
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সঙ্গে না রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করলে বিএনপি সহযোগিতা করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, নাসীরুদ্দীনকে নিয়ে বিভিন্ন জেলায় উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপি যদি বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে কর্মসূচি পালন করতে চায়, তাহলে বিএনপির পক্ষ থেকে সহযোগিতা থাকবে। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বাদ দিয়ে দেশের যেকোনো স্থানে কর্মসূচি করলে সেই সহযোগিতা আরও সহজ হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জেলায় সফরকালে এনসিপির নেতারা, বিশেষ করে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। তার ভাষ্য, ঝিনাইদহের মানুষ এ ধরনের বক্তব্য মেনে নেবে না।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে স্থানীয় জনগণের প্রতিক্রিয়া হওয়াই স্বাভাবিক। তাই এনসিপির প্রতি তাঁর আহ্বান, নাসীরুদ্দীনকে বাদ রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করা হোক।
একই অনুষ্ঠানে তিনি ঝিনাইদহের উন্নয়ন প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তার দাবি, জেলার কৃতী সন্তান আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান শুধু নিজের নির্বাচনী এলাকা নয়, পুরো জেলার উন্নয়নে কাজ করছেন। পাশাপাশি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়ও তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহনশীল ও বিনয়ী নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোরও তাঁর রাজনৈতিক আচরণ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সঙ্গে না রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করলে বিএনপি সহযোগিতা করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, নাসীরুদ্দীনকে নিয়ে বিভিন্ন জেলায় উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপি যদি বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে কর্মসূচি পালন করতে চায়, তাহলে বিএনপির পক্ষ থেকে সহযোগিতা থাকবে। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বাদ দিয়ে দেশের যেকোনো স্থানে কর্মসূচি করলে সেই সহযোগিতা আরও সহজ হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জেলায় সফরকালে এনসিপির নেতারা, বিশেষ করে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। তার ভাষ্য, ঝিনাইদহের মানুষ এ ধরনের বক্তব্য মেনে নেবে না।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে স্থানীয় জনগণের প্রতিক্রিয়া হওয়াই স্বাভাবিক। তাই এনসিপির প্রতি তাঁর আহ্বান, নাসীরুদ্দীনকে বাদ রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করা হোক।
একই অনুষ্ঠানে তিনি ঝিনাইদহের উন্নয়ন প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তার দাবি, জেলার কৃতী সন্তান আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান শুধু নিজের নির্বাচনী এলাকা নয়, পুরো জেলার উন্নয়নে কাজ করছেন। পাশাপাশি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়ও তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহনশীল ও বিনয়ী নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোরও তাঁর রাজনৈতিক আচরণ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকের পর সার্জিও গর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, বাংলাদেশে আমার প্রথম সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করে আমি আনন্দিত। অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
১ দিন আগে
সিলেটের গোলাপগঞ্জে সারজিস আলমের গাড়িতে হামলার ঘটনায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘সরকার যদি সন্ত্রাসের পথে হাঁটে, তাহলে জনগণ প্রতিরোধের পথে হাঁটবে। আমরা এখন গোলাপগঞ্জ যাব। সেখানে আমরা দাঁড়াব, দেখব কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের, তারা আমাদের কতটুকু প্রতিরোধ করতে পারে করবে।
১ দিন আগে
চিকিৎসাধীন আলিফকে দেখতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়ার পর হাসপাতালের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপি নেতারা।
১ দিন আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের একক মালিকানা জামায়াত কখনো দাবি করেনি। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের কাঠামোর পরিবর্তনের জন্যই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। একদলকে তাড়িয়ে অন্য দলকে আনার জন্য নয়।’
১ দিন আগে