নেতৃদ্বয় বলেন, ব্রিকসকে এমন একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থের বিষয়ে সম্মিলিত অবস্থান গ্রহণ করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিজেদের আরও জোরদার ভূমিকা রাখতে পারে।
তারা বলেন, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এখনও তাদের জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের তুলনায় অপর্যাপ্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকতর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জোরদার করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ব্রিকস একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়কারী শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।
সিপিবি নেতারা আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারনির্ভরতা, একতরফা নিষেধাজ্ঞা এবং অসম বাণিজ্যব্যবস্থার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলো নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে জাতীয় মুদ্রায় বাণিজ্য, বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, জ্বালানি, খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ জনগণের স্বার্থে আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে কোনো বিকল্প ব্যবস্থা যেন নতুন কোনো আধিপত্য বা শক্তিকেন্দ্রের জন্ম না দেয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি বলে মনে করেন সিপিবি নেতারা।
তারা বলেন, গাজা, ইরান, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ ও সামরিক সংঘাতে কোটি কোটি মানুষ ও মানবতা আজ বিপর্যস্ত। যুদ্ধ ও সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধান, জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস দেশগুলোর আরও দৃঢ় ভূমিকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও সামরিক ব্যয় কমিয়ে খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও মানবিক উন্নয়নে সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
সিপিবি নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের জন্য ব্রিকসের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, শ্রমবাজার, খাদ্যনিরাপত্তা ও জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা বাড়ানো যেতে পারে। তারা বলেন, কোনো শক্তিকেন্দ্রের ওপর একচেটিয়া নির্ভরতা তৈরি না করে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।
নেতৃদ্বয় সরকারের প্রতি জাতীয় স্বার্থ, জনগণের স্বার্থ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং শান্তির পক্ষে একটি সুস্পষ্ট, ভারসাম্যপূর্ণ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের আহ্বান জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো সামরিক বা ভূরাজনৈতিক ব্লকের অংশ না হয়ে এবং কোনো পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশীদার না হয়ে বাংলাদেশকে নিজস্ব স্বার্থ ও অবস্থান থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে।
ব্রিকসের বর্তমান সদস্য দেশ ১১টি। দেশগুলো হলো— ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং ইন্দোনেশিয়া। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা। সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে প্রধানমন্ত্রী এতে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য নেই বলে গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তিতুমীর বলেন, দেশে মোট গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফটি)। বর্তমানে সরবরাহ রয়েছে ২৬শ থেকে ২৭শ এমএমসিএফটি। এর মধ্যে ১৬শ এমএমসিএফটি আসে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার এমএমসিএফটি।
২ দিন আগে
দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের ইচ্ছা একই, তা হলো সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হিসেবে থাকা। আমরা সবসময় বলি, কেবল বর্ডার শেয়ার করি না, শেয়ার করি একই স্বপ্ন। দুটো দেশই স্বাধীন, সার্বভৌম ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’
২ দিন আগে
সাক্ষাতে সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
২ দিন আগে
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চ্যালেঞ্জগুলো একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত। ঐতিহাসিক ভাবমূর্তি সংকট দলটির আদর্শিক অবস্থানকে অস্পষ্ট করে তুলেছে। সে অস্পষ্টতা তাদের মাঠের রাজনীতিকেই কেবল নয়, জোটগত রাজনীতিকেও কঠিন করেছে। এর সূত্র ধরেই ভাঙনের মুখেও রয়েছে তাদের নেতৃত্বাধীন জোট।
২ দিন আগে