
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার এগিয়ে নিতে এই ঐক্যের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় তিন নেতার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে বিশেষ অবস্থান নিয়েছে, যা নির্বাচনের পরিবেশ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পক্ষে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট চান নাহিদ ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের মানুষের মনের কথা, স্বপ্ন এবং ঢাকা-৮ এলাকার বাসিন্দাদের কষ্ট, দুঃখ ও দুর্দশার কথা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাহসের সঙ্গে তুলে ধরছেন। তিনি এই এলাকার দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন এবং নতুন মাফিয়া ও তথাকথিত জমিদারদের বিরুদ্ধে ১০ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছেন।'
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আন্দোলনের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, 'এই জনপদের সবকিছুর সঙ্গেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জড়িত। তাই এখান থেকেই পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে আমাদের নির্বাচনি যাত্রা শুরু করেছি।'
এবারের নির্বাচনকে ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী আজাদীর যাত্রা’ উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই যাত্রার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হলো ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা। নির্বাচনের আগেই হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার এগিয়ে নিতে এই ঐক্যের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় তিন নেতার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে বিশেষ অবস্থান নিয়েছে, যা নির্বাচনের পরিবেশ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পক্ষে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট চান নাহিদ ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের মানুষের মনের কথা, স্বপ্ন এবং ঢাকা-৮ এলাকার বাসিন্দাদের কষ্ট, দুঃখ ও দুর্দশার কথা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাহসের সঙ্গে তুলে ধরছেন। তিনি এই এলাকার দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন এবং নতুন মাফিয়া ও তথাকথিত জমিদারদের বিরুদ্ধে ১০ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছেন।'
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আন্দোলনের কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, 'এই জনপদের সবকিছুর সঙ্গেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জড়িত। তাই এখান থেকেই পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে আমাদের নির্বাচনি যাত্রা শুরু করেছি।'
এবারের নির্বাচনকে ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী আজাদীর যাত্রা’ উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই যাত্রার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হলো ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা। নির্বাচনের আগেই হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সুন্দর কথা বলছে। তবে বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখানো হচ্ছে। আসলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। এই বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো লাগবে, কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই।
৩ দিন আগে
প্রখ্যাত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার ও অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৫ দিন আগে