
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেত্রী— মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়ন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে। দলের ভেতর ভাঙনের গুঞ্জন এবং দুজনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে যখন নানা পোস্ট ভাসছে, ঠিক তখনই সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন মনিরা শারমিন।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে নুসরাতকে নিজের ‘সহযোদ্ধা’ উল্লেখ করে মনিরা শারমিন জানিয়েছেন, এমপি কে হবেন তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন; বরং তার এই লড়াইটা শিক্ষিত তরুণদের রাজনীতিতে আসার পথ সুগম করার জন্য।
সব সমালোচনার জবাব দিয়ে সোমবার (৪ মে) ফেসবুক পোস্টে মনিরা লেখেন, ‘নুসরাত আমার সহযোদ্ধা। ক্যাম্পাসে কঠিন সময়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সে দাঁড়াইছে। জুলাইয়ের উত্তাল সময়ে সে রাজপথে ছিল। তার জন্য শুভকামনা।’
গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গেজেট প্রকাশের পর গতকাল রোববার (৩ মে) সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে শনিবার ২ মে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও এখনো তার গেজেট প্রকাশ হয়নি। ফলে গতকাল তিনি শপথ নিতে পারেননি।
এদিকে রোববার নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট স্থগিত চেয়ে ইসিকে চিঠি দিয়েছেন মনিরা শারমিন। এ ছাড়া প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সরকারি কৃষি ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ার কারণ দেখিয়ে গত ২৩ এপ্রিল মনিরার মনোনয়ন বাতিল করে ইসি। আপিল খারিজ হওয়ার পর তিনিও হাইকোর্টে রিট করেন, যার শুনানি আজ।
এ প্রসঙ্গে মনিরা শারমিন তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমি রাজনীতিবিদ, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া আমার কাজ। এটা ঠিকমত করতে পারাই আমার জন্য সফলতা। আমার এই লড়াই যদি একজন তরুণকেও অনুপ্রাণিত করে, সেটাই আমার সার্থকতা।’
এনসিপির এই নেত্রী আরও লেখেন, ‘ক্যারিয়ার স্যাক্রিফাইস করে শিক্ষিত তরুণরা দেশ গড়ার কাজে আসতে পারুক, এই সুযোগ তারা পাক। এটা জুলাইয়ের কমিটমেন্ট। আমরা কথা দিছিলাম, সবাই মিলে দেশটা গড়ব। রাজনীতি ধান্দাবাজি, চাঁদাবাজির জায়গা না বরং ত্যাগের জায়গা— এটা প্রতিষ্ঠিত হোক আমার এই লড়াইয়ের মাধ্যমে।’
মনিরা শারমিন জামায়াত-এনসিপি জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তাই আদালতে তার রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এনসিপি আরেক প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখতে তিনি ইসিতে চিঠি দিয়েছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ পুরো আইনি জটিলতাটি স্পষ্ট করেছেন।
তিনি বলেন, ‘মনিরা শারমিনের রিটের বিষয়টিও আমরা আমাদের দৃষ্টিতে রেখেছি। ফলে আগামীকালও গেজেট প্রকাশ হবে সেটি বলা যায় না। এটি পুরোপুরি আদালতের ওপর নির্ভর করছে। আদালত যদি রুল জারি করে তখন আমাদের নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ আমার পদ মাত্র একটা। এখন নুসরাতকে দিয়ে দিলাম। আদালত বলল, মনিরাকে রাখেন। তখন নুসরাতের মামলা ইনফ্যাকসেস হয়ে গেল। ফলে অনেক কিছু চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশের পর আদালত থেকে মনিরা শারমিনের বিষয়ে রায় এলে আইন অনুযায়ী নুসরাতের প্রার্থিতা বাতিল হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মাছউদ পুরো প্রক্রিয়াটি পরিষ্কার করে বলেন, ‘অবশ্যই বাতিল হয়ে যাবে। বাতিল হয়ে যাবে মানে তখন দুজন প্রার্থী হবে। আমরা বলতে পারি দুজনের মধ্যে কোন জন। অথবা ভোটে চলে যাবে। সেসময় জামায়াত জোট ভোট দিয়ে এদের মধ্যে একজন প্রার্থী নির্বাচিত করবে।’
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল ছিল মনোনয়ন জমার শেষ দিন। সেদিন নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টার ১৯ মিনিট পর ইসিতে পৌঁছান নুসরাত তাবাসসুম। তাই রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ইসি তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে বৈধতা দেয়।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেত্রী— মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়ন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে। দলের ভেতর ভাঙনের গুঞ্জন এবং দুজনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে যখন নানা পোস্ট ভাসছে, ঠিক তখনই সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন মনিরা শারমিন।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে নুসরাতকে নিজের ‘সহযোদ্ধা’ উল্লেখ করে মনিরা শারমিন জানিয়েছেন, এমপি কে হবেন তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন; বরং তার এই লড়াইটা শিক্ষিত তরুণদের রাজনীতিতে আসার পথ সুগম করার জন্য।
সব সমালোচনার জবাব দিয়ে সোমবার (৪ মে) ফেসবুক পোস্টে মনিরা লেখেন, ‘নুসরাত আমার সহযোদ্ধা। ক্যাম্পাসে কঠিন সময়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সে দাঁড়াইছে। জুলাইয়ের উত্তাল সময়ে সে রাজপথে ছিল। তার জন্য শুভকামনা।’
গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গেজেট প্রকাশের পর গতকাল রোববার (৩ মে) সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশে শনিবার ২ মে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও এখনো তার গেজেট প্রকাশ হয়নি। ফলে গতকাল তিনি শপথ নিতে পারেননি।
এদিকে রোববার নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট স্থগিত চেয়ে ইসিকে চিঠি দিয়েছেন মনিরা শারমিন। এ ছাড়া প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সরকারি কৃষি ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ার কারণ দেখিয়ে গত ২৩ এপ্রিল মনিরার মনোনয়ন বাতিল করে ইসি। আপিল খারিজ হওয়ার পর তিনিও হাইকোর্টে রিট করেন, যার শুনানি আজ।
এ প্রসঙ্গে মনিরা শারমিন তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমি রাজনীতিবিদ, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া আমার কাজ। এটা ঠিকমত করতে পারাই আমার জন্য সফলতা। আমার এই লড়াই যদি একজন তরুণকেও অনুপ্রাণিত করে, সেটাই আমার সার্থকতা।’
এনসিপির এই নেত্রী আরও লেখেন, ‘ক্যারিয়ার স্যাক্রিফাইস করে শিক্ষিত তরুণরা দেশ গড়ার কাজে আসতে পারুক, এই সুযোগ তারা পাক। এটা জুলাইয়ের কমিটমেন্ট। আমরা কথা দিছিলাম, সবাই মিলে দেশটা গড়ব। রাজনীতি ধান্দাবাজি, চাঁদাবাজির জায়গা না বরং ত্যাগের জায়গা— এটা প্রতিষ্ঠিত হোক আমার এই লড়াইয়ের মাধ্যমে।’
মনিরা শারমিন জামায়াত-এনসিপি জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তাই আদালতে তার রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এনসিপি আরেক প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখতে তিনি ইসিতে চিঠি দিয়েছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ পুরো আইনি জটিলতাটি স্পষ্ট করেছেন।
তিনি বলেন, ‘মনিরা শারমিনের রিটের বিষয়টিও আমরা আমাদের দৃষ্টিতে রেখেছি। ফলে আগামীকালও গেজেট প্রকাশ হবে সেটি বলা যায় না। এটি পুরোপুরি আদালতের ওপর নির্ভর করছে। আদালত যদি রুল জারি করে তখন আমাদের নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ আমার পদ মাত্র একটা। এখন নুসরাতকে দিয়ে দিলাম। আদালত বলল, মনিরাকে রাখেন। তখন নুসরাতের মামলা ইনফ্যাকসেস হয়ে গেল। ফলে অনেক কিছু চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশের পর আদালত থেকে মনিরা শারমিনের বিষয়ে রায় এলে আইন অনুযায়ী নুসরাতের প্রার্থিতা বাতিল হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মাছউদ পুরো প্রক্রিয়াটি পরিষ্কার করে বলেন, ‘অবশ্যই বাতিল হয়ে যাবে। বাতিল হয়ে যাবে মানে তখন দুজন প্রার্থী হবে। আমরা বলতে পারি দুজনের মধ্যে কোন জন। অথবা ভোটে চলে যাবে। সেসময় জামায়াত জোট ভোট দিয়ে এদের মধ্যে একজন প্রার্থী নির্বাচিত করবে।’
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল ছিল মনোনয়ন জমার শেষ দিন। সেদিন নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টার ১৯ মিনিট পর ইসিতে পৌঁছান নুসরাত তাবাসসুম। তাই রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ইসি তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে বৈধতা দেয়।

ধর্মের নামে রাজনীতি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায় না মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যারা মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল, এদেশের মানুষ সেই স্বাধীনতাব
১ দিন আগে
গণঅধিকার পরিষদ ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরোধী দল হওয়ার মতো রাজনৈতিক সক্ষমতা নেই। বরং যেকোনো সরকারের সঙ্গে থেকে সরকারঘেঁষা হওয়ার জন্য জামায়াত পারফেক্ট।
১ দিন আগে
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের এ এলাকার সন্তান। আপনারা আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। আমাকে কখনো বিমুখ করেননি। আমি যতবার আপনাদের সামনে এসেছি, আপনারা আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ৪০ হাজার রাইফেল নিয়ে আনসার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং ৬৭০ জন সদস্য শহিদ হয়েছেন। স্বাধীনতোত্তর অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরাতে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আনসার ও ভিডিপিকে একীভূত করে একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রদান করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৫
১ দিন আগে