
ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালে লেখা পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গত ২১ এপ্রিল ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে ইবি ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন ওমর ফারুক।
তিনি আরও বলেন, ‘গুপ্ত শিবির ভাইদেরকে বলতে চাই, আপনারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে এসে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতায় আছি। কিন্তু সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে, নারীদের নিয়ে, তারেক রহমানের পরিবারকে নিয়ে যদি নোংরামি করেন, তাহলে ইবিতে অস্তিত্ব থাকবে না।’
এ সময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদেরকে ‘শিক্ষা-গুপ্ত, একসঙ্গে চলে না’, ‘গুপ্তদের ঠিকানা, ইবি ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘জামায়াত-শিবির গুপ্ত রাজনীতি চলবে না’, ‘একটা একটা গুপ্ত ধর, ধরে ধরে ধোলাই কর’, ‘আমাদের ক্যাম্পাস, আমরাই গড়ব’ এবং ‘ছাত্রদলের অঙ্গীকার, নিরাপদ ক্যাম্পাস’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর যখন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছিল, তখন এই জামায়াত-শিবির গুপ্ত রাজনীতি করে ওই ছাত্রলীগ, ওই ফ্যাসিবাদের দোসর ছিল। গুপ্ত লোকজন বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল তৈরি করার জন্য আজকে যে মব সৃষ্টি করছে, সারা বাংলাদেশে যে হামলা চালাচ্ছে, এই ক্যাম্পাসে ওই গুপ্ত রাজনীতির কোনও ধারক-বাহক যদি মিছিল করতে চায়, মব সৃষ্টি করতে চায়, কারো ওপরে হামলা করতে চায়-তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে ইবি ছাত্রদল।’
এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, ‘বর্তমান গুপ্ত বাহিনীকে সেই ১৪-১৫ সালের পরে শুধু ইবিতেই না, বরং সারা বাংলাদেশে কোথাও পাইনি। পরে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নামে বিভিন্নভাবে হল দখলের চেষ্টা করছে, নামে-বেনামে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠন গড়ে তুলেছে। সবই একই গুপ্ত, এই গুপ্তদের প্রতিরোধ আমরা করব। আজকে থেকে আমরা এই গুপ্ত আইডির বিরুদ্ধে এবং যারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করবে, যারা আমাদের ছাত্রদলের নেত্রীবৃন্দকে নিয়ে কটূক্তি করবে, তাদের শায়েস্তা করব। কোনো শক্তি নেই তাদের বাঁচাবে।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালে লেখা পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গত ২১ এপ্রিল ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে ইবি ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন ওমর ফারুক।
তিনি আরও বলেন, ‘গুপ্ত শিবির ভাইদেরকে বলতে চাই, আপনারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে এসে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করুন। আমরা আপনাদের সহযোগিতায় আছি। কিন্তু সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে, নারীদের নিয়ে, তারেক রহমানের পরিবারকে নিয়ে যদি নোংরামি করেন, তাহলে ইবিতে অস্তিত্ব থাকবে না।’
এ সময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদেরকে ‘শিক্ষা-গুপ্ত, একসঙ্গে চলে না’, ‘গুপ্তদের ঠিকানা, ইবি ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘জামায়াত-শিবির গুপ্ত রাজনীতি চলবে না’, ‘একটা একটা গুপ্ত ধর, ধরে ধরে ধোলাই কর’, ‘আমাদের ক্যাম্পাস, আমরাই গড়ব’ এবং ‘ছাত্রদলের অঙ্গীকার, নিরাপদ ক্যাম্পাস’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর যখন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছিল, তখন এই জামায়াত-শিবির গুপ্ত রাজনীতি করে ওই ছাত্রলীগ, ওই ফ্যাসিবাদের দোসর ছিল। গুপ্ত লোকজন বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল তৈরি করার জন্য আজকে যে মব সৃষ্টি করছে, সারা বাংলাদেশে যে হামলা চালাচ্ছে, এই ক্যাম্পাসে ওই গুপ্ত রাজনীতির কোনও ধারক-বাহক যদি মিছিল করতে চায়, মব সৃষ্টি করতে চায়, কারো ওপরে হামলা করতে চায়-তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে ইবি ছাত্রদল।’
এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, ‘বর্তমান গুপ্ত বাহিনীকে সেই ১৪-১৫ সালের পরে শুধু ইবিতেই না, বরং সারা বাংলাদেশে কোথাও পাইনি। পরে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নামে বিভিন্নভাবে হল দখলের চেষ্টা করছে, নামে-বেনামে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠন গড়ে তুলেছে। সবই একই গুপ্ত, এই গুপ্তদের প্রতিরোধ আমরা করব। আজকে থেকে আমরা এই গুপ্ত আইডির বিরুদ্ধে এবং যারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করবে, যারা আমাদের ছাত্রদলের নেত্রীবৃন্দকে নিয়ে কটূক্তি করবে, তাদের শায়েস্তা করব। কোনো শক্তি নেই তাদের বাঁচাবে।’

বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৩ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৩ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৪ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৪ দিন আগে