
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাচ্যুত সাবেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে সরকার। একই সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয় বৈঠকে। বলা হয়, বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব থাকবে। তবে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৈঠকে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। আলোচনায় বলা হয়, অতীতে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় গুরুতর পদ্ধতিগত দুর্বলতা ছিল। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই কর্মী পাঠানোর কারণে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যা এখন মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে প্রবাসী কর্মীদের তথ্য ও নথিপত্র যথাযথভাবে সত্যায়ন বা ‘অথেন্টিকেশন’ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।
যাচাই করা ও উপযুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা আরও জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো ‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
সম্ভাব্য অভিবাসীদের দালাল ও অননুমোদিত মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রতারণা থেকে রক্ষায় তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং এর সমাধানে অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। সংকটের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে আগামী অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আশা প্রকাশ করেছে কমিটি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, মো. আমানউল্লাহ আমান, এস কে আজিজুল বারী, এ বি এম মোশাররফ হোসেন এবং সানজিদা ইসলাম অংশ নেন। কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাসস।

ক্ষমতাচ্যুত সাবেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে সরকার। একই সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয় বৈঠকে। বলা হয়, বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব থাকবে। তবে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৈঠকে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। আলোচনায় বলা হয়, অতীতে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় গুরুতর পদ্ধতিগত দুর্বলতা ছিল। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই কর্মী পাঠানোর কারণে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যা এখন মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে প্রবাসী কর্মীদের তথ্য ও নথিপত্র যথাযথভাবে সত্যায়ন বা ‘অথেন্টিকেশন’ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।
যাচাই করা ও উপযুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা আরও জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো ‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
সম্ভাব্য অভিবাসীদের দালাল ও অননুমোদিত মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রতারণা থেকে রক্ষায় তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং এর সমাধানে অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। সংকটের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে আগামী অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আশা প্রকাশ করেছে কমিটি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, মো. আমানউল্লাহ আমান, এস কে আজিজুল বারী, এ বি এম মোশাররফ হোসেন এবং সানজিদা ইসলাম অংশ নেন। কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাসস।

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক রূপরেখা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটনে সহযোগিতার ওপর আলোচনায় জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়
৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। এ সময় সাইফুল হকের সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী উপস্থিত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় পবিত্র মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার স্বার্থে সৌদি আরবের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে পবিত্র ভূমি রক্ষায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও সজাগ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি খাতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, গ্যাস-সংকটের স্থায়ী সমাধানে মধ্যমেয়াদে সারা দেশে ১৫০টি নতুন কূপ খননের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরবর্তী ধাপে আরও ১৫০টি কূপ খননের কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে এলএনজির সক্ষমতা বাড়াতে বিদ্যমান দুটি টার্মিনালের সঙ্গে আরও তিনটি টার্মিনাল যুক্ত করার পরিকল্পন
১ দিন আগে