
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আটটি কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কার্জন হল কেন্দ্রে। বিজ্ঞানের তিনটি হলের শিক্ষার্থীদের ৮৭ দশমিক ৩ শতাংশ এ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
এ নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে, যেখানে শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রে ভোটের হার ৬৩ শতাংশ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
এ নির্বাচনে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার পাঁচ হাজার ৬৬৫ জন। কেন্দ্রপ্রধান শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট নাসরীন সুলতানা বলেছেন, এখানে ভোট দিয়েছেন তিন হাজার ৯০৭ জন, যা প্রায় ৬৯ শতাংশ।
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিজয় একাত্তর হল, স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রের মোট ভোটার চার হাজার ৮৩০ জন।
কেন্দ্রের পোলিং অফিসার অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, বিজয় একাত্তর হলে ৮৫ শতাংশ, এ এফ রহমান হলে ৮৩ দশমিক ৫০ শতাংশ ও মুহসীন হলে ৮৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। সব হল মিলিয়ে এ কেন্দ্রে ৮৪ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।
ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার চার হাজার ৯৬ জন। কেন্দ্রপ্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল জাহিদ বলেন, কেন্দ্রটিতে ৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা চার হাজার ৭৫৫। কেন্দ্র প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক শারমীন কবীর বলেন, তার কেন্দ্রে ৭০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট কাস্ট হয়েছে।
কার্জন হলে ভোট দেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার পাঁচ হাজার ৭৭ জন।
কার্জন হল কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার এম এম মহিউদ্দীন বলেছেন, ফজলুল হক মুসলিম হলে এক হাজার ৪৪৩ জন, শহীদুল্লাহ হলে এক হাজার ৯০৯ জন ও অমর একুশে হলে এক হাজার ৮৩ জন ভোট দিয়েছেন। সব মিলিয়ে এ কেন্দ্রে ভোটের হার ৮৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা অন্য সব হলের চেয়ে বেশি।
উদয়ন স্কুল কেন্দ্রে সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ছয় হাজার ১৫৫ জন।
কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক শামীম রেজা বলেন, সূর্যসেন হলের এক হাজার ৪৯৮ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৩১৬ জন (প্রায় ৮৮ শতাংশ), জসীম উদ্দিন হলের এক হাজার ৩০৩ জনের মধ্যে এক হাজার ১১৭ জন (৮৬ শতাংশ), জিয়া হলের এক হাজার ৭৫৩ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৩১৫ জন (প্রায় ৭৫ শতাংশ) ও মুজিব হলের এক হাজার ৬০৯ জনের মধ্যে এক হাজার ৩৯৩ জন (৮৭ শতাংশ) ভোটার ভোট দিয়েছেন। সার্বিকভাবে কেন্দ্রের ভোটের হার প্রায় ৮৩ শতাংশ।
ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রে সুফিয়া কামাল হলের চার হাজার ৪৪৩ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্র প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মারুফুল ইসলাম বলেছেন, কেন্দ্রটিতে দুই হাজার ৯৪৭ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটের হার ৬৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জগন্নাথ হল, শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার চার হাজার ৮৫৩ জন।
কেন্দ্রের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মোস্তাক গাউসুল হক বলেন, এ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন চার হাজার ৪৪ জন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৮৩ শতাংশ।
এই তিন হলের মধ্যে জগন্নাথ হলে দুই হাজার ২২২ জন ভোটারের বিপরীতে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৮৩১ জন (৮২ দশমিক ৪ শতাংশ)। জহুরুল হক হলে এক হাজার ৯৬৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৬৬০ জন (৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ)। আর স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৬৬৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫৫৩ জন (৮২ দশমিক ৭ শতাংশ)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে আটটি কেন্দ্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কার্জন হল কেন্দ্রে। বিজ্ঞানের তিনটি হলের শিক্ষার্থীদের ৮৭ দশমিক ৩ শতাংশ এ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
এ নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে, যেখানে শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রে ভোটের হার ৬৩ শতাংশ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
এ নির্বাচনে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার পাঁচ হাজার ৬৬৫ জন। কেন্দ্রপ্রধান শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট নাসরীন সুলতানা বলেছেন, এখানে ভোট দিয়েছেন তিন হাজার ৯০৭ জন, যা প্রায় ৬৯ শতাংশ।
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিজয় একাত্তর হল, স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রের মোট ভোটার চার হাজার ৮৩০ জন।
কেন্দ্রের পোলিং অফিসার অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, বিজয় একাত্তর হলে ৮৫ শতাংশ, এ এফ রহমান হলে ৮৩ দশমিক ৫০ শতাংশ ও মুহসীন হলে ৮৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। সব হল মিলিয়ে এ কেন্দ্রে ৮৪ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।
ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার চার হাজার ৯৬ জন। কেন্দ্রপ্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল জাহিদ বলেন, কেন্দ্রটিতে ৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা চার হাজার ৭৫৫। কেন্দ্র প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক শারমীন কবীর বলেন, তার কেন্দ্রে ৭০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট কাস্ট হয়েছে।
কার্জন হলে ভোট দেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার পাঁচ হাজার ৭৭ জন।
কার্জন হল কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার এম এম মহিউদ্দীন বলেছেন, ফজলুল হক মুসলিম হলে এক হাজার ৪৪৩ জন, শহীদুল্লাহ হলে এক হাজার ৯০৯ জন ও অমর একুশে হলে এক হাজার ৮৩ জন ভোট দিয়েছেন। সব মিলিয়ে এ কেন্দ্রে ভোটের হার ৮৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা অন্য সব হলের চেয়ে বেশি।
উদয়ন স্কুল কেন্দ্রে সূর্যসেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ছয় হাজার ১৫৫ জন।
কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক শামীম রেজা বলেন, সূর্যসেন হলের এক হাজার ৪৯৮ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৩১৬ জন (প্রায় ৮৮ শতাংশ), জসীম উদ্দিন হলের এক হাজার ৩০৩ জনের মধ্যে এক হাজার ১১৭ জন (৮৬ শতাংশ), জিয়া হলের এক হাজার ৭৫৩ জন ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৩১৫ জন (প্রায় ৭৫ শতাংশ) ও মুজিব হলের এক হাজার ৬০৯ জনের মধ্যে এক হাজার ৩৯৩ জন (৮৭ শতাংশ) ভোটার ভোট দিয়েছেন। সার্বিকভাবে কেন্দ্রের ভোটের হার প্রায় ৮৩ শতাংশ।
ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রে সুফিয়া কামাল হলের চার হাজার ৪৪৩ শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্র প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মারুফুল ইসলাম বলেছেন, কেন্দ্রটিতে দুই হাজার ৯৪৭ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটের হার ৬৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জগন্নাথ হল, শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার চার হাজার ৮৫৩ জন।
কেন্দ্রের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মোস্তাক গাউসুল হক বলেন, এ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন চার হাজার ৪৪ জন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৮৩ শতাংশ।
এই তিন হলের মধ্যে জগন্নাথ হলে দুই হাজার ২২২ জন ভোটারের বিপরীতে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৮৩১ জন (৮২ দশমিক ৪ শতাংশ)। জহুরুল হক হলে এক হাজার ৯৬৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৬৬০ জন (৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ)। আর স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৬৬৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫৫৩ জন (৮২ দশমিক ৭ শতাংশ)।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৩ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে