জামায়াতকে গোপনে বৈঠক না করার আহ্বান রেজাউল করিমের

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৫০

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জামায়াত নেতাদের বিভিন্ন দেশের সাথে বৈঠকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃবৃন্দ গোপনে আমেরিকা ও ভারতের সাথে বৈঠক করেছেন। এখন বৈঠক করবেন বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস ও কূটনীতিকদের সঙ্গে। বৈঠক করেন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু গোপনে কেন? এটা আমাদের চিন্তিত করেছে। নিশ্চয় এর মধ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের সমর্থনে আয়োজিত শ্রীবরদী উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড মাঠে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জোট ত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে রেজাউল করিম বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকে আমরা ইসলামের একটি বাক্স মনে করেছিলাম। কিন্তু আজ জোট থেকে আমরা আলাদা হয়েছি, কারণ সেই ইসলামের বাক্সটি ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে।’ পশ্চিমা ধাঁচের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ‘আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চাই ইসলামী নিয়ম-আদর্শ অনুযায়ী। কিন্তু তারা যে নিয়মনীতি চালু করতে চায়, তা আমেরিকার নিয়মনীতি। এসব নীতিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয় না। এটি সম্পূর্ণ ধোঁকাবাজি। আমরা যে কারণে একসঙ্গে ছিলাম, সেই কারণেই জোট থেকে বেরিয়ে এসেছি।’ ইসলামী আন্দোলনের আমির দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, তারা একা হয়ে যাননি বরং মহান আল্লাহ এবং দেশপ্রেমিক জনগণ তাদের পাশে রয়েছে।

উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি খন্দকার মাওলানা মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মুফতি শহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বহু নেতাকর্মী বক্তব্য প্রদান করেন। চরমোনাই পীরের ভাষণ শেষে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী আবু তালেব মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিশাল পথমিছিল বের করা হয়, যা শ্রীবরদী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলের মাধ্যমে হাতপাখা প্রতীকের সমর্থনে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে একটি প্রকৃত ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার মাধ্যমেই সভার কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

৫ দিন আগে

বিএনপি যা বলে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে: দুলু

আমাদের মা-বোনেরা যারা অসহায়, যাদের স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না বা স্বামী মারা গেছে প্রত্যেকটি পরিবারের মেয়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক মা-বোন মাসে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। ইতিমধ্যে তারেক রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক

৫ দিন আগে

চৌধুরী সায়মার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

বাস্তবতা হলো, আমার এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি সায়মা ম্যামের শ্রদ্ধেয় বাবা, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের নামের অপব্যবহার করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে, ম্যামকে অবহিত করলে ম্যাম তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দেন। এমনকি ম্যাম আমাকে জানান, যারা তার বাবার নামের অপব্যবহার করে অনিয়ম করার চেষ্টা করছে, তাদের

৫ দিন আগে

জামায়াতের শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ঈদ করছেন

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই আয়োজন তার সরকারি বাসভবন ২

৫ দিন আগে