
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ড্রোন হামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান এ ঘটনায় ক্ষোভ ও ধিক্কারও প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে সই করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।
বিবৃতিতে হেফাজতের নেতৃদ্বয় বলেন, ‘পবিত্র মক্কা ও মদিনা শরিফ বিশ্বের শতকোটি মুসলিমের ঈমানি কেন্দ্রবিন্দু, হৃদয়ের স্পন্দন ও আস্থার সর্বোচ্চ প্রতীক। মক্কা মুকাররমা ও বায়তুল্লাহর পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কাছে জীবনের চেয়েও মূল্যবান দায়িত্ব। পবিত্র হারামাইন শরিফাইনের সীমানাকে সামরিক সংঘাতের লক্ষ্যবস্তু বানানোর যেকোনো দুঃসাহস ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে চরম উসকানিমূলক পদক্ষেপ এবং এটি সহ্যসীমার চূড়ান্ত লঙ্ঘন।’
নেতৃদ্বয় জোর দিয়ে বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি কিংবা সামরিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে কাবা শরিফ ও পবিত্র মক্কা নগরীকে টেনে আনা এক জঘন্য অপরাধ, যা বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে তীব্র আঘাত হেনেছে। এ ধরনের ধৃষ্টতাপূর্ণ অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। পবিত্র ভূমির মর্যাদা রক্ষায় এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মুসলিম বিশ্বকে অবিলম্বে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
তারা ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ইয়েমেনসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের স্থায়ী অবসানে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি পবিত্র ভূমির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।’
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় পবিত্র মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার স্বার্থে সৌদি আরবের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে পবিত্র ভূমি রক্ষায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও সজাগ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরী লক্ষ্য করে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ড্রোন হামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান এ ঘটনায় ক্ষোভ ও ধিক্কারও প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে সই করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।
বিবৃতিতে হেফাজতের নেতৃদ্বয় বলেন, ‘পবিত্র মক্কা ও মদিনা শরিফ বিশ্বের শতকোটি মুসলিমের ঈমানি কেন্দ্রবিন্দু, হৃদয়ের স্পন্দন ও আস্থার সর্বোচ্চ প্রতীক। মক্কা মুকাররমা ও বায়তুল্লাহর পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কাছে জীবনের চেয়েও মূল্যবান দায়িত্ব। পবিত্র হারামাইন শরিফাইনের সীমানাকে সামরিক সংঘাতের লক্ষ্যবস্তু বানানোর যেকোনো দুঃসাহস ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে চরম উসকানিমূলক পদক্ষেপ এবং এটি সহ্যসীমার চূড়ান্ত লঙ্ঘন।’
নেতৃদ্বয় জোর দিয়ে বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি কিংবা সামরিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে কাবা শরিফ ও পবিত্র মক্কা নগরীকে টেনে আনা এক জঘন্য অপরাধ, যা বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে তীব্র আঘাত হেনেছে। এ ধরনের ধৃষ্টতাপূর্ণ অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। পবিত্র ভূমির মর্যাদা রক্ষায় এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মুসলিম বিশ্বকে অবিলম্বে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
তারা ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ইয়েমেনসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের স্থায়ী অবসানে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি পবিত্র ভূমির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।’
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় পবিত্র মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার স্বার্থে সৌদি আরবের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে পবিত্র ভূমি রক্ষায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও সজাগ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

দলটি বলেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৯৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক বিএসএফের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে বিএসএফ কর্তৃক ‘বিচারবহির্ভূতভাবে অব্যাহত সীমান্ত হত্যাকাণ্ড’ গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল বলেও উল্লেখ করেছে সিপিবি।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক রূপরেখা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটনে সহযোগিতার ওপর আলোচনায় জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়
৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। এ সময় সাইফুল হকের সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী উপস্থিত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি খাতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, গ্যাস-সংকটের স্থায়ী সমাধানে মধ্যমেয়াদে সারা দেশে ১৫০টি নতুন কূপ খননের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরবর্তী ধাপে আরও ১৫০টি কূপ খননের কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে এলএনজির সক্ষমতা বাড়াতে বিদ্যমান দুটি টার্মিনালের সঙ্গে আরও তিনটি টার্মিনাল যুক্ত করার পরিকল্পন
১ দিন আগে