
সিলেট ব্যুরো

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পালিয়ে যাওয়া একটি দলের মতো দেশের ভেতরেও একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ভোট ডাকাতির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র কেবল জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বরং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাতেও এর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও স্থানীয় কমিউনিটি পর্যায়ে শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া প্রকৃত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি।
বিগত ১৬ বছরে উন্নয়নের নামে দেশের জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।
এ ছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে বেহেস্তের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে কেউ কেউ ভোট চাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারেক রহমান। বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনে মানুষের রাজনৈতিক ও ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক, বাকস্বাধীনতার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গত ১৬ বছর অনেককে হারিয়েছি। আমরা ইলিয়াস আলীকে হারিয়েছি, জুনায়েদ, দিনারকে হারিয়েছি। হাজার হাজার নেতাকর্মী, মানুষ হারিয়েছি।’
‘যারা পালিয়ে গিয়েছে, যারা বাকস্বাধীনতা, ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলীর মতো শত-হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। গুম-খুনের মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয়েছে,’— বলেন তারেক রহমান।
আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশের অর্ধেক পূরণ করেছি, স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হবে ধানের শীষকে বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে।’
বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রথম এই নির্বাচনি সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল থেকেই সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় শুরুতে এই জনসভায় স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
এরপর বেলা ১১টার দিকে জনসভাস্থলে পৌঁছান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুপুর ১২টা থেকে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মূল বক্তৃতা শুরু হয়। এ সময় মঞ্চে সিলেট ও সুনামগঞ্জের ১১টি আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে শহিদদের পরিবারের সদস্যরাও সমাবেশ মঞ্চের পাশে উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান সমাবেশ মঞ্চে পৌঁছান বেলা ১২টা ২৮ মিনিটে। এ সময় দলের নেতাকর্মীরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা, ভোট দিব কীসে, ধানের শীষে, লাগারে লাগা, ধান লাগা’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর ১২টা ৫৮ মিনিটে তারেক রহমান বক্তব্য শুরু করেন, ১টা ২৫ মিনিটে তার বক্তব্য শেষ হয়।
দীর্ঘ ২১ বছর পর তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সিলেট শহর যেন উৎসবের নগরীতে রূপ নিয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আলিয়া মাদরাসার মাঠ ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। জায়গার সংকুলান না হওয়ায় অনেককে মাঠের আশপাশের সড়ক ও ফুটপাতেও অবস্থান নিতে দেখা যায়। পুরো শহর জুড়েই রয়েছেন জনসাধারণ।

সকাল থেকেই নগরীর আম্বরখানা, দরগাহ গেইট, চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, মিরাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল জনসভাস্থলের দিকে আসতে থাকে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাও এসব মিছিলে অংশ নেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পালিয়ে যাওয়া একটি দলের মতো দেশের ভেতরেও একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ভোট ডাকাতির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র কেবল জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বরং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাতেও এর কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও স্থানীয় কমিউনিটি পর্যায়ে শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া প্রকৃত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি।
বিগত ১৬ বছরে উন্নয়নের নামে দেশের জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।
এ ছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে বেহেস্তের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে কেউ কেউ ভোট চাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারেক রহমান। বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনে মানুষের রাজনৈতিক ও ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক, বাকস্বাধীনতার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য গত ১৬ বছর অনেককে হারিয়েছি। আমরা ইলিয়াস আলীকে হারিয়েছি, জুনায়েদ, দিনারকে হারিয়েছি। হাজার হাজার নেতাকর্মী, মানুষ হারিয়েছি।’
‘যারা পালিয়ে গিয়েছে, যারা বাকস্বাধীনতা, ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলীর মতো শত-হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। গুম-খুনের মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয়েছে,’— বলেন তারেক রহমান।
আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশের অর্ধেক পূরণ করেছি, স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হবে ধানের শীষকে বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে।’
বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রথম এই নির্বাচনি সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল থেকেই সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় শুরুতে এই জনসভায় স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
এরপর বেলা ১১টার দিকে জনসভাস্থলে পৌঁছান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুপুর ১২টা থেকে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মূল বক্তৃতা শুরু হয়। এ সময় মঞ্চে সিলেট ও সুনামগঞ্জের ১১টি আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে শহিদদের পরিবারের সদস্যরাও সমাবেশ মঞ্চের পাশে উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান সমাবেশ মঞ্চে পৌঁছান বেলা ১২টা ২৮ মিনিটে। এ সময় দলের নেতাকর্মীরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম, সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা, ভোট দিব কীসে, ধানের শীষে, লাগারে লাগা, ধান লাগা’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর ১২টা ৫৮ মিনিটে তারেক রহমান বক্তব্য শুরু করেন, ১টা ২৫ মিনিটে তার বক্তব্য শেষ হয়।
দীর্ঘ ২১ বছর পর তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে সিলেট শহর যেন উৎসবের নগরীতে রূপ নিয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আলিয়া মাদরাসার মাঠ ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। জায়গার সংকুলান না হওয়ায় অনেককে মাঠের আশপাশের সড়ক ও ফুটপাতেও অবস্থান নিতে দেখা যায়। পুরো শহর জুড়েই রয়েছেন জনসাধারণ।

সকাল থেকেই নগরীর আম্বরখানা, দরগাহ গেইট, চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, মিরাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল জনসভাস্থলের দিকে আসতে থাকে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাও এসব মিছিলে অংশ নেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

সকাল থেকেই সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। কানায় কানায় পূর্ণ আলিয়া মাদরাসা মাঠ ছিল তারেক রহমানের অপেক্ষায়। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
এর আগে বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতেই দলের পক্ষ থেকেও এক ঝাঁক নতুন পরিকল্পনা ও ইশতেহারের রূপরেখা আনা শুরু করেছে বিএনপি।
৪ ঘণ্টা আগে
মিরপুর-১০ নম্বরের আদর্শ স্কুল মাঠে জনসভার মাধ্যমে তিনি এই প্রচারণার সূচনা করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ ও সফর করবেন জামায়াত আমির।
৪ ঘণ্টা আগে
দলীয় প্রধানকে একনজর দেখতে ভোর থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো সিলেট নগরী, যেখানে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
৫ ঘণ্টা আগে