
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামীকাল রোববার (১৫ মার্চ) সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
আগামী ২৮ মার্চ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করে ঐক্যবদ্ধভাবেই রাজপথের আন্দোলনে যাচ্ছে ১১ দল।
শনিবার (১৪ মার্চ) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, জুলাই সনদে যেভাবে বলা আছে সে অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার আগামীকালই সরকারের জন্য শেষ দিন। অবিলম্বে যেন সরকার অধিবেশন ডাকার ব্যবস্থা নেন।
তিনি বলেন, যদি না নেন তাহলে আমরা স্পষ্ট বলতে চাই জাতির কাছে আপনারা ক্ষমা পাবেন না। বিশেষ করে সংসদ নেতাকে এটা প্রধানত দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারকেও সে দায়িত্ব নিতে হবে। জনগণকে সরকারের অবহেলা-অবজ্ঞা জনমতকে উপেক্ষা করে চলা, জনগণকে অপমানিত করার দায় নিতে হবে। দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসাবে এবার আমাদের সংসদ সদস্যরা সংসদে ভূমিকা রাখবেন।
আযাদ বলেন, আমরা আজকে বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামীকাল যদি সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য অধিবেশন না ডাকে, তাহলে আমরা রাজপথে যেতে বাধ্য হবো। শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডেকে কর্মসূচি দেবো।
তিনি বলেন, একই দিনে দুটো নির্বাচন হয়েছে। হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয়েছে, সরকারের দায়িত্ব এটা বাস্তবায়ন করা। ভোট দুটো অনুযায়ী দুইটি সাধারণ অধিবেশন ডাকান নিয়ম, কিন্ত ডেকেছে ১টি। বিএনপির সদস্যরা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেয়নি। অথচ তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, একইদিনে গণভোট ও চেয়েছেন, গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট চেয়েছেন, শেষে এসে মানলেন না-এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।
তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে সিটি করপোরেশন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ঢালাওভাবে দলীয়করণ হচ্ছে, প্রশাসনিক রদবদল হচ্ছে-এগুলো আরেকটি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর কৌশল।

আগামীকাল রোববার (১৫ মার্চ) সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
আগামী ২৮ মার্চ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করে ঐক্যবদ্ধভাবেই রাজপথের আন্দোলনে যাচ্ছে ১১ দল।
শনিবার (১৪ মার্চ) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, জুলাই সনদে যেভাবে বলা আছে সে অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার আগামীকালই সরকারের জন্য শেষ দিন। অবিলম্বে যেন সরকার অধিবেশন ডাকার ব্যবস্থা নেন।
তিনি বলেন, যদি না নেন তাহলে আমরা স্পষ্ট বলতে চাই জাতির কাছে আপনারা ক্ষমা পাবেন না। বিশেষ করে সংসদ নেতাকে এটা প্রধানত দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারকেও সে দায়িত্ব নিতে হবে। জনগণকে সরকারের অবহেলা-অবজ্ঞা জনমতকে উপেক্ষা করে চলা, জনগণকে অপমানিত করার দায় নিতে হবে। দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসাবে এবার আমাদের সংসদ সদস্যরা সংসদে ভূমিকা রাখবেন।
আযাদ বলেন, আমরা আজকে বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামীকাল যদি সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য অধিবেশন না ডাকে, তাহলে আমরা রাজপথে যেতে বাধ্য হবো। শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডেকে কর্মসূচি দেবো।
তিনি বলেন, একই দিনে দুটো নির্বাচন হয়েছে। হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয়েছে, সরকারের দায়িত্ব এটা বাস্তবায়ন করা। ভোট দুটো অনুযায়ী দুইটি সাধারণ অধিবেশন ডাকান নিয়ম, কিন্ত ডেকেছে ১টি। বিএনপির সদস্যরা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেয়নি। অথচ তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, একইদিনে গণভোট ও চেয়েছেন, গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট চেয়েছেন, শেষে এসে মানলেন না-এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।
তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে সিটি করপোরেশন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ঢালাওভাবে দলীয়করণ হচ্ছে, প্রশাসনিক রদবদল হচ্ছে-এগুলো আরেকটি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর কৌশল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আসিফ মাহমুদসহ আন্দোলনের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক আইনি পদক্ষেপের এই অপচেষ্টা প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি এই ঘটনাকে তরুণ প্রজন্মের লড়াই ও জুলাই বিপ্লবের চেতনার বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
১ দিন আগে
বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, একাত্তরের গণহত্যা ও গণধর্ষণে জড়িত জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মতাদর্শী ব্যক্তিরা সংসদে আসন গ্রহণ করে গতকাল যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা এ দেশের মানুষ কখনোই ভুলবে না।
১ দিন আগে
গত বুধবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আজ সন্ধ্যায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে