
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

টানা ৫৩ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এরশাদ মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের পাওনাদি কীভাবে পরিশোধ করা যেতে পারে সে ব্যাপারে স্যারের সঙ্গে আলোচনা করবো। এই আশ্বাসের পর শ্রমিকরা আজকের মতো ছেড়ে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বেতন না পেলে মহাসড়ক ছাড়বো না—শ্রমিকরা এমন শক্ত অবস্থান নিলে এক মাসের বেতন আগামী রোববার প্রদান করা হবে বলে মুঠোফোনে শ্রম সচিব প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। এমন আশ্বাসের প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে টিএনজেড গ্রুপের আন্দোলনকারী শ্রমিকরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। এতে দুই মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো টানা ৫৩ ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের অবসান হলো।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) নাজির আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার দুপুর ১টার পর শ্রম মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে বক্তব্য দেন। তার ওই বক্তব্য সেখানকার মাইকে প্রচার করা হয়। এ সময় সেখানে গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, শিল্প পুলিশ ও আন্দোলনকারী শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রম সচিব বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নিয়ে আগামী রোববারের মধ্যে ৬ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে দেবে। শ্রমিকদের অন্যান্য দাবি ও পাওনা কীভাবে, কবে পরিশোধ করা হবে তা আলোচনার জন্য শ্রমিকদের একটি প্রতিনিধি দলকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তাদের পাওনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে। এ সময় শ্রমিকদের মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন, আমরা অপেক্ষায় আছি বলেও জানান সচিব।
এমন আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দুপুর ২টার দিকে শ্রমিকরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এরপর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের বিষয়টি সরকারিভাবে পরিশোধের আশ্বাস প্রদান করা হলে তারা অবরোধ তুলে নেন। এখন ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বিস্তারিত আসছে....

টানা ৫৩ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এরশাদ মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের পাওনাদি কীভাবে পরিশোধ করা যেতে পারে সে ব্যাপারে স্যারের সঙ্গে আলোচনা করবো। এই আশ্বাসের পর শ্রমিকরা আজকের মতো ছেড়ে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বেতন না পেলে মহাসড়ক ছাড়বো না—শ্রমিকরা এমন শক্ত অবস্থান নিলে এক মাসের বেতন আগামী রোববার প্রদান করা হবে বলে মুঠোফোনে শ্রম সচিব প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। এমন আশ্বাসের প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে টিএনজেড গ্রুপের আন্দোলনকারী শ্রমিকরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। এতে দুই মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো টানা ৫৩ ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের অবসান হলো।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) নাজির আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার দুপুর ১টার পর শ্রম মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে বক্তব্য দেন। তার ওই বক্তব্য সেখানকার মাইকে প্রচার করা হয়। এ সময় সেখানে গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, শিল্প পুলিশ ও আন্দোলনকারী শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রম সচিব বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নিয়ে আগামী রোববারের মধ্যে ৬ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে দেবে। শ্রমিকদের অন্যান্য দাবি ও পাওনা কীভাবে, কবে পরিশোধ করা হবে তা আলোচনার জন্য শ্রমিকদের একটি প্রতিনিধি দলকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তাদের পাওনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে। এ সময় শ্রমিকদের মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন, আমরা অপেক্ষায় আছি বলেও জানান সচিব।
এমন আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দুপুর ২টার দিকে শ্রমিকরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এরপর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের বিষয়টি সরকারিভাবে পরিশোধের আশ্বাস প্রদান করা হলে তারা অবরোধ তুলে নেন। এখন ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বিস্তারিত আসছে....

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে