
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ বাইপাস এলাকার পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে শফিকুর রহমান বলেন, ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের রায় কেন মানা হয়নি এবং ১ হাজার ৪০০ শহীদের সঙ্গে কেন বেইমানি করা হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করারও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, অনির্বাচিত কাউকে কোথাও না বসানোর কথা বলা হলেও বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক বসানো হয়েছে এবং সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি।
গ্যাস, বিদ্যুৎ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ যা চেয়েছিল সরকার তা দিতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘জনগণের জন্য ৮ দফা বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১ দফা ঘোষণা করার প্রয়োজন হতে পারে।’ একই সঙ্গে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে ভবিষ্যতে লং মার্চের ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান তিনি। আন্দোলনে মা-বোনদের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে সবাইকে ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা চেয়েছিলেন ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে এবং সংসদে সবকিছুর ফয়সালা হবে। তাঁর দাবি, সরকার গণভোটের গণরায় অস্বীকার করে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছে। ‘৭০ ভাগ জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটা আমরা আদায় করে ছাড়ব, ইনশা আল্লাহ। এর আগে আমরা থামব না। এ লড়াই চলবে। বাংলাদেশ বদলাবে,’ বলেন তিনি। জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে।
পথসভায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে এবং সামনে কঠিন সংগ্রাম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানীর উত্তরসূরি। আমাদের দিল্লির আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’ এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগের মাধ্যমে সরকার ও প্রশাসন পরিচালনা করে দেশ চালানো সম্ভব নয় এবং সরকারকে এক দফার আন্দোলনের দিকে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, লং মার্চ প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মানুষ অধিকার আদায় করতে জানে। এনসিপির সরোয়ার তুষার বলেন, ‘আগের মতো খাম্বাগিরি চলবে না। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ দিতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দে হ্যাভ নো প্ল্যান।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির আল্লামা মুফতি মোখলেসুর রহমান কাসেমী ও জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান।
শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চ শুরু হয়। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ বাইপাস এলাকার পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে শফিকুর রহমান বলেন, ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের রায় কেন মানা হয়নি এবং ১ হাজার ৪০০ শহীদের সঙ্গে কেন বেইমানি করা হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করারও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, অনির্বাচিত কাউকে কোথাও না বসানোর কথা বলা হলেও বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক বসানো হয়েছে এবং সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি।
গ্যাস, বিদ্যুৎ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ যা চেয়েছিল সরকার তা দিতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘জনগণের জন্য ৮ দফা বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১ দফা ঘোষণা করার প্রয়োজন হতে পারে।’ একই সঙ্গে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে ভবিষ্যতে লং মার্চের ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান তিনি। আন্দোলনে মা-বোনদের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে সবাইকে ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা চেয়েছিলেন ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে এবং সংসদে সবকিছুর ফয়সালা হবে। তাঁর দাবি, সরকার গণভোটের গণরায় অস্বীকার করে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছে। ‘৭০ ভাগ জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটা আমরা আদায় করে ছাড়ব, ইনশা আল্লাহ। এর আগে আমরা থামব না। এ লড়াই চলবে। বাংলাদেশ বদলাবে,’ বলেন তিনি। জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে।
পথসভায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে এবং সামনে কঠিন সংগ্রাম রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানীর উত্তরসূরি। আমাদের দিল্লির আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’ এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগের মাধ্যমে সরকার ও প্রশাসন পরিচালনা করে দেশ চালানো সম্ভব নয় এবং সরকারকে এক দফার আন্দোলনের দিকে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, লং মার্চ প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মানুষ অধিকার আদায় করতে জানে। এনসিপির সরোয়ার তুষার বলেন, ‘আগের মতো খাম্বাগিরি চলবে না। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ দিতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দে হ্যাভ নো প্ল্যান।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির আল্লামা মুফতি মোখলেসুর রহমান কাসেমী ও জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান।
শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চ শুরু হয়। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
১ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
১ দিন আগে
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সে সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আবদুর রাজ্জাকের মূল্যায়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে তার অবস্থান এবং জাতির কাছে দেওয়া বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তার সেই অবস্থান আরও আগে স্পষ্টভাবে সামনে এলে এ বিষয়ে অনেক প্রশ্নের অবসান হতে পারত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
১ দিন আগে