শেখ হাসিনার প্রতিটি সংবাদ সম্মেলন পর্যবেক্ষণ করা হবে: শফিকুল আলম

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি সংবাদ সম্মেলন পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যেকটা সংবাদ সম্মেলন পর্যবেক্ষণ করা হবে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ জুলাই পর্যন্ত শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কোন সাংবাদিকদের কেমন ভূমিকা ছিল সেটিও দেখতে হবে। প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে সিরিয়াসলি গবেষণা করা হবে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) ‘ফ্যাসিবাদ মুক্ত গণমাধ্যম চাই’ এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জুলাই গণহত্যায় গণমাধ্যমের ভূমিকা: জবাবদিহিতা ও সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, শুধু জুলাই গণহত্যা নয়, শুরু করতে হবে আরও আগের সময় থেকে। গত ১৬ বছরে কার কি রোল ছিল এগুলো দেখা হবে। এছাড়া গত তিনবারের নির্বাচনকে কারা সাপোর্ট দিয়েছে সেটাও দেখা হবে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে কারা অগ্নিসংযোগ করলো, তারা কারা। মিডিয়া কাদের ওপর দোষ চাপালো, এগুলোও দেখা উচিত। এছাড়া গত ১৬ বছরে গুম, খুন নিয়ে কী ধরণের সাংবাদিকতা হয়েছে সেটিও জানতে হবে।

কোন কোন গণমাধ্যমে ‘ফ্যাসিবাদী বয়ান’ তৈরি হয়েছে তা চিহ্নিত করা হবে বলে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট কোন কোন গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সন্ত্রাসী অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, কোন কোন গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদী বয়ান তৈরি হয়েছে তা চিহ্নিত করা হবে।

তিনি বলেন, যারা গুম হয়েছেন, তাদেরকে নিয়ে কারা কটূক্তি করেছে সেটা জানা উচিত। শাপলা চত্বরে হেফাজতের যে কিলিং হয়েছে, আমরা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে এগুলো বের করব।

শফিকুল আলম বলেন, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্ট রাইট গ্রুপগুলো অনেক স্টেটমেন্ট দিয়েছে। তাদের স্টেটমেন্টকে আমরা ওয়েলকাম জানাই। কিন্তু গত ১৫ বছরে কি ধরনের ভয়াবহ জার্নালিজম হয়েছে সেটাও জানুক।

‘ফ্যাসিবাদমুক্ত গণমাধ্যম চাই’-এর আহ্বায়ক সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন শিশিরের সভাপতিত্বে এবং মুখপাত্র প্লাবন তারিকের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বাসসের সিনিয়র সাংবাদিক এস এম রাশেদুল ইসলাম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের চিফ রিপোর্টার আব্বাস উদ্দিন নয়ন, গবেষক ও শিক্ষক মাহাবুব আলম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আওয়াল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও একতার বাংলাদেশের সদস্যসচিব তাহমিদ আল মুদাসসির, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যরিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, নিউ-এজের সিনিয়র সাংবাদিক ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

এনসিপির সমাবেশে হামলার নিন্দা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির, দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ: জামায়াতের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

৩ দিন আগে

সাভারে এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, প্রশাসনের সহায়তায় বোমা হামলার অভিযোগ নাহিদের

নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?

৪ দিন আগে