
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যেই বড় খবর দিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। ভোটের মাত্র ৭২ ঘণ্টা আগে ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মূলত বিশাল নির্বাচনী এলাকার ব্যয়ভার মেটাতে হিমশিম খাওয়ার কারণ দেখিয়েই তিনি এই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঢাকার মাঠ ছাড়লেও নিজের জন্মভূমি বগুড়া-২ আসনে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে থাকছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ফেসবুক পোস্টে মান্না উল্লেখ করেন, তিনি বর্তমানে বগুড়ায় অবস্থান করছেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২—এই দুটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ঢাকা-১৮ আসনটি আকারে বড় এবং ভোটারের সংখ্যা বিপুল হওয়ায় সেখানে নির্বাচনী ব্যয় বহন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই ওই আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা, যেখানে সাড়ে সাতটি থানা এবং প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার রয়েছে। নির্বাচনী ব্যয় অত্যন্ত বেশি হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তার এই সিদ্ধান্তে কেউ কষ্ট পেলে সে জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৮ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র শুরু থেকেই বৈধ ছিল। রাজধানীর উত্তরা, খিলক্ষেত, কুড়িল, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আরিফুল ইসলাম নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।
এদিকে, মান্না বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে এখনো প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। যদিও প্রথমদিকে ঋণখেলাপির অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছিল, তবে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। শুরুতে বিএনপি এই আসনে মান্নাকে সমর্থনের ঘোষণা দিলেও পরে নিজেদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয়। বগুড়া-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যেই বড় খবর দিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। ভোটের মাত্র ৭২ ঘণ্টা আগে ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী লড়াই থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মূলত বিশাল নির্বাচনী এলাকার ব্যয়ভার মেটাতে হিমশিম খাওয়ার কারণ দেখিয়েই তিনি এই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঢাকার মাঠ ছাড়লেও নিজের জন্মভূমি বগুড়া-২ আসনে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে থাকছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ফেসবুক পোস্টে মান্না উল্লেখ করেন, তিনি বর্তমানে বগুড়ায় অবস্থান করছেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২—এই দুটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ঢাকা-১৮ আসনটি আকারে বড় এবং ভোটারের সংখ্যা বিপুল হওয়ায় সেখানে নির্বাচনী ব্যয় বহন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই ওই আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা, যেখানে সাড়ে সাতটি থানা এবং প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার রয়েছে। নির্বাচনী ব্যয় অত্যন্ত বেশি হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তার এই সিদ্ধান্তে কেউ কষ্ট পেলে সে জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৮ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র শুরু থেকেই বৈধ ছিল। রাজধানীর উত্তরা, খিলক্ষেত, কুড়িল, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আরিফুল ইসলাম নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।
এদিকে, মান্না বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে এখনো প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। যদিও প্রথমদিকে ঋণখেলাপির অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছিল, তবে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। শুরুতে বিএনপি এই আসনে মান্নাকে সমর্থনের ঘোষণা দিলেও পরে নিজেদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয়। বগুড়া-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ফেসবুক ব্যবহারকারী সাদিকুর রহমান খান এক পোস্টে লেখেন, ‘আজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ডাকা বিক্ষোভে পাটওয়ারী নিজেই সবার আগে হাজির হয়ে বসেছিল।’ তার ওই মন্তব্য নিয়েও অনলাইনে আলোচনা চলছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এই পথসভায় দেশের মানুষের জন্য একগুচ্ছ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এছাড়া কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তনের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হ
১৩ ঘণ্টা আগে
ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আমানুল্লাহ আমান (মাস্টার), নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য মো. ইশতিয়াক আহমেদ হিরা, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সদস্য সরদার আফজাল হোসেন, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ৮ নম্ব
১৫ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য নোয়াখালী জেলাধীন সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মাসুদ, সদস্য মোহাম্মদ নুরুল আমিন স্বপন, সাখাওয়াত হোসেন সাকু, অম্বরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. শাহজালাল, মৌলভীবাজার জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি হেলেনা চৌধুরী, ম
১৫ ঘণ্টা আগে