এক ব্যক্তির ‘আ.লীগপন্থি’ নেটওয়ার্ক, ১৬ মাসে ছড়িয়েছে ৩০০ ভুয়া খবর: অ্যানথ্রপিক

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ২২
এআই ক্লড ব্যবহার করে একই ব্যক্তির আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রায় এক বছরে ৩০০ ভুয়া খবর তৈরি ও প্রচারের ঘটনা জানিয়েছে অ্যানথ্রপিক। প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধা থেকে প্রায় এক বছর ধরে পরিচালিত একটি ভুয়া সংবাদ নেটওয়ার্ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ব্যাপক হারে বাংলা ভাষায় মিথ্যা সংবাদ তৈরি ও প্রচার করেছে। মার্কিন এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, তাদের এআই চ্যাটবট ক্লডের ২৯টি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের পক্ষে ও দলটির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে এসব কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে। আর এই কাজটি করেছেন মাত্র একজন ব্যক্তি।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য প্রিন্টের খবরে বলা হয়েছে, অ্যানথ্রপিকের বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘ডিটেক্টিং অ্যান্ড কাউন্টারিং মিসেইউজ অব এআই: সেপ্টেম্বর ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের পক্ষে এই অনলাইন ক্যাম্পেইনের তথ্য উঠে এসেছে। এই কার্যক্রমকে অ্যানথ্রপিক শনাক্ত করেছে ‘জিটিজি-৫৪০০৬’ নামে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নেটওয়ার্কটি আওয়ামী লীগের পক্ষে নানা ধরনের কনটেন্ট প্রচারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ দলটির প্রতিদ্বন্দ্বীদের আক্রমণ করেও মিথ্যা খবর তৈরি করত।

নেটওয়ার্কটির তৈরি কিছু কনটেন্ট ‘প্রো-ইন্ডিয়ান ভূরাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’ ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ১৫৪ পৃষ্ঠার পুরো প্রতিবেদনে ভারতের প্রসঙ্গ সরাসরি এসেছে এটিই একমাত্র জায়গায়। অ্যানথ্রপিক স্পষ্ট করে বলেছে, এ কার্যক্রমের পেছনে কোনো রাষ্ট্রের নির্দেশনা বা অর্থায়নের প্রমাণ তারা পায়নি। ভারতীয় কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা প্ল্যাটফর্মকেও প্রতিবেদনে জড়ানো হয়নি।

২৯ অ্যাকাউন্ট চালাতেন একজন

অ্যানথ্রপিকের তদন্ত অনুযায়ী, গাইবান্ধা জেলার একজন ২৯ বছর বয়সী ব্যক্তি প্রায় ১৬ মাস ধরে ২৯টি ক্লড অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এই কার্যক্রম চালান। প্ল্যাটফর্মের নির্ধারিত ব্যবহারের সীমা এড়িয়ে যাওয়া এবং নিজের কার্যক্রম গোপন রাখার জন্য একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল।

ওই ব্যক্তি ‘fake_news_3.py’ নামে একটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করতেন। প্রতিবার এই প্রোগ্রাম চালানোর মাধ্যমে তৈরি করা হতো ১৫টি শিরোনাম, তিনটি সম্পূর্ণ বানোয়াট সংবাদ এবং ১৫টি ছবির জন্য প্রম্পট।

অ্যানথ্রপিকের হিসাব অনুযায়ী, এই পদ্ধতিতে অন্তত দেড় হাজার শিরোনাম, ৩০০টি ভুয়া সংবাদ এবং দেড় হাজার ইমেজ প্রম্পট তৈরি করা হয়।

ক্লড নিজে ছবি তৈরি করে না। ফলে অ্যানথ্রপিকের ধারণা, তৈরি করা ইমেজ প্রম্পটগুলো অন্য এআই সিস্টেমে পাঠিয়ে ভুয়া সংবাদের সঙ্গে ব্যবহারের জন্য ছবি বানানো হতো।

এরপর এসব কনটেন্ট ফেসবুক লাইভ, ইউটিউব ও টিকটকের ভিডিও স্ট্রিমে ব্যবহার করা হতো। মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামাঞ্চলের আওয়ামী লীগ সমর্থক ও তুলনামূলক কম সাক্ষর জনগোষ্ঠী।

এদিকে আরেকটি স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের সময়সূচি এক মাস আগেই নির্ধারণ করা হতো। থার্ড-পার্টি একটি সার্ভিসের মাধ্যমে ভিডিও আপলোড করা হতো, যেন অপারেটরের অবস্থান আড়াল করা যায়।

অ্যানথ্রপিক বলেছে, ওই ব্যক্তি নিজেও জানতেন যে তিনি যে সংবাদ তৈরি করছেন সেগুলো মিথ্যা। তার নিজের নোট থেকে তদন্তকারীরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘no one knows the news is fake’— অর্থাৎ ‘কেউ জানে না খবরটি ভুয়া’।

কনটেন্টের ভাষাও নির্ধারণ করা হয়েছিল খুব সচেতনভাবে। অ্যানথ্রপিকের ভাষায়, সেগুলোকে ‘হট অ্যান্ড অ্যাগ্রেসিভ’ বা উত্তেজক ও আক্রমণাত্মক করে লেখা হতো এবং এমনভাবে তৈরি করা হতো, যেন ‘গ্রামের মানুষও বুঝতে পারে’। অর্থাৎ দর্শক এসবকে সত্যিকারের সংবাদ হিসেবে বিশ্বাস করবে— এমন লক্ষ্যেই কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছিল।

কী ধরনের মিথ্যা খবর ছড়ানো হতো

অ্যানথ্রপিকের প্রতিবেদনে নেটওয়ার্কটির প্রচার করা কয়েকটি প্রধান বয়ানও তুলে ধরা হয়েছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক কমিটিকে নিয়ে এমন মিথ্যা খবর তৈরি করা হতো, যেখানে তাদের তালেবান-ধাঁচের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা বলা হতো এবং নিরাপত্তা বাহিনীতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ তোলা হতো।

এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে এবং ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্রের গল্প বানানো হতো। ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে গোপন আঁতাত এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও বানোয়াট খবর তৈরি করা হয়েছে।

এসব ভিডিও বাংলাদেশকেন্দ্রিক একাধিক চ্যানেলের মাধ্যমে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকে ছড়ানো হয়েছে। তবে নেটওয়ার্কটি পরিচালিত সব অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে অ্যানথ্রপিক। একই সঙ্গে এসব কনটেন্ট ওই সীমিত নেটওয়ার্কের বাইরে বড় কোনো দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছেছিল— এমন প্রমাণও তারা পায়নি।

অ্যানথ্রপিক তাদের ‘ব্রেকআউট স্কেলে’ এই কার্যক্রমকে ‘ক্যাটাগরি থ্রি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।

কেন আওয়ামী লীগকে ঘিরে এই প্রচার

অ্যানথ্রপিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটি সক্রিয় থাকার পুরো সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে ছিল। ফলে এই কার্যক্রম কোনো ক্ষমতাসীন সরকারের হয়ে নয়, বরং একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের পক্ষে পরিচালিত হচ্ছিল।

বাংলাদেশে শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে আওয়ামী লীগ ছিল ভারতের প্রধান রাজনৈতিক অংশীদার। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন এবং এরপর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন।

অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন।

এরপর ঢাকা শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানায়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণের অনুরোধ তারা পর্যালোচনা করছে।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই অ্যানথ্রপিকের তদন্তে বাংলাদেশের ওই ভুয়া সংবাদ নেটওয়ার্কের কিছু বয়ানের সঙ্গে ভারপন্থি ভূরাজনৈতিক স্বার্থের মিল পাওয়া যায়। তবে প্রতিবেদনে ভারতের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো অভিযোগ করা হয়নি। কোনো ভারতীয় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রীয় সংস্থা এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা বা অর্থায়ন করেছে— এমন প্রমাণও অ্যানথ্রপিক পায়নি।

এআই কীভাবে বদলে দিচ্ছে অপপ্রচার

বাংলাদেশের ঘটনাটি অ্যানথ্রপিকের সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে নথিবদ্ধ এআই অপব্যবহারের সাতটি ক্ষেত্রের একটি— সাইবার অভিযান, প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণা, নজরদারি, অস্ত্র উন্নয়ন, জীববৈজ্ঞানিক অপব্যবহার, প্রতারণা এবং এআই মডেল চুরির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারেও এআই ব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে এটি তুলে ধরা হয়েছে।

অ্যানথ্রপিক বলেছে, ভুয়া সংবাদ তৈরির ঘটনাগুলো তাদের কাছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অপব্যবহারের উদাহরণগুলোর মধ্যে রয়েছে। এসব ঘটনায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্দেহভাজন গোষ্ঠী, অপরাধী, স্পাইওয়্যার বিক্রেতা, প্রচারযন্ত্র এবং ব্যক্তিগত অপারেটর— সব ধরনের ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষায়, ‘সফিস্টিকেটেড অ্যাটাকে’র জন্য এখন আর ‘সফিস্টিকেটেড অ্যাটাকার’ প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ আগে যে ধরনের প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণা পরিচালনায় বড় একটি দল, দক্ষ লেখক, ডিজাইনার, ভিডিও নির্মাতা ও প্রযুক্তিবিদ প্রয়োজন হতো, এআই সেই ব্যবধান অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশের ঘটনাটিও তার একটি উদাহরণ, যেখানে একজন ব্যক্তি একাই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক কনটেন্ট তৈরি, ছবি তৈরির নির্দেশনা দেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রচারের একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন।

অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, এই কার্যক্রমে ক্লডের ‘হাইকু, সনেট ও ওপাস’ মডেল ব্যবহার করা হয়েছিল। তাদের ‘ফ্যাবল’ বা ‘মিথোস’ সিস্টেম এতে ব্যবহৃত হয়নি; শুধু একটি আলাদা ঘটনায় মডেল চুরির সঙ্গে মিথোসের সম্পৃক্ততা ছিল।

অ্যানথ্রপিক তদন্তের পর ২৯টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে, ওই নেটওয়ার্কের আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করার জন্য নতুন ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে তথ্য ও শনাক্তকারী সূচক শেয়ার করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, নিজেদের সেবার অপব্যবহারের ঘটনাগুলো প্রকাশ করা তাদের দায়িত্ব। এআই মডেল আরও সক্ষম হয়ে উঠলে এ ধরনের ঝুঁকিও বাড়বে, যদি না প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের অন্যান্য প্রতিরোধকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করলে গণমাধ্যম এগিয়ে যাবে: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান পরিসর এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ আমরা পাচ্ছি। এখানে সব থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন; বিরোধীদল, তারা মুক্তকণ্ঠে সমালোচনা করবেন। আবার সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ

১ দিন আগে

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

২ দিন আগে

ব্রিকস সম্মেলন: সমতাভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা গড়তে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান সিপিবির

১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিপীড়িত জনগণ এবং পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পক্ষাবলম্বনের বিপ

২ দিন আগে

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে ‘ধরে আনতে চায়’ সরকার

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে বাংলাদেশি দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। ‘আগামীর সময়ে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন না। অন্যদিকে ‘টাইম অব বাংলাদেশে’র প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ডিসেম্বরের ‘প্রথম সপ্তাহেই’ দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

৩ দিন আগে
Advertisement