
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। যারা সরকার পতনের জন্য বিভিন্নভাবে উসকানি দিচ্ছেন, তাদের এখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশের স্থিতিশীলতার কথা ভাবতে হবে।
রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইল ইসস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সংগঠনের অন্তর্বর্তীকালীন আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেনের সভাপতিত্বে সদস্যসচিব কাজী সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, এক শ্রেণির ছেলেপেলের মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছে বাসার ইট খুলে নিয়ে আসবে। এগুলো তো রাজমিস্ত্রি বা শ্রমিকের কাজ। ইট খোলার জন্য আমাদের কোনো শ্রমিকের প্রয়োজন নেই, আমাদের নিজেদেরই শ্রমিক রয়েছে। আপনারা ইট খুলতে যাবেন না, এতে হাত-পা ভেঙে যেতে পারে।
তিনি আরো বলেন, দেশের মধ্যে কোনো সমস্যা বা অরাজকতা তৈরি করা উচিত নয়। তার মতে, দীর্ঘ সময় পর দেশে গণতান্ত্রিকভাবে একটি সরকার এসেছে এবং সেই সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ১৮ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। দয়া করে সরকারকে কাজ করতে দেন। এরপর আগামী নির্বাচনে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে, এই সরকারকে রাখা যায় কিনা। এখন নয়, নির্বাচনের সময়ই সে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। সরকারের সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত সরকারের ব্যর্থতা বা দোষ বর্তমান সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা ঠিক নয়। একই সঙ্গে গত ১৮ মাসের সরকার এবং গত ১৮ বছরের শাসনের দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশকে নতুনভাবে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বিএনপি। দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে একসময় যেমন ভূমিকা রেখেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তেমনি ভবিষ্যতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশকে আরো সুন্দরভাবে গড়ে তুলবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা এই সরকারকে পতনের জন্য চেষ্টা করছেন, তাদের বলব—সবার আগে দেশ। দেশটাকে আগে স্থিতিশীল হতে দিন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। যারা সরকার পতনের জন্য বিভিন্নভাবে উসকানি দিচ্ছেন, তাদের এখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশের স্থিতিশীলতার কথা ভাবতে হবে।
রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইল ইসস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সংগঠনের অন্তর্বর্তীকালীন আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেনের সভাপতিত্বে সদস্যসচিব কাজী সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, এক শ্রেণির ছেলেপেলের মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছে বাসার ইট খুলে নিয়ে আসবে। এগুলো তো রাজমিস্ত্রি বা শ্রমিকের কাজ। ইট খোলার জন্য আমাদের কোনো শ্রমিকের প্রয়োজন নেই, আমাদের নিজেদেরই শ্রমিক রয়েছে। আপনারা ইট খুলতে যাবেন না, এতে হাত-পা ভেঙে যেতে পারে।
তিনি আরো বলেন, দেশের মধ্যে কোনো সমস্যা বা অরাজকতা তৈরি করা উচিত নয়। তার মতে, দীর্ঘ সময় পর দেশে গণতান্ত্রিকভাবে একটি সরকার এসেছে এবং সেই সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ১৮ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। দয়া করে সরকারকে কাজ করতে দেন। এরপর আগামী নির্বাচনে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে, এই সরকারকে রাখা যায় কিনা। এখন নয়, নির্বাচনের সময়ই সে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। সরকারের সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত সরকারের ব্যর্থতা বা দোষ বর্তমান সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা ঠিক নয়। একই সঙ্গে গত ১৮ মাসের সরকার এবং গত ১৮ বছরের শাসনের দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশকে নতুনভাবে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বিএনপি। দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে একসময় যেমন ভূমিকা রেখেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তেমনি ভবিষ্যতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশকে আরো সুন্দরভাবে গড়ে তুলবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা এই সরকারকে পতনের জন্য চেষ্টা করছেন, তাদের বলব—সবার আগে দেশ। দেশটাকে আগে স্থিতিশীল হতে দিন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, হাসপাতালে কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেগুলো উত্তরণে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হসপিটালে যান্ত্রিক কিছু সমস্যা রয়েছে। ইসিজি মেশিন, ডিজিটাল এক্স-রে এরকম নানাবিধ সরঞ্জামের লিমিটেশন আছে। সেগুলো উত্তরণের জন্য আমাদের কিছু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা
৩ দিন আগে
তিনি আরও বলেন, জীবনের বিনিময়ে হলেও জুলাই অভ্যুত্থান রক্ষা করা হবে। জুলাই টিকে না থাকলে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জাতীয় নির্বাচন ও নবগঠিত সরকার কারোরই অস্তিত্ব থাকবে না।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।’
৩ দিন আগে
শোষণ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজতন্ত্রের সংগ্রাম আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
৩ দিন আগে