ইনজেকশনে ৩০ রোগী অসুস্থ: তদন্তের নির্দেশ মানবাধিকার কমিশনের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘সরকারি হাসপাতালে ইনজেকশনের পর অসুস্থ ৩০ রোগী’ শিরোনামে গত ১৫ অক্টোবর, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, চিকিৎসা সেবাপ্রার্থীদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এতে চিকিৎসাসেবা প্রার্থীদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রোগীর সেবায় ব্যবহৃত ওই ইনজেকশনগুলোতে ত্রুটি বা মেয়াদ উর্ত্তীণ ছিল কি-না কিংবা প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা আবশ্যক। স্বাস্থ্যখাতে এ ধরনের ঘটনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

সুয়োমটোতে উল্লেখ রয়েছে, শেরপুর সদর হাসপাতালে বিভিন্ন রোগের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের ইনজেকশন দেওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ রোগী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনরা জানান। গত ১৩ অক্টোবর রোববার রাত একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বর্ণিত প্রেক্ষাপটে কমিশন আদেশ করে যে, এ ঘটনায় অসুস্থদের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকি নির্ণয়সহ সুষ্ঠু-তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার যথাযথ কারণ উল্লেখ করে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিভিল সার্জন, শেরপুরকে বলা হোক। আদেশের অনুলিপি জ্ঞাতার্থে সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসক, শেরপুর বরাবর পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদনের জন্য ধার্য করা হয়েছে।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

‘বিএনপি জুলাই সনদের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’

২ দিন আগে

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করব— রয়টার্সকে শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’

২ দিন আগে

কোনোভাবেই আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’

৩ দিন আগে

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

৩ দিন আগে